সাভারের রানা প্লাজার ভবন ধসের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে নিহতদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্বলন করেছেন ক্ষতিগ্রস্তদের স্বজনেরা।
গতকাল বুধবার রাতে জাতীয় শ্রমিক লীগসহ বেশ কয়েকটি সংগঠনের উদ্যোগে ধসেপড়া রানা প্লাজার সামনে ১ হাজার ১৩৫টি মোমবাতি জ্বালিয়ে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
এ উপলক্ষে মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকেই ধসেপড়া ভবনের সামনে জড়ো হতে থাকেন আহত, নিহত ও নিখোঁজ শ্রমিকদের স্বজনরা। শহীদ বেদির সামনে সেই ভয়াল স্মৃতি আর নিজের প্রিয় মানুষটিকে হারানোর বেদনায় একে অপরকে আঁকড়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন তারা। প্রিয় মানুষটিকে হারানোর বেদনায় স্বজনদের আহাজারিতে সাভারের আকাশটা যেন ভারি হয়ে ওঠে।
মোমবাতি প্রজ্বলন শেষে সেখানে এক সমাবেশের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড শিল্প শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম সুজনসহ বক্তারা বলেন, ‘ভবন ধসের এক বছর পার হয়ে গেল। এখনও অনেকেই ক্ষতিপূরণ পাননি। অনেক পরিবার তাদের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিটিকে হারিয়ে আজ মানবেতর জীবনযাপন করছেন।’ তারা অবিলম্বে রানা প্লাজার আহত ও নিখোঁজের সঠিক তালিকা প্রণয়ন করে তাদের ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবি জানান।
শ্রমিক কর্মীচারী ঐক্যপরিষদের সাভার শাখার আহ্বায়ক ও জাতীয় শ্রমিক লীগের সাভার আঞ্চলিক শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল আওয়ালের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ডা. এনামুর রহমান। এতে সাভারের সাবেক সংসদ সদস্য আশরাফ উদ্দিন খান ইমুসহ রানা প্লাজা ধসে ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিক ও তাদের পরিবারের স্বজনেরা অংশগ্রহণ করেন।








