উখিয়া উপজেলার রতœাপালং ইউনিয়নের পালং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই ছাত্রীর অশীল ভিডিও ফুটেজ ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনা নিয়ে এলাকায় তোলপাড় চলছৈ। সচেতনমহল লম্পট ভিডিও ধারণকারী যুবকদেরকে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির জন্য ¯’ানীয় প্রসাশনের নিকট জোর দাবী জানিয়েছেন।
জানা গেছে,সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কোটবাজার মেইল নামক একটি আইডি থেকে দু,ছাত্রীর নগ্ন ভিডিওটি আপলোড করা হয়। গত ৪/৫ দিন যাবত অসংখ্য যুবকের মোবাইলে উক্ত ভিডিও ফুটেজ লোড এবং ডাউনলোডের হিড়িক পড়ে। ভিডিওটির জন্য লাইন পড়ে যায় ডাউনলোডের দোকানগুলোতে। এক পর্যায়ে ঘটনাটি সর্বত্র জানাজানি হলে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। শুধু তাই নয় গত ৩০এপ্রিল সন্ধ্যায় ইন্টারনেটে নগ্ন ভিডিও আপলোডকারী লম্পট রাশেলকে জনগণ ধৃত করে উত্তম মধ্যম দিয়ে উখিয়া থানায় নিয়ে আসার পথে তার সাঙ্গা-পাঙ্গরা তাকে জনতার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
পালং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী রাজাপালং ইউনিয়নের উত্তর পুকুরিয়া গ্রামের জনৈক দুই ব্যক্তির দু’কন্যা (নাম প্রকাশ করা গেল না) এ প্রতিনিধিকে জানান, মোবাইলের পরিচয় সূত্র ধরে জালিয়াপালং ইউনিয়নের ডেইলপাড়া গ্রামের বেলাল আহমদের পুত্র রাশেল (২২) ও মিজানুর হাসান রাকিব তাদেরকে প্রেমের প্র¯–াব দেয়। দীর্ঘদিন কথা বলার পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। গত ১৪ ফেব্্রয়ারী বিশ্ব ভালবাসা দিবস উপলক্ষ্যে তারা কক্সবাজার বেড়াতে গেলে প্রেমিক রাশেল ও রাকিব তাদেরকে কক্সবাজারে একটি আবাসিক হোটেলে পৃথক দু’টি রুমে নিয়ে যায়। সেখানে যুবকদ্বয় বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নগ্ন বেশ কিছু ভিডিও মোবাইলে ধারণ করে। পরে আবারো তারা আমাদের পুনরায় কক্সবাজার যাওয়ার প্র¯–াব দিলে আমি না যাওয়ায় লম্পট রাশেল আমার ছবি ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। পরে দেখা যায় ওই সব ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আমি লম্পট রাশেল ও রাকিবের বিচার চাই।
যারা আমাদের জীবন শুরু হওয়ার আগেই শেষ করে দিল। সেই থেকে উক্ত ছাত্রীরা লোকলজ্জার ভয়ে স্কুলে আসা বন্ধ করে দিলেও প্রসাশনের কোন সহায়তা পায়নি। উল্টো এ ঘটনায় এক স্কুল ছাত্রীর পিতা গত ৩০ এপ্রিল উখিয়া থানায় মেয়েকে নিয়ে শরণাপন্ন হলে ডিউটি অফিসার এসআই শ্যামল কাšি– দাশ তাদেরকে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেয়। এ নিয়ে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হলেও প্রসাশন রয়েছে নিরব ভূমিকায়। এ ব্যাপারে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) সিরাজুল ইসলামের সাথে যোগযোগ করা হলে তিনি এ ব্যাপারে কোন লিখিত অভিযোগ পাননি বলে জানান। তবে অভিযোগ পেলে ব্যব¯’া নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।








