সোলারে ১০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ উত্পাদন সম্ভব : সাব

0
221
Print Friendly, PDF & Email

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে বাসভবন, কল-কারখানা, অফিস-আদালতের ছাদে সোলার স্থাপন করলে প্রায় এক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুত্ উত্পাদন সম্ভব বলে মনে করছে সোলার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (সাব)।
শনিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে সোলার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ(সাব) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এ দাবি করা হয়।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, বর্তমানে সৌর থেকে প্রায় ৩শ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ উিত্পাদন করা হচ্ছে। এর ফলে সারা দেশে প্রায় ৩ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে।
সোলার ব্যবসায়ীদেরকে সহজ শর্তে ঋণ ও গ্রীন ব্যাংকিংয়ের আওতায় আনা হলে এই শিল্পকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব জানিয়ে সংগঠনের কর্মকর্তারা বলেন, সোলার স্থাপনকারীদের জন্য মোট ব্যয়ের অন্তত ৩০ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া দরকার।
সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও সাব-এর উপদেষ্টা সাইফুল হক বলেন, কখনও যদি চীন বা ইন্ডিয়া থেকে আমদানিকৃত বিদ্যুত্ বন্ধ হয়ে যায় তখন এই প্রাকৃতিক শক্তি সূর্যকে আমাদের কাজে লাগাতে হবে।
তিনি বলেন, রাস্তার পাশে ল্যাম্পপোস্টে যেসব প্যানেল বসানো হয়েছে সেখানে সঠিক পরিকল্পনার অভাব রয়েছে। প্রতিটি ল্যাম্পপোষ্টে প্যানেল বসানোর কারণে প্যানেলগুলো পরিস্কার করতে অনেক টাকা খরচ হয়।
গ্রাম-অঞ্চলের অনেকরই অভিযোগ রয়েছে যে, সোলারের সাথে নিম্নমানের সুইচ, লাইট ও ব্যাটারি দেওয়া হয়। কয়েকদিন ব্যবহারের পর সেগুলো অকেজো হয়ে যায়-এ বিষয়ে আপনাদের করণীয় কি এমন প্রশ্নের জবাবে সাব-এর আহ্বায়ক মাহবুব আলম বলেন, এই বিষয়ে মনিটরিংয়ের জন্য রেগুলেটরি বোর্ডের মাধ্যমে পরীক্ষা করে গ্রাহকদেরকে যন্ত্রপাতি দেওয়া হবে।
এ সময় বেশ কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন তারা। এরমধ্যে উলেস্নখযোগ্য হল: বিদ্যুিবহীন এলাকায় সোলার ইরিগেশন পাম্প ব্যবহারকারীদের মোট খরচের ৮০ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া, প্রত্যেক পরিবারে বিদ্যুত্ পৌছে দেওয়ার লক্ষ্যে ও জাতীয় গ্রীডে ১০ শতাংশ সৌর বিদ্যুত্ যোগ করতে হলে সৌরবিদ্যুত্ উত্পাদনে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং আগামি বাজেটে এইখাতে সরকারী বিভিন্ন প্রণোদনা রাখা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক বলরাম বাহাদুর, সিদ্দিকুর রহমান, ইয়াসির আরাফাত, হালিম মৃধা প্রমুখ।

শেয়ার করুন