আম কাঁচা বা পাকা যেভাবেই খাওয়া হোক তা উপকারী।
এক. কাঁচা আম ও লবণমাখা ভর্তা, কিংবা কাঁচা আমের জুস গ্রীষ্মকালে শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি ও লবণ হারানো থেকে রক্ষা করে, ত্বক অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়া বা হিট স্ট্রোক থেকেও বাঁচায়।
দুই. প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও অন্যান্য অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আছে কাঁচা আমে, যা অন্ত্রে লৌহ শোষণে সাহায্য করে, রক্তনালির নমনীয়তা রক্ষা করে এবং রক্তক্ষরণ বন্ধ করতেও সাহায্য করে। শুকনো কাঁচা আম বা আমচুর স্কার্ভি রোগ সারাতে উপকারী।
তিন. বেশ আঁশ থাকায় এটি পরিপাকনালির সুস্থতার জন্য উপকারী। কোষ্ঠকাঠিন্য, বদহজম, পাইলস বা অম্লতায় কাঁচা আম ভালো সুফল বয়ে আনে। অম্লতা কমায় বলে গর্ভবতী নারীদের মর্নিং সিকনেস কমাতে সাহায্য করে একটুখানি আম ভর্তা।
চার. পিত্তরস তৈরিতে সাহায্য করে কাঁচা আম, তাই হজমশক্তি বাড়ায়। এ ছাড়া ক্যারোটিন থাকায় দৃষ্টিশক্তিও ভালো রাখে।
নিউট্রিশন অ্যান্ড ইউ।






