দশ বিমানকর্মী বহিষ্কার : হয়েছে, হয়নি?

0
55
Print Friendly, PDF & Email

স্বর্ণচোরাচালানের সঙ্গে জড়িত বাংলাদেশ বিমানের দশ বিমানকর্মী বহিষ্কার হলেও তা প্রকাশ নিয়ে ধূম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে বিমানে দুইটি গ্রুপের তৈরি হয়েছে। একটি গ্রুপ কোনো ভাবেই দশজনকে বহিষ্কার করতে দেবে না বলে বিভিন্ন হুমকি দিয়ে আসছে। অপর একটি গ্রুপ বহিষ্কারের পক্ষে কথা বললেও তারা প্রকাশ্যে আসছে না। যদিও কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে তাদের বহিষ্কারদেশ চূড়ান্ত করেছে। এখন আনুষ্ঠানিক ঘোষণার বাকি। কিন্তু বিমানের অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চাপে বিমান কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্তহীনতায় রয়েছে। রোববার দশ বিমানকর্মীর বহিষ্কারের বিষয়ে বিমানের প্রধান কার্যালয় উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের একটি বৈঠক হয়। বৈঠকে তাদের বহিষ্কারের বিষয় দুই ধরনের বক্তব্য আসে। এরপর কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই তাদের বৈঠক শেষ হয়। বৈঠকে উপস্থিত এক কর্মকর্তা বহিষ্কারের খবরটি শীর্ষ নিউজকে নিশ্চিত করেছেন। তবে বিমানের দায়িত্বশীল কোনো কর্মকর্তা এ বিষয়ে মুখ খুলতে রাজি হয়নি। বহিষ্কারাদেশ নিয়ে বিমানের কর্মকর্তারা ধূম্রজালের সৃষ্টি করেছে। যে দশ কর্মকর্তার বহিষ্কার নিয়ে ধূম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। তারা হলেন; বাংলাদেশ বিমানের সুইপিং সুপারভাইজার আবু জাফর, এয়ারক্রাফট মেকানিক মাসুদ, সিকিউরিটি অফিসার কামারুল হাসান, ইঞ্জিনিয়ারিং অফিসার সালেহ আহমেদ, মজিবর রহমান, অ্যাসিসট্যান্ট এয়ারক্রাফট মেকানিক আনিস উদ্দিন ভুঁইয়া, প্রকৌশল হ্যাংগারের মেকানিক ওসমান গণি, জুনিয়র ইন্সপেকশন অফিসার শাহাজাহান সিরাজ, রায়হান আলী ও মাকসুদ। প্রসঙ্গত, গত বছরের ২৪ আগস্ট বিমানের কার্গো থেকে ১২৪ কেজির বড় একটি স্বর্ণের চালান আটক করে কাস্টমস। এ ঘটনার পরে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তে ১৪ জনের সংশ্লিষ্টতা পায় তদন্ত দল। এদের মধ্যে এ ১০ জন বিমান কর্মী ছিলেন।

শেয়ার করুন