এবার আইপিএলে প্রীতি জিনতার মিষ্টি হাসিটা কেউ কেড়ে নিতে পারবে না!

0
88
Print Friendly, PDF & Email

মরুর দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতে আইপিএলের প্রথম পর্বে পাঞ্জাবের বিস্ময়কর সাফল্যের মূল রহস্য—’থ্রি এম’—ম্যাক্সওয়েল, মিলার ও মিচেল। নিয়ম করে জ্বলে উঠছেন তারা তিনজনই। ব্যাটিং আর বোলিং দুটো ক্ষেত্রেই দাপট এ তিনজনের। ফলে জিতেই চলেছে পাঞ্জাব। সে হোক প্রথমে ব্যাটিং কিংবা পরে। হোক স্কোর বড় কিংবা ছোট। গত কয়েক ম্যাচে পাঞ্জাবের সাফল্যের পেছনে আরও কিছু অনুঘটক কাজ করেছে। নিলামে খেলোয়াড় বাছাইয়ে বুদ্ধির পরিচয় দিয়েছে এই দলের ম্যানেজমেন্ট। নিলামে মাত্র দুজন খেলোয়াড়কে ধরে রেখেছে তারা। এতে করে অন্য খেলোয়াড় কিনতে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করার সুযোগ পেয়েছে। কোচ সঞ্জয় বাঙ্গারের ভূমিকাও বিরাট। এ ছাড়া নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য জর্জ বেইলিকে বেছে নেওয়াটাও এক বুদ্ধিদীপ্ত সিদ্ধান্ত। ম্যাক্সওয়েলের কথা আলাদাভাবে বলতেই হবে। মরুদেশে কী ঝড়টাই না তুলেছেন অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান! ম্যাক্সির সুইচ হিট তো রীতিমতো মুগ্ধতা জাগানিয়া! পাঁচ ম্যাচে ৩০০ করে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় তাঁর অবস্থান শীর্ষে। পাঞ্জাবের বোলাররাও ভালো পারফর্ম করছেন প্রতি ম্যাচেই। জনসন, বালাজি, সন্দীপের বোলিং আক্রমণ প্রশংসাযোগ্য।
প্রশ্ন হলো, ২০১৩ এর আইপিএল বিজয়ী মুম্বাইয়ের অবস্থা কেন শোচনীয়? কেউ বলছেন, দলটির ‘অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্টের দশা’ হয়েছে! রোহিত শর্মার দলের প্রধান কোচ জন রাইট। টিম ম্যানেজার অনিল কুম্বলে। ফিল্ডিং কোচ জন্টি রোডস, সহকারী কোচ রবিন সিংহ। বিশেষ পরামর্শদাতা রিকি পন্টিং। সর্বোপরি দলের ‘ছায়া’ হয়ে আছেন শচীন টেন্ডুলকার। এত বড় বড় নাম যে দলের সঙ্গে, তাদের কেন পাঁচ ম্যাচে পাঁচ হার? যেহেতু টুর্নামেন্ট এখনো চলছে। ফলে এর উত্তর এখনই পাওয়া মুশকিল। তবে এ অবস্থায় মুম্বাইয়ের শিরোপা ধরে রাখার আশা করা কঠিনই বটে। বরং এ আশা পাঞ্জাবের ক্ষেত্রেই করা যেতে পারে। আরব আমিরাতের গতিটা যদি ভারতের মাটিতেও ধরে রাখতে পারে, এবার আইপিএলে প্রীতি জিনতার মিষ্টি হাসিটা কেউ কেড়ে নিতে পারবে না!

শেয়ার করুন