রাজধানীতে নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই চলছে ১০ লাখ যানবাহন ॥ পরিবহন নৈরাজ্য

0
27
Print Friendly, PDF & Email

০ ১৩ হাজার অটোরিক্সার সিলিন্ডারের মেয়াদ শেষ ৪ বছর আগেই, যে কোন সময় বিস্ফোরণে দুর্ঘটনার আশঙ্কা
০ লক্কড়ঝক্কড় যানবাহনের দৌরাত্ম্য কমছে না
০ অবৈধ পার্কিং ও টার্মিনাল
রাজন ভট্টাচার্য ॥ রাজধানীজুড়ে চলছে পরিবহন নৈরাজ্য। নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই চলছে প্রায় ১০ লাখ পরিবহন। প্রায় ১৩ হাজার অটোরিক্সার সিলিন্ডারের মেয়াদ শেষ হয়েছে অন্তত চার বছর আগে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যে কোন সময় সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। যেতে পারে যাত্রী কিংবা চালকের প্রাণ। এর মধ্য দিয়ে ফের অটোরিক্সার লাইফটাইম বৃদ্ধি করা হচ্ছে। পরিবহন চালকদের আইন মানার প্রবণতা নেই বললেই চলে। যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ থাকলেও লক্কড়ঝক্কড় যানবাহনের দৌরাত্ম্য কমছে না। ১ মে থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ বাস চলাচল বন্ধ করার কথা থাকলেও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হয়নি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিবহন নৈরাজ্য বন্ধ করাসহ যানজট নিরসনে স্ট্র্যাটেজিক ট্রান্সপোর্ট প্ল্যান (এসটিপি) বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। আনতে হবে নতুন নতুন পরিবহন। মেয়াদোত্তীর্ণ পরিবহন বন্ধ করারও পরামর্শ অনেকের। সেই সঙ্গে দ্রুত সময়ের মধ্যে অটোরিক্সার সিলিন্ডার পরিবর্তন করারও পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা। নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, পরিবহন চালকদের অনেকের নেই যথাযথ প্রশিক্ষণ। সব বয়সের মানুষ চালক হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। স্টিকার লাগিয়ে গাড়ি চলাচল বন্ধ করতে হবে। অনুমোদনহীন সকল প্রকার যানবাহন চলাচলে কঠোর হওয়ার সময় এখনই। যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে যোগাযোগমন্ত্রীর রাস্তায় নামার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তাঁরা বলেছেন, মন্ত্রীর একার পক্ষে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। যানবাহন চলাচলে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা ও যানজট নিয়ন্ত্রণসহ যোগাযোগ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হলে পুলিশ, বিআরটিএ, চালক, মালিক, শ্রমিকসহ সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালন করতে হবে। পরিবহন সেক্টরে মূল সমস্যা হলো সুশাসন, দক্ষতা ও আন্তরিকতার অভাব।
১০ লাখ পরিবহনের নিয়ন্ত্রণ নেই
রাজধানী ঢাকায় এখন যান্ত্রিক পরিবহনের সংখ্যা প্রায় ১০ লাখ। ঢাকায় রেজিস্ট্রেশনকৃত মোট পরিবহনের সংখ্যা ৭ লাখ ৮০ হাজারের বেশি। এর মধ্যে অটোরিক্সা ৭ হাজার ৯৪৭টি, অটোটেম্পো ১ হাজার ৬৬৪, বাস ২০ হাজার ৪৭৩, কার্গোভ্যান ৪ হাজার ৬৬২, কাভার্ডভ্যান ৯ হাজার ২০৭, ডেলিভারিভ্যান ১৪ হাজার ১১৫, হিউম্যান হলার ৩ হাজার ৫৪৭, জিপ ২৩ হাজার ৫৬৬, মাইক্রোবাস সাড়ে ৫৪ হাজারের বেশি, মিনিবাস প্রায় ১০ হাজার, মোটরসাইকেল প্রায় সাড়ে ৩ লাখ, প্রাইভেট প্যাসেঞ্জারকার প্রায় ২ লাখ, ট্যাক্সিক্যাব ৩৬ হাজারের বেশি, ট্রাকের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৩৭ হাজারসহ রয়েছে অন্যান্য পরিবহন। এগুলোর মধ্যে ব্যাটারিচালিত রিক্সা ২ লাখের বেশি। রিক্সা ও ভ্যানের সঠিক কোন পরিসংখ্যান নেই। এ সব পরিবহন তদারকির জন্য বিআরটিএতে রয়েছে মাত্র দুইজন ম্যাজিস্ট্রেট। অভিযানও নিয়মিত হয় না। যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বাড়তি ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের কথা থাকলেও তা হয়নি। বিআরটিএ কর্মকর্তারা বলছেন, জনবল সঙ্কটের কারণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হয় না।
১৩ হাজার সিলিন্ডারের কী হবে
নিয়মমাফিক মেয়াদ শেষ হওয়ার পর দুই দফা অটোরিক্সার মেয়াদ পরিবর্তন করা হয়েছে। ফের পরিবর্তনের জন্য অটোরিক্সা মালিকরা বার বার চাপ দিচ্ছেন যোগাযোগ মন্ত্রণালয়কে। সম্প্রতি অটোরিক্সার লাইফটাইম বৃদ্ধির দাবিতে পরিবহন ধর্মঘটও পালন করেছে তারা। কিন্তু সিলিন্ডারের মেয়াদ শেষ হলেও তা পরিবর্তনের চিন্তা নেই মালিকসহ চালকদের। অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা জাকির হোসেন বলেন, মালিকরা এ ব্যাপারে উদ্যোগ না নিলে আমাদের করণীয় কিছু নেই। যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত সিলিন্ডার পরিবর্তনের দাবি জানান তিনি। এ ব্যাপারে অটোরিক্সা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফরিদুল আলম খসরু বলেন, সিলিন্ডার পরিবর্তনের বিষয়টি বিবেচনাধীন। এ ব্যাপারে সংগঠনের পক্ষ থেকে মালিকদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
অবৈধ পার্কিং নিয়ে ভাবনা জরুরী
ঢাকার বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত মতিঝিল। এখানে রাস্তার দুই পাশে পার্কিং আর পার্কিং। সব এলাকার চিত্র ঠিক একই রকমের। যেখানেই চোখ যাবে পার্কিংয়ের সমারোহ। আরামবাগ থেকে মতিঝিলে আসার রাস্তার দুই পাশে ভোর থেকেই প্রাইভেটকার আর বাস পার্কিং করে রাখা হয়। কাকরাইল, মালিবাগ, কমলাপুর, নয়াপল্টন, গুলিস্তান, মৌচাক, রামপুরা, গুলশান-১ ও ২, ধানম-ি, মিরপুর, কলাবাগান, জিগাতলা, আসাদগেট, মোহাম্মদপুর, গাবতলী, বনানী, মহাখালীসহ নগরীর প্রায় প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় অবৈধ পার্কিংয়ের চিত্র লক্ষ্য করা যায়। বিপণিবিতান ও মার্কেটগুলোর সামনে যেখানে সেখানে পার্কিং করা হচ্ছে। এ কারণেও বাড়ছে যানজটের মাত্রা। পুলিশ বলছে, যানজটের অন্যতম অন্তরায় অবৈধ পার্কিং। ঢাকায় বাড়ি বা মার্কেট বা অফিস নির্মাণ করতে হলে নিজস্ব পার্কিং সুবিধা রাখা বাধ্যতামূলক হলেও আইন না মানার সংখ্যাই বেশি। পুলিশ বলছে, যানজটের অন্যতম অন্তরায় যত্রতত্র পার্কিং। তাই যে কোন মূল্যে অবৈধ পার্কিং বন্ধ করতে হবে। এ ছাড়া রাজধানীতে রাস্তা অনুপাতে কী পরিমাণ গাড়ি অনুমোদন দেয়া যাবেÑ এ ব্যাপারে সরকারের কোন পরিকল্পনা নেই। গাড়ি নামালেই মিলছে অনুমোদন। চালানো যাচ্ছে নিজের ইচ্ছেমতো। পরিবহন চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হলে অবৈধ পার্কিং বন্ধের বিকল্প নেই।
আইনের উর্ধে প্রায় সোয়া তিন লাখ মোটরসাইকেল
মহানগরীতে মোটরসাইকেল চালকরা যে কতটা বেপরোয়া, তা চোখে না দেখলে বোঝার কোন উপায় নেই। বলতে গেলে আতঙ্কের নাম মোটরসাইকেল। বিচিত্র শহরে এ পরিবহনটি লাটভাই হিসেবে পরিচিত। পরিবহন যাঁরা চালান, তাঁদের বেশিরভাগই আইনের ধরাছোঁয়ার বাইরে। তাঁরা আইনের বা নিয়মের কোন তোয়াক্কাও করেন না। উচ্চ আদালতের রায় অমান্য করে ফুটপাথ দিয়ে দিব্যি চলছে মোটরবাইক। উল্টো পথে চলছে। অলি-গলি থেকে শুরু করে ভিআইপি সড়কেও মোটরসাইকেল আছে। মানুষের গায়ে তুলে দেয়া, দফায় দফায় দুর্ঘটনা নিয়মিতই ঘটছে। বেপরোয়া চলাচল, সবকিছু ছাড়িয়ে সবার আগে যাওয়ার প্রতিযোগিতা তো আছেই। একটু ফাঁক পেলেই চোখের সামনে মোটরসাইকেল। ফলে বাড়ে যানজট। পরিবহন চলাচলের স্বাভাবিক গতি নষ্ট হয়। সবচেয়ে মজার বিষয় হলোÑ পুলিশ, সাংবাদিক, আইনজীবীসহ যাদের আইন মেনে চলার কথা এমন পেশার লোকজনকেই সবচেয়ে বেশি আইন ভঙ্গ করে মোটরসাইকেল চালাতে দেখা যায়।
স্টিকার লাগিয়ে নৈরাজ্য
ডাক্তার, আইনজীবী, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী, পুলিশ, …জরুরী রফতানি কাজে নিয়োজিত, …মন্ত্রণালয়ের কাজে নিয়োজিত, এগুলো ছাড়াও বিচিত্র রকমের স্টিকার লাগানো দেখা যায় রাজধানীতে চলা বিভিন্ন যানবাহনে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিআরটিএ কর্তাব্যক্তিরা বলছেন, স্টিকারওয়ালা বেশিরভাগ পরিবহনের নেই সঠিক কাগজপত্র। অবৈধ পরিবহনগুলো বৈধভাবে যেন চলতে পারে- এ জন্য প্রতীকী অর্থে এ সব স্টিকার লাগানো হয়ে থাকে। উদ্দেশ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দেয়া। বিআরটিএ কর্মকর্তারা বলছেন, সরকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভাড়ায়চালিত পরিবহনগুলোও সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগিয়ে রাস্তায় ঘুরে বেড়ায়। প্রাইভেট অটোরিক্সার নামে চলছে অনিয়ম। সব মিলিয়ে নগরীতে চলা অবৈধ পরিবহনের দৌরাত্ম্য বন্ধ করা গেলে যানজট অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণে আসবে।
এসটিপির সুপারিশ বাস্তবায়নের পরামর্শ
রাজধানীর যানজট নিরসনে নেয়া হয়েছে স্ট্র্যাটেজিক ট্রান্সপোর্ট প্ল্যান (এসটিপি), যা মাস্টার প্ল্যান হিসেবেও পরিচিত। এই পরিকল্পনায় কোন্ কোন্ প্রকল্প অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করতে হবে- তা উল্লেখ রয়েছে। মোট কথা হলো- বিশদ এ পরিকল্পনায় সমস্যা যেমন চিহ্নিত করা হয়েছে, তেমনি সমাধানের কথাও বলা হয়েছে। তাই এসটিপির গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়ার পরামর্শ দিয়ে বিশিষ্ট নগর পরিকল্পনাবিদ মোঃ নজরুল ইসলাম জনকণ্ঠকে বলেন, যানজট নিরসন করতে হলে সবার আগে মন্ত্রণালয়, বিআরটিএ, পুলিশ, যাত্রী, চালক, মালিক-শ্রমিক থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে।
তিনি বলেন, যানজট নিরসনে সবার আগে প্রয়োজন গণপরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করা। বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট অর্থাৎ বাস চলাচলের জন্য পৃথক লেনের ব্যবস্থা করা। মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ, ফুটপাথ দখলমুক্ত রাখা, ট্রাফিক ব্যবস্থা উন্নত করাসহ বহু সুপারিশ রয়েছে। দ্রুত এ সব সুপারিশ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে। সুপারিশের কোথাও অসঙ্গতি থাকলে কিছু সংযোজন বিয়োজন করা যেতে পারে। কিন্তু নতুন কিছু যোগ করার প্রয়োজন নেই। বিশিষ্ট এই নগর বিশেষজ্ঞের মতে, এসটিপি বাস্তবায়ন করা হলেই কেবল রাজধানীকে যানজটের কবল থেকে মুক্ত করা সম্ভব।
অনুমোদনহীন পরিবহনের কী হবে
প্রায় দুই বছর আগে সরকারের পক্ষ থেকে ব্যাটারিচালিত রিক্সা আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু প্রকাশ্যেই আমদানি হচ্ছে এ পরিবহন। রাজধানীতে চলাচলের জন্য সিটি কর্পোরেশন কিংবা বিআরটিএর পক্ষ থেকে এ পরিবহনটিকে অনুমোদন দেয়া না হলেও এমন কোন অলি-গলি পাওয়া যাবে না যেখানে ব্যাটারিচালিত বাইক নেই। বিভিন্ন জরিপ বলছে, বর্তমানে রাজধানীতে দুই লাখের বেশি চলছে অনুমোদনহীন এ পরিবহন। এ ছাড়া আরও দুই লাখের বেশি রয়েছে অন্যান্য পরিবহন। চলতি বছরের মে মাস থেকে লক্কড়ঝক্কড় সকল বাস বন্ধের নোটিস দিয়েছিল যোগাযোগ মন্ত্রণালয়। মালিক সমিতির চাপে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না। মেরামত করা হয়নি ভাঙ্গাচোরা পরিবহনও।
যেখানে সেখানে টার্মিনাল
একটা উন্নত শহরে এটা কল্পনা করা যায় না, যেখানে সেখানে পরিবহন টার্মিনাল গড়ে উঠবে। কিন্তু রাজধানী ঢাকায় তা সম্ভব; হচ্ছেও নিয়মিত। ঠিক সচিবালয়ের পাশেই গুলিস্তান। এই এলাকার ফুলবাড়িয়ায় একটি বৈধ টার্মিনাল থাকলেও অবৈধ পরিবহন টার্মিনালের সংখ্যা ২০টিরও বেশি! আশ্চর্য হওয়া স্বাভাবিক। তবে বাস্তবতা তাই। হানিফ ফ্লাইওভারের যে লুপটি গুলিস্তানে এসে নেমেছে, ঠিক সেখানেই রয়েছে একটি অনুমোদনহীন বাস টার্মিনাল। এ কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফ্লাইওভারে যানজটে আটকে থাকে পরিবহন। দুর্ভোগ চরমে উঠে। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে এ ব্যাপারে যোগাযোগমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেছিলেন, মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের সঙ্গে কথা বলে টার্মিনালটি উচ্ছেদ করবেন; তা সম্ভব হয়নি। সব কিছু ঠিকঠাক আছে। মালিবাগ মোড় থেকে বাসাবো-মুগদা যাচ্ছে শতাধিক হিউম্যান হলার। তাই এই পয়েন্টে আছে একটি অনুমোদনহীন টার্মিনাল। ফার্মগেটের সিনেমা হলের সামনে থেকে অনুমোদন ছাড়াই বিভিন্ন রুটে চলছে হিউম্যান হলার। মহাখালী কাঁচাবাজার থেকে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে শত-শত ম্যাক্সি, হিউম্যান হলার যাচ্ছে। তেমনি গাবতলী বাস টার্মিনালের সামনেও একই চিত্র। ফার্মগেট থেকে কচুক্ষেত-ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় চলছে শতাধিক হিউম্যান হলার। নগরীর ব্যস্ততম সড়ক খিলগাঁওয়ে রাস্তার দুই পাশে কয়েক শ’ ব্যাটারিচালিত রিক্সা চলাচল করে। এ কারণে এখানে যানজট লেগে থাকে দিনভর। এই পয়েন্টে রাস্তার চারপাশেই একই চিত্র লক্ষ্য করা যায়। মোট কথা হলোÑ নগরজুড়েই আছে অবৈধ টার্মিনাল আর পার্কিং।

শেয়ার করুন