হাতিয়া-সুবর্ণচরের ৮শ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

0
318
Print Friendly, PDF & Email

রূপসীবাংলা ভোলা ১৭অক্টোবর :
ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হাতিয়া ও সুবর্ণচর উপজেলার ৮শ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছেন এনজিও “সাগরিকা সমাজ উন্নয়ন সংস্থা।”
মঙ্গলবার ও বুধবার দু’দিনব্যাপী এ ত্রাণ বিতরণ করা হয়। এসময় ৮শ পরিবারের মধ্যে নলের চরে ২শ পরিবার, জনতা বাজারে ১৫০ পরিবার ও কেয়ারিং চরে ৪৫০ পরিবারকে ত্রাণ প্রদান করা হয়। প্রতি পরিবারে ৫ কেজি চাল, ১ কেজি মশুর ডাল, ১ কেজি লবন ও আধা ডজন দিয়াশলায় প্রদান করা হয়েছে।
এ দু’দিন সাগরিকার নির্বাহী পরিচালক রুহুল মতিন ও সহকারী পরিচালক সাইফুল ইসলাম সুমন দূর্গতদের ত্রাণ সামগ্রী প্রদান করেন।পরে সাগরিকার পক্ষ থেকে বিভিন্ন ব্র্যাঞ্চ ম্যানেজার ও অডিট অফিসারগণ পর্যায়ক্রমে ত্রাণ দেন। বুধবার নলের চর এলাকায় ত্রাণ বিতরণ শেষে সাগরিকার সহকারী পরিচালক সাইফুল ইসলাম সুমন জানান, ‘সাগরিকা জেলার জনপদ সুবর্ণচর উপজেলার চরাঞ্চল, দ্বীপ উপজেলা হাতিয়া, কোম্পানীগঞ্জ এলাকার নিঃস্ব মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।
ঘূর্ণিঝড়ে সর্বস্ব হারানো দেড় হাজার পরিবারকে পুর্ণবাসন করার প্রস্তুতি চলছে। বর্তমানে শুধুমাত্র চাল, ডালসহ খাদ্য সামগ্রী প্রদান করা হচ্ছে। আস্তে আস্তে পুর্ণবাসনের ব্যবস্থা করা হবে। তবে; এজন্য তিনি সরকারি ও জেলার বিত্তশালীদের সহযোগিতা আশা করেন। তিনি আরও জানান, জেলার বিত্তশালীরা যদি সহযোগিতা করেন তাহলে ঘর হারানো প্রত্যেককে একটি করে ঘর তৈরি করে দেওয়া সম্ভব। যেহেতু সাগরিকা একটি উন্নয়ন সংস্থা, সাগরিকার একার পক্ষে সবাইকে পূর্ণাঙ্গ ঘর তৈরি করে দেওয়া অসম্ভব। তবে বাঁশের খুঁটি, বেড়া ও অন্যান্য সামগ্রী দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে বলে তিনি জানান।
উল্লেখ্য; ১০ অক্টোবর সুবর্ণচর উপজেলার চরাঞ্চল, দ্বীপ উপজেলা হাতিয়া এবং কোম্পানীগঞ্জে ঘূর্ণিঝড়ের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এতে প্রায় ২০ হাজার পরিবার সর্বস্ব হারিয়ে ফেলেন। ঘর চাপা ও নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে ২৫ জন মৃত্যুবরণ করেন এবং অর্ধশতাধিক জেলে নিখোঁজ হয়।

নিউজরুম

শেয়ার করুন