খাদ্য মজুদ বাড়াতে সংরক্ষণাগার হবে: খাদ্যমন্ত্রী

0
120
Print Friendly, PDF & Email

দেশের আপদকালীন সময়ের জন্য খাদ্যের যথেষ্ট মজুদ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ৫ দশমিক ৩৬ লাখ মেট্রিকটন ধারনক্ষমতার আধুনিক সুবিধা সংবলিত ৮টি খাদ্য সংরক্ষণাগার তৈরি করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম।

রবিবার সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আধুনিক খাদ্য সংরক্ষণ প্রকল্পের (এমএফএসপি) ওপর খাদ্য অধিদপ্তর আয়োজিত এক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

বিশ্বব্যাংকের ইন্টারন্যশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ) এবং বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ রেজিলেন্স ফান্ড (বিসিসিআরএফ) এই খাদ্য সংরক্ষণ প্রকল্পগুলোতে অর্থায়ন করবে।

সবার জন্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত ও নিরাপদ খাদ্যের ব্যবস্থা করা সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার নির্বিঘ্নে সেই কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ৮ টি আধুনিক খাদ্য গুদাম নির্মাণ করা হবে।

তিনি বলেন, ২০০৯ সালে বাংলাদেশের খাদ্য সংরক্ষণের ক্ষমতা ছিল ১৪ লাখ মেট্রিকটন। বর্তমানে তা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ মেট্রিকটনে।

কামরুল ইসলাম বলেন, এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে খাদ্য মজুদের ক্ষমতা আরও ৫ লাখ ৩৬ হাজার মেট্রিকটন বাড়বে। ২০২১ সালের মাঝে খাদ্য মজুদ ৩০ লাখ মেট্রিকটনে নেয়ার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সামাজিক নিরাপত্তা বলয় তুলতে যে পদক্ষেপ নিয়েছে পূর্ববর্তী কোনো সরকার তা করতে পারেনি বলেও মন্তব্য করেন খাদ্যমন্ত্রী। খাদ্য নিরাপত্তা আইন দ্রুত বাস্তবায়ন করারও আশ্বাস দেন তিনি।

বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর ক্রিস্টিন কিমস বলেন, দুর্য়োগের সময় বাংলাদেশে যেন খাদ্য সংকট তৈরি না হয় সে লক্ষ্যেই এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বিশেষত জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সম্ভাব্য খাদ্য ঝুঁকি থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করতে বিশ্বব্যাংক এই আধুনিক খাদ্য সংরক্ষণ প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে।

এই কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, খাদ্য মন্ত্রনালয়ের সচিব মুশফেকা ইকফাত, অতিরিক্ত সচিব আবদুল আউয়াল হাওলাদার, মহাপরিচালক আহমেদ হোসেন খান প্রমুখ।

শেয়ার করুন