ফের চাঙ্গা হচ্ছে নাইকো মামলা

0
38
Print Friendly, PDF & Email

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা নাইকো দুর্নীতি মামলার বিচার কার্যক্রম সচল করার উদ্যোগ নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে এ তথ্য জানিয়ে বলেন, নাইকো দুর্নীতি মামলার রুল শুনানির জন্য তালিকায় আছে। খুব শীঘ্রই রুল শুনানি হবে, আমরাও প্রস্তুত আছি। এর আগে হাইকোর্ট বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা এ মামলার নথি তলব করেছিল। সে অনুযায়ী নথিপত্র আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের ৩২ ধারা ও বিধিমালার ১৫ ধারা অনুযায়ী দুদক সন্তুষ্ট হয়েই এই মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) অনুমোদন করেছে; কিন্তু আদালত এই মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুল জারি করেছিলেন। দুদকের আরেক আইনজীবী মো. কবির হোসেন জানান, দুদকের দায়ের করা প্রায় শতাধিক মামলা উচ্চ আদালতে স্থগিত হয়ে আছে। এগুলোর মধ্যে নাইকো দুর্নীতি মামলাও রয়েছে। দুদকের পক্ষ থেকে এ মামলাগুলোসহ অন্য মামলাগুলো সচল করার জন্য দ্রুত শুনানির প্রস্তুতি চলছে। দুদকের আরেক আইনজীবী মীর আবদুস সালাম জানান, কানাডিয়ান কোম্পানি নাইকো রিসোর্সেসের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে এরই মধ্যে সাক্ষ্য দিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বাপেঙ্) জিএম মোস্তফা কামাল। তিনি ঢাকার দ্বিতীয় বিশেষ জজ আদালতে হাজির হয়ে এ সাক্ষ্য দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক হোসনে আরা বেগম সাক্ষীর জবানবন্দি নিয়ে জেরার জন্য দিন ধার্য করেছেন। দুদকের আরেক আইনজীবী রফিকুল ইসলাম বেনু জানান, কানাডার কোম্পানি নাইকো রিসোর্সেস লিমিটেডের কাছ থেকে বিলাসবহুল টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার গাড়ি (যার তৎকালীন মূল্য বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৯৬ লাখ টাকা) রেজিস্ট্রেশন বাবদ ২৩ হাজার ৮০৫ টাকা ও কানাডা আমেরিকা ভ্রমণ বাবদ ৫ লাখ কানাডিয়ান ডলার ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে এরই মধ্যে সাক্ষ্য দিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বাপেঙ্) জিএম মোস্তফা কামাল। তিনি ঢাকার দ্বিতীয় বিশেষ জজ আদালতে হাজির হয়ে এ সাক্ষ্য দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক হোসনে আরা বেগম সাক্ষীর জবানবন্দি নিয়ে জেরার জন্য দিন ধার্য করেছেন। দুদকের আরেক আইনজীবী রফিকুল ইসলাম বেনু জানান, কানাডার কোম্পানি নাইকো রিসোর্সেস লিমিটেডের কাছ থেকে বিলাসবহুল টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার গাড়ি (যার তৎকালীন মূল্য বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৯৬ লাখ টাকা) রেজিস্ট্রেশন বাবদ ২৩ হাজার ৮০৫ টাকা ও কানাডা আমেরিকা ভ্রমণ বাবদ ৫ লাখ কানাডিয়ান ডলার ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে ২০১২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি শাহবাগ থানায় মামলা করেন দুদকের তৎকালীন পরিচালক সাহিদুর রহমান। এ বিষয়ে জিয়া পরিবারের আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন জানান, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ৩২ ধারা ও বিধিমালা, ২০০৭-এর ১৫ ধারা অনুযায়ী দুদক এই মামলার চার্জশিট যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে এবং বিচারিক মননের যথাযথ প্রয়োগ না করে অনুমোদন দেওয়ায় হাইকোর্ট মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে ২০০৮ সালের ৯ জুলাই এই আদেশ দেন। এ ছাড়া মামলার সব কার্যক্রম স্থগিত করে মামলাটিকে কেন বাতিল ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে সরকার ও দুর্নীতি দমন কমিশনের বিরুদ্ধে রুল জারি করেন। এর আগে বেগম জিয়ার পক্ষে মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করায় হাইকোর্ট এ আদেশ দেন। জিয়া পরিবারের আরেক আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতো একই অভিযোগে বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধেও নাইকো দুর্নীতি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। এই মামলায় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আটজনের মামলা বাতিল (কোয়াশ) করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা নাইকো মামলা শেষ করা তো দূরের কথা রাজনৈতিভাবে হয়রানি করার জন্য এখন বিচার কার্যক্রম সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমরা আশা করি বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি ন্যায়বিচার করা হলে এই মামলার দায় থেকে তিনিও মুক্ত হবেন। কানাডার কোম্পানি নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতিসাধন ও দুর্নীতির অভিযোগে এর আগে খালেদা জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে দুদকের সহকারী পরিচালক মুহম্মদ মাহবুবুল আলম ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলাটি করেন। এ মামলার তদন্ত শেষে দুদক আরও ছয়জনের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পায়। পরে ২০০৮ সালের ৫ মে এ মামলায় খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক এস এম সাহেদুর রহমান। অভিযোগপত্রে প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়। এই মামলার অন্য আসামিরা হলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, সাবেক মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সি এম ইউছুফ হোসাইন, বাপেঙ্রে সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, বাপেঙ্রে সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, ঢাকা ক্লাবের সাবেক সভাপতি সেলিম ভূঁইয়া ও নাইকোর দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ। আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার অভিযোগে কানাডার নাইকো রিসোর্সেস লিমিটেড ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান কাজে দরপত্রে অংশগ্রহণ করলে দরপত্রের কারিগরি ও আর্থিক মূল্যায়ন কমিটি কোম্পানিটিকে অযোগ্য ঘোষণা করে। এ অবস্থায় আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থায়নে আবিষ্কৃত বিপুল মজুদ-সংবলিত ফেঞ্চুগঞ্জ, ছাতক (পূর্ব ও পশ্চিম) ও কামতা এই তিন গ্যাসক্ষেত্রকে পরিত্যক্ত দেখায়। এভাবে কৌশলে গ্যাসক্ষেত্র তিনটি নাইকোর হাতে তুলে দিতে পেট্রোবাংলার সঙ্গে নাইকোর যৌথ উদ্যোগে উৎপাদনের প্রস্তাব তৈরি করা হয়। প্রস্তাবটি বিধি মোতাবেক না হওয়া সত্ত্বেও তখনকার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে তা বিধিমতে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করে। পরে সেই অনুরোধ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে নেতিবাচক মতামতসহ নথিটি তৎকালীন সচিবের কাছে পাঠায়। পরে নাইকো বাপেঙ্রে সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ছাতক, ফেঞ্চুগঞ্জ, বিয়ানীবাজার ও কামতা গ্যাসক্ষেত্রকে মার্জিনাল ও নন-প্রডিউসিং হিসেবে দেখিয়ে ক্ষেত্রগুলোকে উন্নয়ন ও গ্যাস উৎপাদনের জন্য মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর আবার প্রস্তাব দেয়। ওই প্রস্তাবে অপকৌশল করে পরিত্যক্ত গ্যাসক্ষেত্রের সঙ্গে নতুন আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রকে প্রান্তিক ও পরিত্যক্ত হিসেবে দেখানো হয়। এ ব্যাপারে জ্বালানি সচিব পেট্রোবাংলার কাছে মতামত চান। পেট্রোবাংলা মতামতের জন্য বাপেঙ্ ও নিজস্ব বিশেষজ্ঞদের কাছে তা পাঠায়। তারা এই বিষয়ে নীতিমালা প্রণয়ন ও কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন বলে উল্লেখ করে। পেট্রোবাংলার বিশেষজ্ঞরা তখন জানান, দেশে প্রান্তিক গ্যাসক্ষেত্রের কোনো সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা ও গাইডলাইন এবং এসব গ্যাসক্ষেত্র নন-প্রডিউসিং কি না সে ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত নেই। তাই এ বিষয়ে তাদের মতামত দেওয়ার অবকাশ নেই। এরপর আসামিরা আর্থিকভাবে লাভবান হতে পরস্পর যোগসাজশে অবৈধভাবে নাইকোর সঙ্গে চুক্তি করেছেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়। আরও অভিযোগ করা হয়- ছাতক, ফেনী ও কামতা গ্যাসক্ষেত্রে তখন ২ হাজার ৮৩৪ বিলিয়ন কিউবিক ফুট (বিসিএফ) গ্যাস মজুদ ছিল। এর মধ্যে উত্তোলনযোগ্য ছিল ১ হাজার ৭৯৪ বিসিএফ গ্যাস, যার আনুমানিক মূল্য ছিল ১৩ হাজার ৬৩৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা। যৌথ সহযোগিতা চুক্তির নামে এই গ্যাসক্ষেত্রগুলো কৌশলে নাইকোর হাতে তুলে রাষ্ট্রের উল্লেখিত অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। জাতীয় স্বার্থের বিপক্ষে বিগত সরকারের এই পদক্ষেপের ধারাবাহিকতা বজায় ছিল পরবর্তী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন জোট সরকার আমলেও। খালেদা জিয়া পূর্ববর্তী সরকারের অনুমোদিত ‘প্রান্তিক এবং পরিত্যক্ত গ্যাসক্ষেত্র উন্নয়ন’ সংক্রান্ত যৌথ সহযোগিতা চুক্তির খসড়া চূড়ান্ত করতে পেট্রোবাংলাকে নির্দেশনা দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করেন। সে মোতাবেক যৌথ সহযোগিতা চুক্তির খসড়া চূড়ান্ত করার পর তা অনুমোদনের জন্য পুনরায় ২০০৩ সালের ৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সার-সংক্ষেপ পাঠানো হয়। কিন্তু কোনোরকম অনুমোদন ও অনুশাসন ছাড়াই তা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ফেরত পাঠানো হয়। এরপর ওই বছরের ৮ অক্টোবর জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন এ-সংক্রান্ত নথিতে নিজ হাতে লেখেন- তার সঙ্গে আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যেহেতু এর আগে বিষয়টি একবার জ্বালানি মন্ত্রণালয় অনুমোদন করেছে, তাই পুনঃ অনুমোদন প্রয়োজন পড়ে না। এরপর ২০০৩ সালের ১৬ অক্টোবর নাইকোর সঙ্গে বাপেঙ্রে যৌথ সহযোগিতা চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। এ চুক্তির শর্ত অনুযায়ী নাইকো ছাতক ও ফেনী গ্যাসক্ষেত্র থেকে নূ্যনতম ১০ হাজার কোটি টাকা মূল্যের গ্যাস উত্তোলনের অবৈধ সুযোগ পায়। বেআইনিভাবে নাইকোর মতো অদক্ষ একটি কোম্পানিকে গ্যাস উত্তোলনের কাজ দেওয়ার কারণে ছাতক গ্যাসক্ষেত্রে বিস্ফোরণ হয়, যার ফলে বিপুল পরিমাণ গ্যাস পুড়ে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি হয়। জানা গেছে, ছাতক গ্যাসক্ষেত্র টেংরাটিলায় অনুসন্ধান কূপ খননের সময় ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি ও ২৪ জুনে দুই দফা বিস্ফোরণ ঘটায় নাইকো। এতে বিপুল পরিমাণ গ্যাস পুড়ে যাওয়াসহ ক্ষেত্রটি বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ক্ষতি হয় গ্যাসক্ষেত্রের আশপাশ এলাকার পরিবেশের। বাংলাদেশে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের এক অনুসন্ধান কমিটি এ বিস্ফোরণের জন্য নাইকোর কারিগরি অদক্ষতাকেই দায়ী করে। দুটি বিস্ফোরণে গ্যাসসম্পদ ও পরিবেশের যে ক্ষতি হয়, তার বিপরীতে ২০০৫ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সরকার নাইকোর কাছে ৭৫০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করে। কিন্তু নাইকো বাংলাদেশের দাবির বিষয়ে কোনো সাড়া দেয়নি। পরে একটি পরিবেশবাদী সংগঠন ঢাকার উচ্চ আদালতে নাইকোর সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের চুক্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ এবং দুর্ঘটনার কারণে ক্ষতিপূরণ দাবিতে নাইকোর বিরুদ্ধে একটি মামলা করে। এ মামলার কারণে আদালত বাংলাদেশ সরকারকে ক্ষতিপূরণ আদায় না হওয়া পর্যন্ত নাইকো কর্তৃক ফেনী গ্যাসক্ষেত্র থেকে সরবরাহ করা গ্যাসের মূল্য পরিশোধ বন্ধ রাখতে নির্দেশনা দেয়। এরপর পেট্রোবাংলা নাইকো কর্তৃক ফেনী গ্যাসক্ষেত্র থেকে উৎপাদিত গ্যাসের দাম বাবদ পাওনা ২০০ কোটি টাকা (সাড়ে ৩ কোটি ডলার) পরিশোধে বিরত থাকে। এরপর নাইকো ফেনী গ্যাসক্ষেত্রের পাওনা দাবি করে হাইকোর্টে মামলা করে। কিন্তু হাইকোর্ট আগের রায় বহাল রাখেন।

শেয়ার করুন