রোববার সন্ধ্যায় নাটোরের সিংড়া পৌর শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকার প্রায় শতাধিক গ্রাহক ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুত্ বিচ্ছিন্ন থাকায় এলাকাবাসীকে নিয়ে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী নাটোর-বগুড়া মহাসড়ক অবরোধ করে। এতে দূরপাল্লার শতাধিক যানবাহন আটকা পড়লে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এ সময় গ্রাহকরা নাটোর পল্লীবিদ্যুত্ সমিতি-১’র ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার খন্দকার শামীম আলমের বিরুদ্ধে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ করেন।
এলাকাবাসী ও গ্রাহক সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত ৮টায় সিংড়া পৌর শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি বৈদ্যুতিক পুলের ১৫ কেভি ট্রান্সফরমার থেকে হঠাত্ তেল বের হয়ে বিদ্যুত্ বিচ্ছিন্ন হয়। পরে রোববার সকালে গ্রাহকরা পল্লীবিদ্যুত্ অফিসে গিয়ে সংযোগ চালুর অনুরোধ করলে নাটোর পল্লীবিদ্যুত্ সমিতি-১’র ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার খন্দকার শামীম আলম লক্ষাধিক টাকা দাবি করেন। পুনরায় বিকালে গ্রাহকরা বিদ্যুত্ সংযোগের বিষয়ে অফিসে গেলে ট্রান্সফরমার ক্রয় বাবদ ৪৮ হাজার তিনশ’ টাকা অফিসে জমা দিলে সংযোগ চালু করা হবে বলে গ্রাহকদের জানান। সন্ধ্যায় স্থানীয় এলাকাবাসী ও গ্রাহকরা বিদ্যুতের দাবিতে নাটোর-বগুড়া মহাসড়ক অবরোধ করে বিভিন্ন স্লোগান দেয়। পরে সিংড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা খাতুনসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা বিদ্যুত্ সংযোগের আশ্বাস দিলে গ্রাহকরা অবরোধ তুলে নেয়। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত (রোববার রাত সোয়া ৯টা) বিদ্যুত্ সংযোগ বন্ধ ছিল।
এ বিষয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও গ্রাহক মোহাম্মদ আলী, বরুণ কুমার, মজনুর রহমান, আনোয়ার হোসেনসহ অন্যরা জানান, নাটোর পল্লীবিদ্যুত্ সমিতি-১’র ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার খন্দকার শামীম আলমের ৫০ হাজার টাকা দাবি ও বিদ্যুত্ সংযোগ বন্ধ থাকায় গ্রাহকরা মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করছে।
এ বিষয়ে নাটোর পল্লীবিদ্যুত্ সমিতি-১’র ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার খন্দকার শামীম আলম জানান, তিনি অফিসিয়াল নিয়মেই হিসাব-নিকাশ করে কাজ করছেন।






