নওগাঁয় ১৮ দলের সকাল সন্ধ্যা হরতালে দেখা নেই জামায়াতের

0
115
Print Friendly, PDF & Email


 

মোফাজ্জল হোসেন নওগাঁ, (৬ডিসেম্বর) : জালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে রোববার সারাদেশ ব্যাপী সকাল-সন্ধ্যা হরতাল কর্মসূচীর অংশ হিসেবে নওগাঁয় পিকেটিং ও মিটিং মিছিলে বিএনপি মাঠে থাকলেও জামায়াতের কোন নেতা-কর্মীকে দেখা যায়নি।

 

সকাল থেকে শহরের বালুডাঙ্গা বাসষ্ট্যান্ডে পিকেটাররা ৩টি বাস ভাংচুর করে এবং তাজের মোড়ে ১টি মোটরসাইকেল ভাংচুর ছাড়া হরতাল ছিল শান্তিপুর্ণ।

 

সারাদিন কোন ভারি যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়নি। অধিকাংশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছিল বন্ধ। ব্যাংক, বীমা খোলা থাকলেও তেমন লেনদেন হয়নি। দুপুর সাড়ে ১২টায় শহরের ব্রীজের মোড়ে বিএনপির এক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

 

নওগাঁ জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক জাহেদুল ইসলাম ধলু, পৌর বিএনপির সভাপতি নাসির উদ্দিন, জেলা যুবদলের সভাপতি বায়েজিদ হোসেন পলাশ, সেক্রেটারী আব্দুস সালাম পিন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক দেওয়ান মোঃ ফারুক, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জালাল আহম্মেদ বকুল প্রমূখ।

 

 

 

 

 

সম্পাদনা আলীরাজ, হেড অব নিউজ  

 

 

 

 

 

 

মোফাজ্জল হোসেন নওগাঁ, (৬ডিসেম্বর) : নওগাঁয় স্ত্রীকে পিটিয়ে ও আগুনে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক স্বামীর বিরুদ্ধে। জেলার মহাদেবপুর উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নের ইটালী গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে হেলেনা পারভীন (৪২) নামে ঐ গৃহবধুর অগ্নিদগ্ধ লাশ উদ্ধার করে। রোববার সকালে পরভীনের লাশ ময়না তদমেত্মর জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করা হয়

 

এ ঘটনায় পুলিশ নিহত পারভীনের স্বামী মিজানুর রহমানের সহযোগী ছায়েদ আলীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে। 

 

এ ব্যাপারে পারভীনের চাচা আসাদুজ্জামান জানান, কারনে-অকারনে স্বামী ও শ্বাশুড়িসহ শ্বশুর বাড়ির লোকজন প্রায়ই পারভীনের ওপর নির্যাতন চালাতো। এরই এক পর্যায়ে গত শনিবার সন্ধ্যায় শ্বাশুড়ি ও স্বামী পারভীনকে প্রথমে মারপিট করে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে। পরে আত্নহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার জন্য নিহতের গায়ে আগুন লাগিয়ে দিয়ে লাশ ফেলে রেখে পালিয়ে যায় বলে তাদের অভিযোগ।

 

এ ব্যাপারে মহাদেবপুর থানার ওসি আব্দুর রশিদ জানান, প্রায় ২৭ বছর পূর্বে হেলেনা পারভীনের সাথে বিয়ে হয় মহাদেবপুর উপজেলার ইটালী গ্রামের মিজানুর রহমানের

 

গ্রামবাসীর উদ্ধৃতি দিয়ে পুলিশ জানায় বিয়ের পর থেকেই অজ্ঞাত কারনে প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকত এবং ঘটনার রাতে আবারো স্বামী তাকে বেদম মারপিট করে। এর মধ্যে তাদের দুই কন্যা সন্তানের জন্ম হয় এবং ইতিমধ্যে তাদের বিয়েও সম্পন্ন হয়েছে।

 

পুলিশের প্রাথমিক ধারনা পারভীনকে পিটিয়ে এবং আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনার পর থেকে স্বামীসহ পরিবারের লোকজন পলাতক রয়েছে।  

 

 

 

সম্পাদনা আলীরাজ, হেড অব নিউজ  

 

 

 

 

 

 

 

শেয়ার করুন