আ. লীগের মাঠ পর্যায়ের তথ্য চেয়েছেন জয়

0
27
Print Friendly, PDF & Email

আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী ও গতিশীল করতে তথ্য ও প্রযুক্তির ব্যবহার করবেন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে এবং তাঁর তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। এ জন্য দলটির সাংগঠনিক সম্পাদকদের কাছে দলটির মাঠ পর্যায়ের তথ্য চেয়েছেন তিনি।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির সাংগঠনিক, প্রচার ও প্রকাশনা এবং দপ্তর সম্পাদকদের সঙ্গে বৈঠকের পর এসব কথা বলেন জয়।

বক্তব্যের শুরুতে সজীব ওয়াজেদ বলেন, ‘সরকারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ পরিবারকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করতে চাই। তথ্যপ্রযুক্তির সফল ব্যবহারের মাধ্যমে এটা করতে চাই। আমরা ইতিমধ্যে এ নিয়ে কাজ শুরু করেছি। আওয়ামী লীগের সব সদস্যের জন্য ডাটাবেজ করব। যেখানে সদস্যদের নাম, ঠিকানা ও পদবি থাকবে। সদস্যদের নাম-পরিচয় বিচ্ছিন্নভাবে না রেখে, তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে একটি পয়েন্টে রাখা হবে। যাতে প্রয়োজনে সবার সঙ্গে তাত্ক্ষণিক যোগাযোগ করা যায়।’

প্রধানমন্ত্রীতনয় বলেন, ‘সরকার সাড়ে পাঁচ বছর ধরে সুন্দরভাবে দেশ চালিয়ে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে, পাঁচ বছরই থাকবে। দেশকে এগিয়ে নিতে আমাদের অনেক পরিকল্পনা আছে। সবকিছুর বাস্তবায়ন হলে, আগামী ২০২১ সালের মধ্যে দেশ মধ্যম ও ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।’

গতকাল মঙ্গলবার গণভবনে তরুণ সাংসদদের সঙ্গে সজীব ওয়াজেদের বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন, বেশির ভাগ তরুণ সংসদ সদস্য আমার বয়সী। শুধু নির্বাচনী কাজে নয়, তাঁরা আওয়ামী লীগকে কীভাবে সহযোগিতা করতে পারেন—এ বিষয়ে তাঁদের মতামত চেয়েছিলাম। দলকে শক্তিশালী করতে প্রয়োজনে পর্যায়ক্রমে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করব।’

আওয়ামী লীগের সব সাংসদের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট না থাকার বিষয়ে জয় বলেন, ‘দলের মধ্যে যেসব তরুণ ও প্রগতিশীল সংসদ সদস্য আছেন, তাঁদের সবারই ফেসবুকে অ্যাকাউন্ট আছে। অন্য যাঁদের নেই, হয়ে যাবে। আমরা তাঁদের সহযোগিতা করব।’

বৈঠকে শেষে দলটির একজন সাংগঠনিক সম্পাদক প্রথম আলোকে বলেন, ‘জয় আমাদের কাছে জানতে চেয়েছেন, তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে কীভাবে দলকে সহযোগিতা করা যায়। প্রায় সব সাংগঠনিক সম্পাদক বলেছেন, নেতা-কর্মীদের নাম, পদবি ও ঠিকানা দিয়ে একটি একক ডাটাবেজ করা যেতে পারে। ২০২১ সালের মধ্যে শুধু সরকারি অফিসগুলো ডিজিটাল করলে হবে না, আওয়ামী লীগকেও করতে হবে। এ বিষয়ে জয় বলেছেন, সব নেতার নাম একটি পয়েন্টে নিয়ে আসা হবে। এ জন্য মাঠ পর্যায়ের তথ্য দিয়ে আপনারা সহযোগিতা করবেন।’

বৈঠকে দলটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ হোসেন, বীর বাহাদুর, বি এম মোজাম্মেল হক, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মিজবাহ উদ্দিন সিরাজ, আবু সাঈদ আল মাহমুদ, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক আবদুল মান্নান, আবদুস সোবহান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন