হজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য রোধে শসা

0
66
Print Friendly, PDF & Email

শসা আমাদের শরীরকে সুম্থ রাখতে বেশ উপকারি। এতে রয়েছে ভিটামিন-সি, ভিটামিন-কে, পটাশিয়াম, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি, থিয়াসিন, ফোলেট, পেনটোথেনিক এসিড, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, কপার এবং ম্যাঙ্গানিজ।রমজানে ইফতারিতে শসা প্রায় কমবেশি সবাই খেয়ে থাকে। সারাদিন না খেয়ে থাকার পর শরীরে যেসব ক্ষেত্রে ঘাটতি দেখা দেয় শসা তা পূরণ করতে সাহায্য করে।

১. পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ফাইবার থাকার কারণে শসা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে থাকে।

২. ফাইবার ও ফ্লুইডসমৃদ্ধ শসা শরীরে ফাইবার এবং পানির পরিমাণ বাড়ায়।

৩. শসায় রয়েছে স্টেরল নামের এক ধরনের উপাদান, যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এ ক্ষেত্রে মনে রাখা প্রয়োজন, শসার খোসায়ও স্টেরল থাকে।

৪. ওবেসিটি নিয়ন্ত্রণে শসা খুব উপকারী।

৫. কিডনি ইউরিনারি ব্লাডার, লিভার ও প্যানক্রিয়াসের সমস্যায় শসা বেশ সাহায্য করে থাকে।

৬. এরেপসিন নামক অ্যানজাইম থাকার কারণে শসা হজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা সমাধান করে থাকে।

৭. শসা বা শসার রস ডায়াবেটিস রোগীর জন্যও বেশ উপকারী।

৮.  শসার রস আলসার, গ্যাস্ট্রাইটিস, অ্যাসিডিটির ক্ষেত্রেও উপকারী।

৯. ত্বকের ক্লান্তি কাটাতে, ত্বক পরিষ্কার রাখতে শসার রস খুবই উপকারী।

১০. মিনারেলসমৃদ্ধ শসা নখ ভালো রাখতে, দাঁত ও মাঢ়ির সমস্যায় সাহায্য করে।

শেয়ার করুন