গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন নিয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন গ্রামীণ ব্যাংকের নারী সদস্যরা। তাঁরা দাবি করেছেন, গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন স্বচ্ছতার সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়।
গত সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো প্রতিবাদপত্রে এ কথা বলা হয়েছে। পর্ষদের নয়জন নারী সদস্যের পক্ষে তাহসিনা খাতুন প্রতিবাদপত্রে স্বাক্ষর করেন। এ ছাড়া পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনে নতুন বিধিমালা প্রণয়নে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তাঁরা।
প্রতিবাদপত্রে বলা হয়েছে, ‘সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের কাছে মন্তব্য করেন যে গ্রামীণ ব্যাংকে পরিচালক নিয়োগপ্রক্রিয়া স্বচ্ছ নয়। ড. ইউনূস নিজেই পরিচালক নির্বাচন করেন। এই বক্তব্যে আমরা অত্যন্ত অবাক হয়েছি। ড. ইউনূস ৮৫ লাখ ঋণগ্রহীতার মধ্যে তাঁর পছন্দের লোক খুঁজতে যাবেনই বা কেন? গ্রামীণ ব্যাংকের সবাই তো তাঁর পছন্দের লোক। এখানে অপছন্দের কোনো প্রশ্ন তো কোনোকালে ওঠেনি।’
পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনের নতুন বিধিমালা সম্পর্কে বলা হয়েছে, এই বিধিমালার মাধ্যমে সরকার উপজেলা নির্বাচনের আদলে একটা নির্বাচন করার সুযোগ সৃষ্টি করে নিল।
প্রতিবাদপত্রে আরও বলা হয়েছে, কোনো সন্দেহ নেই এই নির্বাচন রাজনৈতিক রূপ নেবে। নির্বাচনপ্রক্রিয়ায় দলাদলি, হানাহানি, টাকার খেলা ঢুকে পড়বে। বিশৃঙ্খলার প্রভাব পড়বে ঋণদান ও আদায়ের ওপর। ব্যাংকের অস্তিত্বই বিপন্ন হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন গ্রামীণ ব্যাংকের বোর্ড সদস্যরা।







