রাজধানীর খিলগাঁও এলাকায় রুহুল আমিন খান (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
নিহতের স্ত্রী মনি আক্তার জানান, তার স্বামী রুহুল আমিন ফাতেমা ফাউন্ডেশন নামে একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করত। সেখান থেকে গত এক বছর আগে কাজ বাদ দিয়ে দক্ষিণ বাংলা একতা সংঘের যুগ্ম-সম্পাদক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ফাতেমা ফাউন্ডেশন ছেড়ে আশার সময় ওই প্রতিষ্ঠানে কিছু লোক টাকা পেত। এ টাকা ফাতেমা ফাউন্ডেশনের মালিক আজহারুল ইসলাম রিপন অল্প অল্প করে পরিশোধ করছিলেন। কিন্তু খালেক নামের এক ব্যক্তি পিটিয়ে :
তার পাওনা টাকা একবারে চাইলে রুহুল আমিনের সঙ্গে তার বাকবিত-া হয়। এ ঘটনার জেরে খালেক তার লোকজন নিয়ে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বর্তমানে কর্মরত পশ্চিম নন্দীপাড়ায় দক্ষিণ বাংলা একতা সংঘের সামনে রুহুলকে বেধড়ক পিটিয়ে জখম করে। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। ভোর সাড়ে ৪টার দিকে মারা যান তিনি। তবে মারা যাওয়ার আগে রুহুল হাসপাতালে সালাহ উদ্দিন, মাইনুল ও তৌহিদসহ ১০-১২ জন তাকে মারধর করে বলে জানিয়েছেন। নিহতের পিতার নাম আনোয়ার হোসেন। গ্রামের বাড়ি বরিশালের বাবুগঞ্জে। ঢাকায় খিলগাঁওয়ের দক্ষিণ বনশ্রীর এফ বস্নকের ৮৩ নম্বর বাড়ির তৃতীয় তলায় পরিবারসহ বসবাস করতেন। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
খিলগাঁও থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম শেখ জানান, সকালে ঢাকা মেডিকেল ক্যাম্প পুলিশ বিষয়টি আমাদের অবহিত করে। এর পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আরিফুল ইসলাম ও আশিক চৌধুরী নামে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের ধরতে অভিযান চলছে।









