নৌবাহিনী জাহাজের ব্যাপক অনুসন্ধান সত্ত্বেও টেকনাফের সেন্টমার্টিন দ্বীপের সমুদ্র সৈকতে নিখোঁজ চার ছাত্রের সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি। সোমবারের ওই ঘটনায় দুই ছাত্রের মৃত্যু হয়। তারা হলেন মুনফিজুল ইসলাম ইভান ও সাদ্দাম হোসেন। সোমবার বেলা ২টার দিকে দ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব পাশের সমুদ্র সৈকতে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় নিখোঁজ পর্যটকরা হলেন সাব্বির হাসান, শাহারিয়ার রহমান, উদয় মাহমুদ ও গোলাম রহিম বাপ্পী। হতাহত ও নিখোঁজ সবাই ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স বিভাগের ছাত্র।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সমুদ্রে গোসল করতে নেমে পানির স্্েরাতে ভেসে যাওয়ার মুহূর্তে গুরুতর আহত অবস্থায় পাঁচজনকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের বিকেলে টেকনাফ উপজেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক দ’জনকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় আরো চার পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে।
এদিকে সেন্টমার্টিন দ্বীপের সমুদ্র সৈকতে নিখোঁজ থাকা চার শিক্ষার্থীর সন্ধানে নৌবাহিনীর পেট্রোল জাহাজ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অনুসন্ধান অব্যাহত রেখেছে।
টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রনজিৎ কুমার বড়ুয়া জানান, সেন্টমার্টিন দ্বীপে ভ্রমণে আসা আহসান উল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪ জনের একটি দল সোমবার দুপুর ২টার দিকে সমুদ্রে গোসল করতে নামে। এসময় স্রোতের টানে তাদের কয়েকজনকে ভেসে যেতে দেখে স্থানীয় লোকজন ও কোস্টগার্ড সদস্যরা পাঁচজনকে উদ্ধার করে।
উদ্ধারকারী কর্মকর্তা কোস্টগার্ডের সেন্টমার্টিন দ্বীপের স্টেশন কমান্ডার লে. শহিদ আল আহসান জানান, নিখোঁজ চারজনের সন্ধানে নৌ-বাহিনীকে সাথে নিয়ে অনুসন্ধান চলছে।
ইতোমধ্যে নিখোঁজ চার ছাত্রের সন্ধানে চার্জ মিশন গঠন করেছে বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী। আর এ চার্জ মিশনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন কমোডর রাশেদ আলী।







