লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে পুলিশের কথিত বন্দুকযুদ্ধে ইউনিয়ন যুবদল কর্মী রনি নিহত হয়েছে বলে দাবী করেছে জেলা যুবদলের সভাপতি রেজাউল করিম লিটন। তবে পুলিশ বলেছে সোলাইমান উদ্দিন জিসান বাহিনীর সন্ত্রাসীদের সাথে পুলিশের গোলাগুলিতে পুলিশের তালিকাভূক্ত সন্ত্রাসী রনি নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে তিন পুলিশ সদস্য। উদ্ধার করার হয়েছে ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল ও ১২ রাউন্ড গুলি। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার রাত ১১টায়। নিহত রনি চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদল কর্মী ও দেত্তপাড়া এলাকার মুকবল আহমদের ছেলে। পুলিশ জানায়, সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ বাজারের লতিফপুর এলাকায় পুলিশের তালিকাভূক্ত সন্ত্রাসী সোলাইমান উদ্দিন জিসান বাহিনীর জিসানকে ধরতে রাতে ওই এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় সন্ত্রাসীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়ে। এসময় পুলিশ প্রায় ২১ রাউন্ড গুলি ছুড়ে। এতে সন্ত্রাসী জিসান বাহিনীর সহযোগি রনি নামে একজন নিহত এবং পুলিশ কনস্টেবল মোহামম্মদ আলী, ইব্রাহিম শেখ ও প্রজেসকান্তি দেব নাথ আহত হয়েছে। আহত তিন পুলিশ সদস্যকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসাপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল ও ১২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত রনির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। অপর দিকে জেলা যুবদলে সভাপতি রেজাউল করিম লিটন জানান, বিকেলে চন্দ্রগঞ্জের কন্টোক্টার ব্রীজ এলাকা থেকে যুবদল কর্মী রনিকে পুলিশ আটক করে। পরে রাতে লতিফপুর এলাকা নিয়ে পুলিশ পায়ে গুলি করে তাকে হত্যা করে। কোন বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেনি। বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজানো হয়েছে। নিহত রনি যুবদল করার কারনে তাকে বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজিয়ে মারা হয়েছে । এঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত করে বিচার দাবী করেছেন তিনি। চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ হুমায়ুন কবির জানান, পুলিশ ও সোলাইমান উদ্দিন জিসান বাহিনীর সন্ত্রাসীদের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে পুলিশের তালিকাভূক্ত সন্ত্রাসী ও জিসান বাহিনীর সহযোগি রনি নিহত হয়েছে এবং তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একিট পিস্তল ও ১২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবী করেছেন তিনি।







