বাদ্যের তালে তালে শাজাহান খানের খালেদার কার্যলয় ঘেরাও কর্মসূচিতে ককটেল বিস্ফোরণ, ভাংচুর : কূটনৈতিক পাড়ায় আতঙ্ক

0
76
Print Friendly, PDF & Email

দোকানপাট ভাংচুর, ককটেল বিস্ফোরণ ও বাধ্যের তালে তালে তিন তিন বার নির্বাচিত সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে রাজপথে খিস্তিখেউড়ের মধ্য দিয়ে শেষ হলো নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানের ঘোষিত বিএনপি চেয়ারপারসন গুলশান কার্যলয় ঘেরাও কর্মসূচি। লাগাতার অবরোধ ও হরতাল প্রত্যাহারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম মেটাম দেয়ার মধ্য আজ সোমবার দুপুরে এ কর্মসূচি শেষ হয়। এর আগে কর্মসূচি সামনে রেখে অনুষ্ঠিত সভায় কে বা কারা বোমা বিস্ফোরণ ঘটালে গুলশানের অভিযাত বিভিন্ন দোকনপাটে ভাংচুর চালায় শ্রমীক লীগের ক্যাডাররা। এ সময় নগরীর এ কূটনৈতিক পাড়ায় জনমনে আতঙ্কে ছড়িয়ে পড়ে। পরে হরতাল-অবরোধ প্রত্যাহারের দাবিতে আগামী বুধবার সারাদেশে ট্রাক মিছিল কর্মসূচি দিয়ে ঘেরাও কর্মসূচি শেষ করেন নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান। গুলশানের রাজউক পার্কে ট্রাকের ওপর অস্থায়ী মঞ্চে বক্তৃতাকালে তিনি এই কর্মসূচি দেন। এর আগে শাজাহান খানের নেতৃত্বে আওয়ামীপন্থি শ্রমিক-কর্মচারী-পেশাজীবী-মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদের দুই সহস্রাধিক নেতাকর্মী ঢোল-বাদ্যের তালে তলে গুলশানে খালেদা জিয়ার কার্যালয় ঘেরাওয়ে যায়। তাদের গুলশান ৮৬ নম্বর সড়কের দক্ষিণ মুখে পুলিশ আটকে সমাবেশ করে। সমাবেশ থেকে শাজাহান খান এই ট্রাক মিছিল কর্মসূচির ঘোষণা দেন। তিনি আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াকে অবরোধ-হরতাল প্রত্যাহারের দাবি জানান। শাজাহান খান হুমকি দিয়ে বলেন, ‘২৪ ঘণ্টার মধ্যে অবরোধ-হরতাল প্রত্যাহার করা না হলে আমরা সরকারের কাছে খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।’ তিনি বলেন, ‘সরকার খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তারে গড়িমসি করলে জনগণকে নিয়ে আমরা তাকে গ্রেপ্তার করে কাশিমপুর কারাগারে পাঠাতে বাধ্য হব।’ এরপর শ্রমিক-কর্মচারী-পেশাজীবী-মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদের আহ্বায়ক শাজাহান খান দুদিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, আগামী বুধবার সারাদেশে ট্রাক নিয়ে মিছিল করা হবে। আর পরের দিন বৃহস্পতিবার সারাদেশে জাতীয় পতাকা হাতে মিছিল করা হবে।

শেয়ার করুন