ফের বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে উত্তেজনা, গুলি-মর্টার সেল নিক্ষেপ

0
36
Print Friendly, PDF & Email

কক্সবাজারের নাইক্ষ্যংছড়ির দোছড়ি সীমান্তের পর এবার আশারতলী সীমান্ত উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। গত কয়েকদিন এ সীমান্তে উত্তেজনা শুরু হলেও মঙ্গলবার রাতে তা আরো ব্যাপক আকার ধারণ করে।

সীমান্তের ওপারে গুলি ও মর্টারের বিকট শব্দে আতঙ্কিকত হয়ে ওঠে নাইক্ষ্যংছড়ির জামছড়ি, প্রধানঝিরি ও আশারতলী সীমান্তে বসবাসরত জনসাধারণ।

মঙ্গলবার রাত পৌনে ৯টার দিকে বাংলাদেশ-মিয়ানমারের ৪৫নং সীমান্ত পিলারের ওপারে মর্টারের শব্দের পর ব্যাপক গুলি বর্ষণ শুরু হয়।

সীমান্তের জামছড়ি এলাকার বাসিন্দা আফতাব মিয়া, জয়নাল, ইকবাল, লোকমান হাকিম, মঞ্জুর আলম জানান, রাতে হঠাৎ করে পর পর দশটি বিকট শব্দ শুনে তারা ঘর থেকে বের হয়ে পাশবর্তী একটি বাড়িতে এসে জড়ো হয়। এর কিছুক্ষণ পর অন্তত ৫০ রাউন্ডের মতো গুলির শুব্দ শোনা যায়।

সীমান্তে দায়িত্বরত বিজিবির এক কর্মকর্তা গুলির শব্দের কথা স্বীকার করে রাতে বিজিবি সদস্যদের সর্তক অবস্থানে থাকার নির্দেশনা রয়েছে বলে জানান।

এসময় সীমান্তে বসবাসরত জনসাধারণ মানুষ আতঙ্কে ঘর থেকে বের হয়ে পড়ে। এ ব্যাপারে ৩১ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল শফিকুর রহমানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে সীমান্তে বিজিবি সর্তক আছে জানিয়ে বিষয়টি তিনি খবর নিয়ে দেখছেন বলে জানান।

জানা গেছে, গত তিন দিন ধরে মিয়ানমারের ওয়ালিদ, সালিদং, পুরান মাইজ্যা, আমতলা, সিকদারপাড়া, মিয়াজিপাড়া ও পার্শ্ববর্তী ফকিরা বাজার সীমান্তে মোতায়েন করা সৈন্যদের বিভিন্ন কাজের জন্য রোহিঙ্গা নাগরিকদের ধরে নিয়ে যাচ্ছে বিজিপি। এ সময় অনেক রোহিঙ্গাদের ব্যাপক নির্যাতনের মাধ্যমে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশে বাধ্য করাচ্ছে তারা। তবে গত ২৮ মে‘র পর থেকে বাংলাদেশ সীমান্তে অতিরিক্ত সৈন্য মোতায়েন থাকায় এখনো কোনো সীমান্তে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করতে পারেনি।

স্থানীয়দের ধারণা, বাংলাদেশ সীমান্তে মোতায়েন করা বিজিবির ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার মানসে মিয়ানমার সীমান্ত রক্ষীরা সেদেশে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের নির্যাতন শুরু করেছে।

শেয়ার করুন