বার্ধক্যকে হারিয়ে ৯০ বছর বয়সে স্কুলে ভর্তি !

0
105
Print Friendly, PDF & Email

প্রত্যয়ের কাছে পরাজয় মানে যে কোনো বাধা। বার্ধক্য তাই হার মেনেছে আওয়াদ রাজা আল রানজির শিক্ষা অর্জন সংকল্পের কাছে। ৯০ বছর বয়সী এ সৌদি নাগরিক অক্ষর চিনতে ভর্তি হয়েছেন বয়স্ক শিক্ষা কেন্দ্রে। -খবর আল অ্যারাবিয়া নিউজ

সৌদি কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি সাক্ষরতা অভিযান শুরু করেছে। তুলনামূলক অনগ্রসর তাবুকে শিক্ষার হার ও সুযোগ দুটোই সৌদি আরবের অন্যান্য প্রদেশের চেয়ে কম। তাবুকের তাইমা এলাকার আল জাহরা সেন্টারে ভর্তি হয়েছেন আল রানজি। জীবনে প্রথম শিক্ষার স্বাদ পেয়ে মোহিত এ বৃদ্ধ যেভাবেই হোক পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার পণ করেছেন। আল রানজির ভাষায়, ‘সাম্প্রতিক গাড়ি দুর্ঘটনার কারণে পায়ে ভীষণ ব্যথা সত্ত্বেও আমি শিক্ষাজীবন শেষ করতে সংকল্পবদ্ধ।’ জীবনের যাত্রা শেষে শিক্ষার পথে চলা শুরু করে আল রানজির মতো মানুষরাই কনিষ্ঠদের শুভবোধ জাগ্রত করেন। ঠিক যেমন করেছিলেন কিমানি মারুগে। কেনিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় এলডোরেট শহরের এ অধিবাসী ৮৮ বছর বয়সে স্কুলে ভর্তি হন। পঞ্চাশের দশকে স্বাধীনতার জন্য অস্ত্র হাতে নেয়া কিমানি মারুগে চেয়েছিলেন শিক্ষার মাধ্যমে সত্যিকার মুক্তির স্বাদ নিতে। স্কুলে এসে স্বপ্ন দেখেছেন চিকিত্সক হওয়ার। মারুগের স্বপ্ন সঞ্চারিত হয়েছে অন্যদের মনে, জীবনে। গণিত শিক্ষক জুলিয়া ওয়ানিওকের জবানিতে, ‘মারুগের উপস্থিতি আমাদের নিজের দিকে তাকাতে শেখায়’।

জুলিয়া বলেন, ‘যা শিখেছি, যথেষ্ট নয়। সামনে এগুতে হলে আরো জানতে হবে।’ সবচেয়ে বেশি বয়সে আনুষ্ঠানিক স্কুলে ভর্তি হওয়া মারুগের জীবন কাহিনী নিয়ে নির্মিত হয় ‘দ্য ফার্স্ট গ্রেডার’ নামে এক অনবদ্য চলচ্চিত্র।

শেয়ার করুন