নূর হোসেনের সাম্রাজ্য এখন দুইজনের নিয়ন্ত্রণে

0
150
Print Friendly, PDF & Email

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র ও কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম এবং আইনজীবী চন্দন সরকারসহ ৭ হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের একের পর এক তথ্য বেরিয়ে আসছে। পূর্ব বিরোধের জের ধরে কাউন্সিলর নজরুলকে নূর হোসেন ২০০০ সাল থেকে ৫ দফা হত্যার জন্য হামলা চালালেও সফল হননি। এই বিরোধকে কাজে লাগান সিদ্ধিরগঞ্জের দুই প্রভাবশালী নেতা। তারা নূর হোসেনকে দিয়ে নজরুলকে সরিয়ে দেয়ার ফন্দি করেন। নজরুল মরে গেলে নূর হোসেনও ফেঁসে যাবেন, তারপর এলাকার রাজা বনে যাবেন তারা। এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে নজরুলকে হত্যার প্রাথমিক পরিকল্পনা করে তারা এ নিয়ে নূর হোসেনের সঙ্গে বৈঠক করেন। পরে এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হয় নানা পক্ষ।

নিহত সাত জনের পরিবার, মামলার বাদী সেলিনা ইসলাম ও নজরুলের শ্বশুর শহীদ চেয়ারম্যান এসব তথ্য জানান। তারা বলেন, নজরুল নিহত হবার পর ও নূর হোসেন পালিয়ে যাওয়ায় ওই দুই নেতাই এখন এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে।

নূর হোসেন সিদ্ধিরগঞ্জসহ আদমজী ইপিজেড, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, বিদ্যুত্ উন্নয়ন বোর্ডর ঠিকাদারী, চুন কারখানা, ইটভাটা, পরিবহনের চাঁদা আদায়, মাদক ব্যবসা ও অস্ত্র বেচাকেনাসহ অপরাধ সাম্রাজ্যে একক আধিপত্য বিস্তার করে আসছিল। স্থানীয় দলীয় কিছু নেতাকে নূর হোসেনের বাসায় গিয়ে নিয়মিত চাঁদার ভাগের জন্য বসে থাকতে হতো। এদের মধ্যে ওই দুই প্রভাবশালী নেতা ট্রাক চালকের হেলপার থেকে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে যাওয়ায় নূর হোসেনের ওপর ক্ষুব্ধ ছিল। তাই তারা নজরুল-নূর হোসেন দ্বন্দ্ব কাজে লাগান। নূর হোসেনও মনে করত নজরুল ব্যতীত সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় তাকে কেউ কিছু করতে পারবে না।

শেয়ার করুন