পিন্টুকে বিএনপির রাজনীতি ছাড়তে বলেছিলেন কাহার আকন্দ

0
122
Print Friendly, PDF & Email

পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় গ্রেফতার সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির নেতা নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টুকে সিআইডি অফিসে নিয়ে বিএনপির রাজনীতি না করার শপথ নিতে বলেছিলেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার আব্দুল কাহার আকন্দ।

সোমবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুল কাহার আকন্দকে জেরার সময় পিন্টুর আইনজীবী আমিনুল ইসলাম এমন অভিযোগ করেন।

তবে উত্তরে আব্দুল কাহার আকন্দ তা দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেন।

সোমবার বেলা ১২টায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার আব্দুল কাহার আকন্দের জেরা সম্পন্ন হওয়ার মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের সাক্ষ্যগ্রহণ প্রক্রিয়া শেষ হয়। মোট ৪৮ কার্যদিবসে আব্দুল কাহার আকন্দের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের ৬৫৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন আদালত।

শেষ দিনে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন ও আমিনুল ইসলাম মামলার অন্যতম আসামি নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টুর পক্ষে জেরা করেন।

এছাড়াও ব্যারিস্টার রফিকুল হক, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ এমপি, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি জয়নুল আবেদিনসহ শীর্ষস্থানীয় বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।

রাজধানীর বকশিবাজার এলাকায় সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন মাঠে স্থাপিত ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের অস্থায়ী এজলাসে মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. জহুরুল হক বিচারক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।

জেরা শেষে পিন্টুর আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতেই পিন্টুকে এ মামলায় জড়ানো হয়েছে। সরকার ইচ্ছা করলে পিলখানায় অ্যাকশনে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে পারতো। তাতে হয়তো এতো হতাহতের ঘটনা ঘটতো না। সরকার কেন তখন সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করেনি তা রহস্যজনক।

অন্যদিকে পিন্টুর বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পর্কে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আনিসুল হক বলেন, আসামি পিন্টু বিদ্রোহের ঘটনার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন এবং আসামিদের পালিয়ে যেতেও সহযোগিতা করেছেন।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৪ ও ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৩ জন নিহত হন। এ ঘটনায় লালবাগ থানা পুলিশের পরিদর্শক নবজ্যোতি খীসা মামলাটি দায়ের করেন।

শেয়ার করুন