চট্টগ্রামের সমাবেশেও বাধা

0
145
Print Friendly, PDF & Email

২৬ অক্টোবর চট্টগ্রাম মহানগরীর সাগরিকায় অবস্থিত জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচ। আর এই ম্যাচে খেলোয়াড়দের নিরাপত্তায় বিঘœ ঘটতে পারে এমন আশঙ্কা সিএমপির। ফলে ২৭ অক্টোবর চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদীঘি মাঠে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশের অনুমতি কোনোভাবেই মিলছে না বলে জানিয়েছেন সিএমপি উপ-কমিশনার (বিশেষ শাখা) আবদুল ওয়ারিশ। এদিকে লালদীঘি মাঠে ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশের অনুমতি না মেলার খবর সিএমপির প থেকে এখনো জানানো না হলেও গণমাধ্যমকর্মীদের কাছ থেকে বিষয়টি জেনেছেন বলে জানান চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনিই ঐক্যফ্রন্টের এ কর্মসূচির সার্বিক তত্ত্বাবধান করছেন। : ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ২৭ অক্টোবর লালদীঘি মাঠে সমাবেশের অনুমতি চেয়ে সিএমপি বরাবরে আবেদন করা হয়েছে গত ২০ অক্টোবর। কিন্তু আজ পর্যন্ত সমাবেশের অনুমতির ব্যাপারে সিএমপির প থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই বলা হয়নি। তবে গণমাধ্যমের খবরে অনুমতি না মিলার খবর পেয়েছি আমরা। এতে বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে দলের ওয়ানডে সিরিজের খেলা বিঘœ ঘটার শঙ্কার কথা বলা হয়েছে। যা অজুহাত মাত্র। : ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, লালদীঘির মাঠ থেকে সাগরিকা জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের দূরত্ব প্রায় ১৫ থেকে ১৭ কিলোমিটার। তাছাড়া খেলোয়াড়রা যেখানে থাকেন সেই হোটেল রেডিসন ব্লু’র দূরত্ব প্রায় ৫ কিলোমিটার। যেখানে সমাবেশের কারণে বিঘœ ঘটার কোনো সম্ভাবনাই নেই। এছাড়া ২৭ অক্টোবর বাংলাদেশের সাথে জিম্বাবুয়ের কোন খেলাও নেই। তিনি বলেন, দেশের ক্রিকেটাররা আমাদের জাতীয় সম্পদ। বিদেশি ক্রিকেটাররা হচ্ছেন অতিথি। এই বোধটুকু আমাদের আছে। তাদের নিরাপত্তার প্রশ্ন একটি অজুহাত মাত্র। ডা. শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, সিলেটে সমাবেশের অনুমতি দেয়ায় চট্টগ্রামেও অনুরূপ আশা করছেন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। এর মধ্যে নগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ানের নেতৃত্বে সিএমপি কমিশনারের সাথে সাাতও করেছেন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। কিন্তু তাদের কোনো আশ্বাস দেননি সিএমপি কমিশনার। : সিএমপি কমিশনার মাহবুবর রহমান এ প্রসঙ্গে বলেন, সিলেটের নিরাপত্তা চিত্রের সাথে চট্টগ্রামের তুলনা সমীচীন নয়। লালদীঘি মাঠে ঐক্যফ্রন্টকে সমাবেশের অনুমতি দেয়ার েেত্র চট্টগ্রামে অবস্থানরত জিম্বাবুয়ে টিমের নিরাপত্তার বিষয়টি জড়িত। বিষয়টি আমরা চিন্তা করছি। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানতে শুক্রবার পর্যন্ত অপো করতে হবে। : সিএমপির বিশেষ শাখার উপ-কমিশনার আবদুল ওয়ারিশ বলেন, সিলেটে তাদেরকে অনুমতি দিলে চট্টগ্রামে যে দিতে হবে এমন কোনো কথা নেই। এখানকার নিরাপত্তার বিষয় দেখেই তো আমরা তাদের অনুমতি দিবো। তিনি বলেন, ২৭ অক্টোবর বাংলাদেশের সাথে জিম্বাবুয়ের খেলা নেই বটে, কিন্তু জিম্বাবুয়ে নগরীতে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অবস্থান করবে। সেেেত্র রাজনৈতিক পরিস্থিতির বিষয়টি আমাদের মাথায় রাখতে হবে। লালদীঘি মাঠে সমাবেশের আয়োজন নিয়ে গত সোমবার চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির দলীয় কার্যালয় নাসিমন ভবনে প্রস্তুতি সভাও করেছেন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। সভায় বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু ঐক্যফ্রন্টকে সিলেটের মতো চট্টগ্রামেও সমাবেশের অনুমতি দিতে সরকার বাধ্য হবে বলে জানান। বিএনপির এ নেতা বলেন, : সিলেটের সমাবেশ আমরা সফলভাবে করেছি। এখন চট্টগ্রামে সমাবেশ করার সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। প্রশাসনের কোনো অজুহাত আমরা মানবো না। সিলেটের মতো চট্টগ্রামেও যে কোনো প্রকারে সমাবেশ আমরা করবোই। : চট্টগ্রামে লালদীঘিতে যে কোনো মূল্যে সমাবেশ : মামলা ও অনুমতির বেড়াজালে চট্টগ্রামে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সমাবেশ। র্শীষ নেতারা না থাকলেও সমাবেশের কাজ এগিয়ে চলছে। আগামীকাল ২৭ অক্টোবর চট্টগ্রামের লালদীঘি মাঠে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশে পুলিশ অনুমতির সিদ্ধান্ত আজ শুক্রবার সকালে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মাহবুবুর রহমান। গতকাল দুপুরে সিএমপি কমিশনারের সাথে সাাৎ করতে গেলে পুলিশ কমিশনার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপরে সাথে কথা বলে সমাবেশের অনুমোদন বিষয়ে আজ জানানো হবে বলে নেতৃবৃন্দকে অবহিত করেন। : চট্টগ্রামের নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলছেন, অনুমতি পাওয়া না গেলেও সমাবেশ হবে লালদীঘি ময়দানে। এদিকে বিএনপির নেতাকর্মীরা রয়েছেন গ্রেফতার আতঙ্কে। কিন্তু তারপরও সমাবেশ সফল করতে নেতাকর্মীরা কাজ করে যাচ্ছেন। বুধবার সিলেটে সমাবেশ সফল হওয়ায় নেতাকর্মীরা এখন উজ্জীবিত। মামলা-হুলিয়া আর পুলিশি অভিযানের মুখে পালিয়ে থাকা নেতাকর্মী আর সমর্থকরা মহাসমাবেশ সফল করতে এখন মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন। : বিএনপির নেতৃত্বাধীন গঠিত নতুন রাজনৈতিক জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আগামীকাল শনিবার চট্টগ্রামের লালদীঘি মাঠে সমাবেশের ঘোষণা দেয়। এ জন্য ইতিমধ্যে সিএমপির কাছে মাঠ ব্যবহারের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছে বিএনপি। অনুমতির সিদ্ধান্ত আজ শুক্রবার সকালে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মাহবুবুর রহমান। গতকাল দুপুরে সিএমপি কমিশনারের সাথে সাাৎ করতে গেলে পুলিশ কমিশনার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপরে সাথে কথা বলে সমাবেশের অনুমোদন বিষয়ে আজ জানানো হবে বলে নেতৃবৃন্দকে অবহিত করেন। : গত ২১ অক্টোবর তথ্যপ্রযুক্তি আইনে একটি মামলা জামিনের জন্য কারাগারে পাঠানো হয় চট্টগ্রামের প্রতিনিধিত্বকারী বিএনপির নীতি নির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে। এরই মাঝে সেদিন আদালতে পুলিশের উপর হামলার অভিযোগে বিএনপির ১৫০ জন নেতাকর্মীর নামে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলায় গত ২২ অক্টোবর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশ সফল করার জন্য প্রস্তুতি সভা থেকে ফেরার পথে গ্রেফতার করা হয় বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম ও নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্করকে। একই মামলায় আসামি নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন গতকাল হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়েছেন। তার সাথে নগরী ও জেলার নেতারাও জামিন নিয়েছেন। জামিন নেয়া নেতারা আজ থেকে সমাবেশ সফল করতে কাজে নেমে পড়বেন বলে আশা করা যাচ্ছে। : নেতাকর্মীদের নামে একের পর এক মামলা, গ্রেফতার আতঙ্কে অনেকে আছেন আত্মগোপনে। কিন্তু শনিবারের সমাবেশ সফল করতে গোপনে নেতারা কাজ করে যাচ্ছেন। নেতাকর্মীরা রাতে নিজের বাসায় থাকতে পারেন না পুলিশের ভয়ে। মামলার আসামি হয়েছেন এমন নেতারা জামিনের চেষ্টা করছে। এরই মাঝে যুক্ত হয়েছে নেতাকর্মীদের নামে গায়েবি মামলা। দিন দিন সেই মামলার সংখ্যা বাড়ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মামলার আসামি হয়েছেন মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি গাজী সিরাজ উল্লাহ। তার বিরুদ্ধে মামলার সংখ্যা ১০২টা। নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেনের বিরুদ্ধে মামলার সংখ্যা ৩৯টা। সর্বশেষ আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী চট্টগ্রাম আদালতে হাজির হওয়ার দিন পুলিশের সাথে হাঙ্গামা করার অভিযোগে কোতোয়ালি থানায় দায়ের করা মামলায় তাকেও আসামি করা হয়েছে। : নগর বিএনপির সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ানের বিরুদ্ধে রয়েছে ১২টির বেশি মামলা, সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্করের বিরুদ্ধে ৩৫টি ও সহ-সভাপতি এস কে খোদা তোতনের বিরুদ্ধে ২৫টির মতো মামলা রয়েছে। বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীমের বিরুদ্ধে রয়েছে ২টি মামলা। স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খানের বিরুদ্ধে ২২টি, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলুর বিরুদ্ধে ৫০টি, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া ও আলী মর্তুজার বিরুদ্ধে ৭০টির মতো মামলা রয়েছে। গত এক মাসে চট্টগ্রামে বিএনপি, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শতাধিকের উপরে গায়েবি মামলা হয়েছে। : ঐক্যফ্রন্টের প্রতিনিধি দলে থাকা চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান দিনকালকে বলেন, আমরা ২৭ তারিখ সমাবেশের অনুমতির বিষয়ে পুলিশ কমিশনারের সাথে দেখা করেছি। পুলিশ কমিশনার আমাদের জানিয়েছেন শুক্রবার সকালে অনুমতির সিদ্ধান্ত জানানো হবে। আমরা আশা করছি পুলিশের প থেকে অনুমতি পাবো। আমরা শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করবো। যদিও অনুমতি না পাই তারপরও আমরা জোর করে সমাবেশ করব। মামলা তো হচ্ছেই আমরা আর মামলার ভয় পাই না। ভয়কে কাটিয়ে জয়ের পথে আমাদের পথচলা শুরু হবে ২৭ অক্টোবর। : দণি জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ জাফরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, আমরা জেলার প থেকে প্রস্তুতি সভা করেছি। উপজেলাগুলোতে প্রচারণা চলছে। আমার জেলা থেকে অসংখ্য নেতাকর্মী সমাবেশে অংশগ্রহণ করবে । : মামলা-হুলিয়া, গ্রেফতার আতঙ্ক উপো করে যেকোন মূল্যে লালদীঘির জনসভা সফল করা হবে বলে জানান চট্টগ্রামের ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। ঐক্যফ্রন্টের নেতারা বলছেন, মহাসমাবেশকে ঘিরে পুলিশ ধরপাকড় আর বাড়িঘরে তল্লাশি অভিযান আরও জোরদার করেছে। কিন্তু আমাদের আটকাতে পারবেনা কেউ। : চট্টগ্রামে ২০ দলীয় জোটের প্রতিবাদ সমাবেশে : শেখ হাসিনাকে রেড কার্ড দেখাতে হবে – জালাল উদ্দিন : বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল উদ্দিন মজুমদার বলেছেন, বাংলাদেশের সার্বিক অবস্থা নাজুক। দেশে এখন একটি যুদ্ধ চলছে, এ যুদ্ধ গণতন্ত্র রার যুদ্ধ, এ যুদ্ধে জয়ী হতে হলে, শেখ হাসিনাকে রেড কার্ড দেখাতে হবে, আমরা তোমাকে চাই না। তিনি আরো বলেন, গণতন্ত্রকে রার যুদ্ধ এবং মানুষকে রার যুদ্ধে নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। ২০ দলীয় জোটের কর্মীরা গণতন্ত্র রা করার যুদ্ধের পাশাপাশি সমাজবদলের যুদ্ধও চালিয়ে যাচ্ছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ২০ দলীয় জোটের উদ্যোগে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি চট্টগ্রাম মহানগর কার্যালয়ে এক প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। : বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি ও ২০ দলীয় জোট নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইলিয়াসের সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর এলডিপির সাংগঠনিক সম্পাদক দোস্ত মোহাম্মদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন রশিদ বলেছেন, সিলেটে যেহেতু আমাদের জনসভা সফল হয়েছে, আগামী ২৭ অক্টোবর চট্টগ্রামেও জনসভা সফল হবে এবং এ জনসভা হবে স্মরণকালের সর্ববৃহৎ। চট্টগ্রাম ২০ দলীয় জোটের ঘাঁটি, এ ঘাঁটিকে কাজে লাগাতে হবে। স্ব স্ব উদ্যোগে সভা সাফল্যমন্ডিত করতে হবে। তিনি আরো বলেন, ডা. কামাল হোসেনের মাধ্যমে আমরা একটি ম্যাসেজ দিয়েছি রাষ্ট্রের মালিক জনগণ। শেখ হাসিনা গণতন্ত্রের কলঙ্ক, তাকে উৎখাত করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করবো। : সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান বলেছেন, ২৭ অক্টোবর জনসভা হবে। সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে এ জনসভা সফল করতে হবে। তিনি আরো বলেন, হামলা, মামলা ও গ্রেফতার করে বিরোধী দলের চলমান সরকার পতন আন্দোলনকে বন্ধ করা যাবে না এবং এই অবৈধ মতার মসনদ টিকিয়ে রাখা যাবে না। অচিরেই অবৈধ মতার পতন ঘটিয়ে জনগণ এই সরকারকে বিদায় জানাবে। জনবিচ্ছিন্ন অবৈধ সরকারের এই ঘৃণিত ও জঘন্য ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি। অবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, মাহবুবের রহমান শামীম ও আবুল হাশেম বক্করসহ নেতৃবৃন্দের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন। অন্যথায় চট্টগ্রামবাসী আন্দোলনের মাধ্যমে তাদেরকে মুক্ত করার মাধ্যমে অবৈধ সরকারের পতন ঘটিয়ে ছাড়বে। : সভাপতির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইলিয়াস বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশ ও ইসলাম বিরোধী কর্মকান্ডের প্রতিবাদ যেন করতে না পারেন সে জন্য একের পর এক নেতাকর্মীদের বন্দি করছে। ইতিহাস বলে নির্যাতন করে কোনো সরকারই টিকে থাকতে পারেনি। বর্তমান সরকারও পারবে না। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ন্যাপের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি ওসমান গণি সিকদার, এনপিপি চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি আনোয়ার সাদেক, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম মহানগর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট এ. এইচ. এম জাহিদ হোসেন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের চট্টগ্রামের সমন্বয়কারী মাওলানা এম এ কাশেম ইসলামাবাদী, চট্টগ্রাম মহানগর মুসলিম লীগের আহবায়ক কাজী নাজমুল হাসান সেলিম, বিজেপি চট্টগ্রাম মহানগর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফিরোজ কবির লিটন, এলডিপিবির চট্টগ্রাম মহানগর প্রচার সম্পাদক মো. নুরুল আজগর চৌধুরী, ইসলামী ঐক্যজোটর সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসাইন রব্বানী, অর্থ সম্পাদক মাওলানা মাহমুদুল করিম কাছেমী, প্রচার সম্পাদক হাফেজ মাহমুদুল হাসান, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) চট্টগ্রাম মহানগর যুব বিষয়ক সম্পাদক বি. এম ছায়েদুল হক, চট্টগ্রাম কল্যাণ পার্টির যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন প্রমুখ। : :
দিনকাল রিপোর্ট :

শেয়ার করুন