চক্রানত্মকারী ষড়যন্ত্র নস্যাত্‍ হতে চলেছে কুষ্টিয়ায় বিআরবি’র সামনে দখিনা সিটির সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট

0
325
Print Friendly, PDF & Email

আশরাফুল ইসলাম,কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : হাইকোর্টের নির্দেশে কুষ্টিয়া জেলার অনর্্তগত বটতৈল চেচুয়া জগতি মৌজায় দখিনা সিটির আবাসন প্রকল্প উন্নয়ন কাজকর্মের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে৷ বাংলাদেশ পরিবেশ সাংবাদিক সমিতির সভাপতির এক রীট আবেদনের প্রেক্ষিতে দীর্ঘ শুনানী শেষে হাইকোর্টের বিজ্ঞ বিচারপতি কাজী রেজাউল হক এবং বিজ্ঞ বিচারপতি এ.বি.এম আলতাফ হোসেন সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ গত ২৮ এপ্রিল, ২০১৪ খ্রীঃ তারিখে এ আদেশ প্রদান করেন৷ রীট পিটিশন নং- ৩২৫৬/২০১৪ নং মোকাদ্দমায় কুষ্টিয়া জেলার অনর্্তগত বটতৈল চেচুয়া জগতি মৌজায় দখিনা সিটি নামে আবাসন প্রকল্প বন্ধ ঘোষণা করেন৷ সেই সাথে উক্ত প্রকল্প এলাকায় দখিনা সিটি নামে অথবা অন্য কোন নামে সকল প্রকার কার্যক্রমের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন৷ উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ পরিবেশ সাংবাদিক সমিতির নেতৃত্বে কুষ্টিয়ার সকল শ্রেণীপেশার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশ আইন লঙ্ঘন, শিল্প আইন লঙ্ঘন এবং ভূমি আইনকে তোয়াক্কা না করে একটি ভূমিদসু্য চক্র অবৈধভাবে আবাসনের জন্য পস্নট বিক্রির অশুভ পাঁয়তারার বিরম্নদ্ধে একাধিকবার শহরে এবং উক্ত কথিত প্রকল্পের সামনে মানববন্ধন, জেলা প্রশাসকের নিকট স্মারক লিপি প্রদানসহ নানা কর্মসূচী পালন করে আসছে৷ এরই পরিপ্রেক্ষিতে সর্বসম্মতিক্রমে বাংলাদেশ পরিবেশ সাংবাদিক সমিতি হাইকোর্টে উক্ত প্রকল্পের সকল কার্যক্রম বন্ধের দাবিতে রীট পিটিশন করেন৷ হাইকোর্ট কুষ্টিয়াবাসীর অনুভূতিকে গুরুত্ব দিয়ে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে কুষ্টিয়ায় দখিনা সিটির সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছেন৷ হাইকোর্টের এ আদেশে কুষ্টিয়ার সকল শ্রেণীপেশার মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হলো৷ উল্লেখ্য যে, কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন ও পৌর কতর্ৃপক্ষের গাফেলতি এবং প্রশাসনিক দূর্বলতার কারণে কুষ্টিয়া পৌর এলাকায় বিসিক শিল্পনগরীর বিপরীতে এমআরএস ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ এর সামনে অপরিকল্পিতভাবে স্থাপনা গড়ে উঠছে৷ পৌর এলাকার মধ্যে নিয়মতান্ত্রিকভাবে পাকা-সেমিপাকা স্থাপনা গড়ে তোলার নির্দেশ থাকলেও এক শ্রেণীর প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ নিয়ম বহিভর্ূতভাবে সেখানে প্রায় ২০০ শত বিঘা জমির উপর সীমানা প্রাচীর নিমর্াণ করে সেমিপাকা ঘরসহ ইটের স্থাপনা গড়ে তুলছে৷ বিষয়টি পৌর কতর্ৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসনকে অবহিত করার পরও উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় ফুঁসে ওঠে এলাকাবাসী৷ প্রতিবাদে এলাকাবাসী কয়েক দফা মানববন্ধন ও মিছিল করে৷ ওই স্থানটি পৌর এলাকার ভাগাড় হিসাবে ব্যবহার করায় পৌর কতর্ৃপক্ষ শহরের ময়লা আবর্জনা সেখানে স্তুপ করছে৷ তাই ময়লা আবর্জনার দূগন্ধে সেখানে আবাসিক এলাকা হিসাবে ব্যবহারের অন-উপযুক্ত বলে পরিবেশ বাাঁচাও নাগরিক কমিটি সেখানে স্থাপনা গড়ে তোলারও প্রতিবাদ করেছে৷ পরিবেশ ক্লাব, পরিবেশ সাংবাদিক সমিতিসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার ব্যক্তিবর্গ অনেক আগে থেকেই সেখানে স্থাপনা গড়ে তোলার প্রতিবাদ জানিয়ে আসছিলো৷ অসাধু চক্রের ষড়যন্ত্রের কারণে বেদখল হয়ে যাচ্ছে সেখানকার জায়গা৷ ফলে কুষ্টিয়ার বিসিক শিল্পনগরীর সমপ্রসারনের কাজ শিশু পার্ক, খেলার মাঠ ও ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টের পরিকল্পনা ব্যর্থ হতে চলেছে৷ জমি সংকটের কারণে কুষ্টিয়ার বিসিকে যখন শিল্প কল-কারখানা গড়তে চরমভাবে হিমসিম খাচ্ছে ঠিক তখন বিসিক এলাকাপাশে এতবড় জায়গা বেহাত হয়ে যাওয়ায় বিসিক শিল্পনগরীর কর্মকতর্ারাও উদ্বিগ্ন৷ মেয়রের কার্যালয় কুষ্টিয়া পৌরসভার স্মারক নং-কুপৌ/২০১৩/৪০/২৮(৩)/৩ তারিখ-২৯-১২-২০১৩ এক নোটিশে উক্ত ভূমিদখলকারীদের নিকট একটি নোটিশ প্রদান করেন৷ নোটিশে বলা হয় নীলনঙ্া অনুমোদন ব্যতিত সেমি পাকা ঘর ও প্রাচীর নিমর্াণ করায় পৌরসভার অর্ডিন্যান্স ২০০৯ সালের ৩৫/৩৬ ধারা লংঘন করায় নীলনঙ্া অনুমোদন ব্যতিত কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ সড়ক ও বিসিক শিল্পনগরীর পশ্চিম পাশ্বর্ে প্রায় ২শত বিঘা জমির উপর একটি সেমি পাকা ঘর নিমর্াণ করা হচ্ছে যা পৌর আইনের লংঘন৷ উক্ত পত্র প্রাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে নিমর্াণ কাজ বন্ধ করে এবং ৭দিনের মধ্যে সঠিক সীমানা নিমর্াণ করে নীলনঙ্া অনুমোদনানত্মে অনুমোদিত নীলনঙ্ার শর্ত মোতাবেক নিমর্াণ কাজ করিবার জন্য নির্দেশ দেওয়া হইলো৷ অন্যথায় পৌর বিধি মোতাবেক নিমর্াণাধীন সেমিপাকা ঘরটি ও সীমানা প্রাচীর ভাঙ্গিয়া দেওয়া হইবে এবং ভাঙ্গিবার সমূদয় খরচ আপনার নিকট হইতে আদায় করা হইবে৷ অথচ অজ্ঞাত কারণে ৩ মাস পেরিয়ে গেলেও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি পৌর কতর্ৃপক্ষ৷ এতে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে৷ এলাকাবাসী মনত্মব্য করছেন এ কাজের পেছনে অর্থনৈতিক লেনদেনের কারণেই অনিয়মতান্ত্রিকভাবে গড়ে ওঠা স্থাপনার কাজ নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাচ্ছে৷ এতে কুষ্টিয়ার বিসিক শিল্পনগরীর সমপ্রসারনের কাজ শিশু পার্ক, খেলার মাঠ ও ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টের পরিকল্পনা ব্যর্থ হতে চলেছে৷ প্রশাসনের গাফিলতির কারণে প্রস্তাবিত ২য় বিসিক ও পৌর আধুনিক শিশু পার্ক ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান ও খেলার মাঠ পরিকল্পনাটিও ভেস্তে যেতে বসেছে৷ তথ্যসূত্রে জানা যায়, কুষ্টিয়া বিসিক শিল্পনগীর সামনে রাস্তার ওপারে ফাঁকা জায়গায় প্রস্তাবিত ২য় বিসিক ইউনিট-২ ও কুষ্টিয়ার প্রস্তাবিত পৌরসভার জনস্বার্থে আধুনিক শিশু পার্ক, খেলার মাঠ ও ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টের নির্ধারিত জায়গাগুলি প্রশাসনের উদাসীনতা ও গাফিলতির কারণে এক শ্রেণীর ভূমি খেঁকোরা বালি ভরাট করে প্লট আকারে বিক্রি করে চলেছে৷ এ বিষয়ে কুষ্টিয়া পৌর কতর্ৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করলে পৌর কতর্ৃপক্ষ জানান, কুষ্টিয়া পৌরসভা শহরতলীর প্রস্তাবিত এলাকায় বটতৈল ও চেচুয়া মৌজায় কুষ্টিয়া বিসিক শিল্পনগরীর সামনে ৮.৮৬৪৪ একর জমি প্রশাসনের মাধ্যমে ভূমি অধিগ্রহণ করে একটি আধুনিক শিশু পার্ক, খেলার মাঠ ও ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট বাস্তবায়নের জন্য ২০০৮ সালে একটি প্রকল্প গ্রহণ করে৷ প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ২০০৮ সালের জানুয়ারী মাসের মাসিক সভায় উপস্থিত সবসম্মতিক্রমে কুষ্টিয়া পৌরসভা কতর্ৃক অনুমোদন পায়৷ কুষ্টিয়া পৌরসভার অনুমোদনের পর ০৩/০৭/২০০৮ সালে প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের জন্য কুপৌ-১৭০৫/২০০৮ স্মারকে সচিব স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় পৌর-২ শাখায় প্রেরণ করা হয়৷ স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে সিনিয়র সচিব মোঃ হারুনার রশিদ স্বাক্ষরিত পত্র যাহার স্মারক নং-৯০৯, তারিখ ঃ ১৪/১০/২০০৯ ইং তারিখে কুষ্টিয়ার বটতৈল ও চেচুয়া মৌজা হতে ৮.৮৬৪৪ একর জমি অধিগ্রহণের জন্য কুষ্টিয়া পৌরসভা বরাবর পত্র প্রেরন করে৷ মন্ত্রণালয় কতর্ৃক কুষ্টিয়া পৌরসভার আধুনিক শিশু পার্ক, খেলার মাঠ ও ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অনুমোদন পাওয়ার পর কুষ্টিয়া পৌরসভা স্মারক নং-৯/২৪০২, তারিখ ঃ ২৭/১০/২০০৯ ইং আদেশ বলে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক বরাবর উক্ত জমি অধিগ্রহণের জন্য প্রস্তাব দাখিল করে৷ এরপর কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন কার্যালয় হতে ভূমি যাচাই বাছাই কমিটির মাধ্যমে কুষ্টিয়ার পৌরসভার নামে বটতৈল চেচুয়া মৌজার ৮.৮৬৪৪ একর জমি অধিগ্রহণের জন্য অনুমোদন পায়৷ যাচাই বাছাই কমিটির অনুমোদনের পর জেলা ভূমি বরাদ্দ কমিটি কতর্ৃক অনুমোদন দেওয়া হয়৷ জেলা প্রশাসনের এলএ শাখা ফরম নং-ক (৪ নং বিধির (১) উপ-বিধি দ্রষ্টব্য) প্রসেস নং-১(৯), তারিখ ঃ ০৭/০৩/২০১০ মূলে ৩ ধারায় জমির মালিকগণকে নোটিশ করা হয়৷ বিভিন্ন দপ্তরেও নোটিশটি প্রেরণ করেন৷ উক্ত ৩ ধারা নোটিশে বলা হয় উপরোল্লেখিত তফসীলে বর্ণিত সম্পত্তি কুষ্টিয়া পৌরসভার আধুনিক শিশু পার্ক, খেলার মাঠ ও ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট নির্মাণ প্রকল্পের জন্য জনকল্যাণ মূলক উদ্দেশ্যে প্রয়োজন, সেহেতু ১৯৮২ সনে স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল অধ্যাদেশ (১৯৮২ সনের ২ নং অধ্যাদেশ) এর ৩ ধারা বর্ণিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এতদ্বারা সংশ্লিষ্ট সকলকে অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে উক্ত সম্পত্তি সরকার কতর্ৃক অধিগ্রহণের প্রস্তাব করা হইয়াছে৷ সূত্র মতে জানা যায়, যে কোন জমি সরকার কতর্ৃক অধিগ্রহণের জন্য ৩ ধারায় নোটিশ করার পর উক্ত জমি জমির মালিকগণ কোন ব্যক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রয় বা হস্তান্তর করিতে পারে না৷ তথ্য সূত্রে জানা গেছে, সাংস্কৃতিক রাজধানী কুষ্টিয়া জেলার মানুষের বিনোদনের জন্য কুষ্টিয়া পৌরসভার অনর্ত্মগত বিসিক শিল্পনগরীতে বিআরবি ও এমআরএস’ ইন্ডাষ্ট্রিজ এর বিপরীত পাশে ২০০৯ সালে একটি শিশু পার্ক, খেলার মাঠ ও ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট করার উদ্যোগ গ্রহণ করে৷ কুষ্টিয়া পৌর কতর্ৃপক্ষ জায়গা অধিগ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসককে অবহিত করেন৷ জেলা প্রশাসন এ ব্যাপারে সভা আহবান করে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন৷ কুষ্টিয়া পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, পৌরসভা স্থাসবি/পৌর-১/উঃ প্রঃ (কুষ্টিয়া)-১৫/৫২/৯২/৯০৫,তারিখ-১৪/০৯/২০০৯ ইং তারিখে প্রশাসনিক অনুমতি পায়৷ স্মারক নং-কুপো-২০০৯-২৪০২, তারিখ -২৭/১০/২০০৯ ইং তে কুষ্টিয়া পৌরসভা হতে জেলা প্রশাসকের নিকট উক্ত জায়গা অধিগ্রহণের জন্য প্রসত্মাব দাখিল করে৷ স্মারক নং এল-এ/কুষ/৬-৩৫/৪-২০০৯/৫(২৩) তারিখ-১১/০১/২০১০তে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক মহোদয় ভূমি বরাদ্দ কমিটির সভা হয়৷ ভূমি বরাদ্দ কমিটির ওই মিটিংয়ে বিসিক এলাকার জমির কয়েকজন মালিক উক্ত জমি অধিগ্রহণের ব্যাপারে আপত্তি জানায়৷ ফলে আপত্তি শুনানীর জন্য ১০/০৫/২০১০ ইং তারিখে জেলা প্রশাসকের অফিস কক্ষে শুনানীর দিন ধার্য করে৷ পরবতর্ীতে পৌর কতর্ৃপক্ষ সেখানকার জমি অধিগ্রহণের ব্যাপারে আর কোন পদক্ষেপ নেয়নি৷ অপরদিকে বিসিক শিল্প নগরী কতর্ৃপক্ষ জেলা প্রশাসনকে পত্র দিলে কিছুটা কাজের অগ্রগতি হলেও পরে তা থমকে যায়৷ বিসিক শিল্পনগরী কতর্ৃপক্ষ পরে একাধিকবার পত্র দিয়েও জেলা প্রশাসনের নজরে আনতে পারেনি৷ একদিকে পৌর কতর্ৃপক্ষ অপরদিকে জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় বিসিক শিল্পনগরীর কর্মকতর্ারাও হতাশ হন৷ এমতাবস্থায় ৩য় পক্ষ এক শ্রেণীর ব্যক্তিবর্গ কুষ্টিয়ার কিছু প্রভাবশালী নেতা স্বাথর্ান্বেষী ব্যক্তিবর্গকে ম্যানেজ করে সেখানকার জমি ব্যবসার দিকে এগিয়ে আসেন৷ যে সকল জমির মালিকরা সরকারকে জমি অধিগ্রহণ দিতে অসম্মতি জানিয়েছিল৷ সেখানকার জমি তেফসলী ধানী জমি উল্লেখ করে অধিগ্রহণের প্রতিবাদে মানববন্ধন করে আন্দোলন করে আসছিলো৷ সে সকল জমির মালিকদের ৩য় পক্ষ জমির ব্যবসায়ীরা অনেক প্রলোভন দেখায়৷ জমির মালিকদের অর্থের লোভ দেখিয়ে সেখানকার জায়গা ক্রয় করে৷ বেশ কিছু জায়গা ক্রয় করে সেখানে বাউন্ডারী গেড়ে বালি ভরাটের কাজ করে চলেছে পুরো দমে৷ মেশিন দিয়ে এখন জায়গা সমান করা হচ্ছে৷ শিল্পসমৃদ্ধ এ এলাকায় আবাসিক স্থাপনা তৈরির পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে কতিপয় ব্যক্তিবর্গ৷ অনিয়মতান্ত্রিকভাবে স্থাপনা গড়ে তোলায় একদিকে বিসিক এলাকায় স্থাপিত কলকারখানার যেমন সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে ৷ ফলে জায়গার অভাবে বিসিকের মধ্যে আর নতুন কলকারখানা গড়ে তোলা সম্ভব হবে না৷ পরিকল্পনা ব্যর্থ হচ্ছে কুষ্টিয়ার বিসিক শিল্পনগরীর সমপ্রসারনের কাজ শিশু পার্ক, খেলার মাঠ ও ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট স্থাপনের৷ হাইকোর্টের এ আদেশের সংবাদ শুনে কুষ্টিয়াবাসী আনন্দিত৷ অবশেষে এলাকাবাসীর প্রাণের দাবী পূরণ হবে বলেও মনে করেন তারা৷

শেয়ার করুন