নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে অনুষ্ঠিত সংসদীয় উপ-নির্বাচনে কোনো সহিংসতা না ঘটলেও বিপুলসংখ্যক ভোট জালিয়াতির ঘটনা ও ৩০ ভাগ কেন্দ্রে জাল ভোট পড়েছে। এছাড়া কেন্দ্রসমূহে ভোট প্রদানের গড় হার ৪৩.৫ শতাংশ হলেও জাল ভোটের কারণে এই পরিসংখ্যানে ভোট প্রদানের প্রকৃত হারের প্রতিফলন ঘটেনি। এমনটাই দাবি করেছেন ২৭টি বেসরকারি সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মোর্চা ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপ (ইডব্লিউজি)।
শনিবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত নির্বাচন পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে পর্যবেক্ষণের প্রাথমিক প্রতিবেদনটি তুলে ধরেন ইডব্লিউজির পরিচালক ড. মো. আব্দুল আলীম।
এ সময় তিনি আরো বলেন, নারায়ণগঞ্জ-৫ উপ-নির্বাচনে ১৪১টি কেন্দ্রের মধ্যে ৬০টি কেন্দ্রে মোট ৬০ জন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করে। পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে ড. আলীম বলেন, পর্যবেক্ষণকৃত ৬০টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৮টি কেন্দ্রে ভোট জালিয়াতির ঘটনা ঘটে।






