আজ হাইভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি নেদারল্যান্ড-মেক্সিকো

0
103
Print Friendly, PDF & Email

আজ রবিবার বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় হাইভোল্টেজ ম্যাচে হল্যান্ডের মুখোমুখি হচ্ছে মেক্সিকো। ফোর্তালেজায় অনুষ্ঠিত হবে নকআউট পর্বের ম্যাচটি। এটি সরাসরি সম্প্রচার করবে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি), গাজী টিভি ও মাছরাঙ্গা টেলিভিশন।

মেক্সিকোর হয়ে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে গোলখরায় থাকা ২৬ বছর বয়সী হার্নান্দেজ মেক্সিকোর হয়ে প্রথম গোলটি করার পর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘গোটা বছরটি আমার জন্য বেশ কঠিন গেছে। যেকোনো কিছুর বিনিময়ে খেলোয়াড়দের দরকার আত্মবিশ্বাস। এ ক্ষেত্রে আমার ঘাটতি ছিল। ফলে গত এক বছরেরও বেশি সময় জুড়ে খুব কম সংখ্যক মানুষ আমার ওপর আস্থা রাখতে পেরেছিল।

‘চিচারিটো’ (ছোট পিয়া) নামে পরিচিত হার্নান্দেজ ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে তৃতীয় গোলটি করার পর তাই আনন্দে কেঁদে ফেলেন। গ্রুপ পর্বে সোমবারের ওই ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-১ গোলে জয়লাভ করে মেক্সিকো। ফলে টানা ষষ্ঠবারের মতো নক আউট পর্বের টিকিট লাভ করে লাতিন আমেরিকার দলটি।

বাছাই পর্বে রীতিমতো সংগ্রাম করা দলটি বিশ্বকাপের চুড়ান্ত পর্বে মাঠে নেমেই মুগ্ধ করেছে সবাইকে।

‘এ’ গ্রুপ থেকে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ক্যামেরুনকে পরাজিত করার পর গোলশূন্য ড্র করে রুখে দিয়েছে স্বাগতিক ব্রাজিলকে। হার্নান্দেজ বলেন, ‘আমাদের খুব শান্ত ও বিনয়ী থাকতে হবে। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ম্যাচ। এখন আমরা যদি ইতিহাস রচনা করতে চাই তাহলে হল্যান্ডকে হারাতে হবে।’

মেক্সিকো যদি ডাচদের হারাতে পারে তাহলে আরেকবার তারা বিশ্বকাপে নিজেদের অতীত সেরা অবস্থানের সমতায় জায়গা করে নিতে পারবে। ১৯৭০ ও ৮৬ সালে নিজেদের মাটিতে আয়োজিত বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল দলটি। সেই অবস্থানে পৌছতে হলে গ্রুপ পর্বে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোল করা দল হল্যান্ডকে হারাতে হবে তাদের। যারা বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন, অস্ট্রেলিয়া ও চিলির জালে গ্রুপ পর্বে ১০টি গোল জড়িয়েছে।

যদিও ডাচ মিডফিল্ডার ওয়েসলি স্নেইডারের স্মৃতিতে এখনো জ্বল জ্বল করছে ২০০৮ সালের ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপ। যেখানে তারা উড়ন্ত সূচনা করার পরও রাশিয়ার কাছে হেরে থেমে যেতে বাধ্য হয়। গ্যালাতাসারের এই প্লে মেকার বলেন, ‘দলের সিনিয়র খেলোয়াড়দের স্মৃতিতে ২০০৮ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের ঘটনা এখনো জ্বল জ্বল করছে। এটি সত্যি যে এখন আমরা খুব রোমাঞ্চকর মুহূর্তে রয়েছি। তবে আমাদের অতি মাত্রার আত্মবিশ্বাস ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।’

ডাচ দলের জন্য সবচেয়ে বড় প্রেরণা হচ্ছে অধিনায়ক ফন পার্সির প্রত্যাবর্তন। যিনি গ্রুপ পর্বের দুই ম্যাচে অংশ নিয়ে তিন গোল করেছেন। নিষেধাজ্ঞার কারণে চিলির বিপক্ষে অনুষ্ঠিত ম্যাচে খেলতে পারেননি তিনি

শেয়ার করুন