সাংবাদিকদের সম্মানে জামায়াতের ইফতার

0
50
Print Friendly, PDF & Email

জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর শাখা মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সম্মানে এক ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে। জাতীয় প্রেস কাব মিলনায়তনে জামায়াতের মহানগর নায়েবে আমীর ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মাওলানা আব্দুল হালিমের সভাপতিত্বে এই ইফতার মাহফিলে সিনিয়র সাংবাদিক কলামিষ্ট, বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতাসহ  প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সংবাদিকরা অংশ নেন।
ইফতারপুর্ব আলোচনায় অংশ নেন সাংবাদিক কলামিষ্ট সাদেক খান, মোবায়দুর রহমান, সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি শওকত মাহমুদ ও মহাসচিব এম এ আজিজ, জাতীয় প্রেস কাবের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কবি আব্দুল হাই শিকদার, সাবেক সভাপতি আব্দুল শহীদ,  সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, সাকে সাধারণ সম্পাদক বাকের হোসাইন, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি একে এম  মুহসিন, বিএফইউজের সাংগঠনিক  সম্পাদক শহীদুল, ঢাকা রিপোর্টার্স  ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান প্রমুখ।
উপস্থিত ছিলেন নিউনেশনের সাবেক সম্পাদক মোস্তফা কামাল মজুমদার, বা সাংবাদিক কলামিষ্ট আব্দুল আউয়াল ঠাকুর, আমারদেশের সহকারি সম্পাদক  সঞ্জিব চৌধুরী, কলামিষ্ট নূরুল আমীন, বিএফইউজে’র সিনিয়র সহসভাপতি এম আব্দুল্লাহ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক  সহ সভাপতি মো: খাইয়রুল বাশার, সাধারণ সম্পাদক সরদার ফরিদ আহমেদ, নয়া দিগন্ত’র বার্তা সম্পাদ আযম মীর শহীদুল আহসান,  চিফ রিপোর্টার হারুন জামিল, বাংলাতেদশ ফটো জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনে  সাধারণ সম্পাদক মীর আহাম্মদ মীরু, ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আকু সালেহ আকন প্রমুখ।
জামায়াত নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মহানগর সহকারি সেক্রেটারি মঞ্জুৃরুল ইসলাম ভূঁইয়া,  কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ডা. রেদওয়ান উল্লাহ শাহেদী, মহানগর কর্মপরিষদ সদস্য দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।
আলোচনায় অংশ নিয়ে সাদেক খান বলেন, দেশের আসলে কোনো সরকার নেই,্ আছে সরকারে দাপট।  কারো উপর এই সরকারের কোনো কর্তৃত্ব নেই।  এই সরকারের পতন না হলে দেশের অর্থনেতিক অবস্থা ও স্থিতিশীলতা সংরক্ষন করা যাবেনা।
রুহুল আমিন গাজী বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও ইসলাম রক্ষায়  জামায়াত যে ত্যাগ স্বীকার করেছে ঈদের পর  যে আন্দোলন হতে তাতেও অতীতের মতো  জামায়াত সংগ্রাম  গড়ে তুলবে। তিনি বলেন, বর্তমান ফ্যাসিষ্ট সরকার বিদায় না হলে সাংবাদিকদেরও কোন অস্তিত্ব নেই। ঈদের পর যে আন্দোলনের ডাক দেয়া হবে তাতে আমরা সাংবাদিক সমাজও তাদের পাশে থাকতে চাই।
শওকত মাহমুদ বলেন, আজকের ইফতার ইফতার মাহফিলের মধ্য দিয়ে শপথ নিতে চাই  শেখ হাসিনার পতনের যে আন্দোলন ঈদের পর হবে তাতে আমরা সফল হবো।  যখন  একটি গোষ্টী  জামায়াত মুক্ত দেশ ও  সংসদ, জামায়াত মুক্ত সংস্কৃতি চায় তখন প্রেস কাবের এই ইফতার মাহফিল তাদের বিরুদ্ধে একটি সোচ্চার প্রতিবাদ।
সৈয়দ আবদাল আহমেদ বলেন, ঈদের পর জালিম সরকারকে উৎখাতের মধ্য দিয়ে রমজানের শিক্ষা বাস্তবায়ন করতে হবে।
এম এ আজিজ বলেন, ঈদের পর যে সংগ্রামের ডাক দেয়া হবে আশাকরি জনগনের সাথে সাংবাদিকরাও সক্রিয় হবে।
একে এম মুহসিন বলেন, বিগত গণতান্ত্রিক আন্দোলনে জামায়াত জীবন বাজি রেখে যে ভূমিকা পালন করেছে তার জন্য তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই।  আশাকরি ভবিষ্যতে  অনুরুপ অবদান রাখবে।
বাকের হোসাইন  বলেন,  বর্তমান সরকার রমজানের মধ্যে জুলুম চালিয়ে যাচ্ছে।  ইফতার মাহফিল থেকেও গ্রেফতার করা হচ্ছে।
সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন,  আমরা ঘরে থাকতে পারিনা, রাস্তায় মিছিল করতে পরিনা। তারপরও অতীতে সকল আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে ছিলাম, ভবিষ্যতেও রাজপথে থাকবো।  ঈদের পর যে আন্দোলন তাতেও জীবনবাজি রেখে আমরা অংশ নেব। তিনি বলেন,  জামায়াত নেতা আব্দুল কাদের মোল্লাকে বিচারের নামে হত্যা করা হয়েছে। অন্যান্য নেতাদের অনুরূপ হত্যা করার পায়তারা করছে। জামায়াত নেতাদের মুক্ত করার জন্য জামায়াত এগিয়ে যাবে। গণমানুষের স্বার্থ রক্ষা, গণতন্ত্র রক্ষা ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য সর্বোপরি দেশের মানুষকে মুক্ত করার জন্য ঈদের পর যে কর্মসূচী দেয়া হবে আমরা আবারো  তা বাস্তবায়নে আমর এগিয়ে যাব।

শেয়ার করুন