রাজধানীর বিজিএমইএ ভবনের অডিটরিয়ামে আয়োজিত স্মরণসভায় সাভারের রানা প্লাজা ধসে ক্ষতিগ্রস্তদের স্মরণ করতে গিয়ে কাঁদলেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদও।
বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ২টায় এ স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
অশ্রুসজল নয়নে তোফায়েল আহমেদ বলেন, রানা প্লাজায় আহত শ্রমিকরা এসেছেন। এসেছে ফুলের মতো এতিম বাচ্চারা। এদের চোখে পানি দেখে নিজেকে সংবরণ করা কঠিন। আসুন এদের পাশে দাঁড়াই।
তিনি বলেন, রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। যেন এ ধরনের দুর্ঘটনা আর না ঘটে। এদেশের পোশাক শিল্পের অগ্রযাত্রাকে বাধা দেওয়ার জন্য দেশি-বিদেশি চক্রান্ত কাজ করছে। সবাই মিলে একসঙ্গে যেকোনো ধরনের ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, মালিকপক্ষকে বিশ্বের এক নম্বর শিল্পে যেতে কমপ্লায়ান্সের দিকে নজর দিতে হবে। আমরা পণ্যের বহুমুখীকরণের সঙ্গে বাজারমুখী করণের চেষ্টা করছি।
স্মরণসভায় বিজিএমইএ সভাপতি আতিকুল ইসলাম বলেন, রানা প্লাজার শ্রমিকদের জন্য গঠিত সেলটির কার্যক্রম চলছে। এর কার্যক্রম চলতেই থাকবে। কারও কাছে যদি এমন কোনো তথ্য থাকে যে, কেউ কোনো সাহায্য পায়নি বা পুনর্বাসন করা প্রয়োজন, তবে তাদের তথ্য বিজিএমইএ’র সেলে জমা দিন। আমরা সব ব্যবস্থা নেবো।
আন্তর্জাতিক ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে পর্যাপ্ত দামে পণ্য কেনার আহ্বান জানিয়ে শ্রমিকনেত্রী নাজমা আক্তার বলেন, ক্রয়ের ক্ষেত্রে পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি করুন, নয়তো কারখানার মালিকপক্ষ শ্রমিকদের প্রাপ্ত সুবিধাদি দেবে না, তাতে তাজরীন ও রানা প্লাজার মতো এমন দুর্ঘটনা ঘটতেই থাকবে। এসব ঘটনাকে রুখতে হলে আপনাদেরও (ক্রেতা প্রতিষ্ঠান) এগিয়ে আসতে হবে।
স্মরণসভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিকেএমইএ’র সভাপতি সেলিম ওসমান, এফবিসিসিআই’র সাবেক সভাপতি এ কে আজাদ, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, শ্রম সচিব মিখাইল শিপারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।








