‘ভয়াবহ অবিচারের শিকার বার্সেলোনা’

0
87
Print Friendly, PDF & Email

মাঠের বাইরের নানা বিতর্কে বেশ ভালোই তোলপাড় হচ্ছে বার্সেলোনা। কিছুদিন আগেই নেইমারের ট্রান্সফার ফি-সংক্রান্ত জটিলতায় সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন সান্দ্রো রোসেল। সেই ধাক্কা কাটতে না-কাটতেই আবারও বড়সড় হোঁচট খেয়েছে ইউরোপের অন্যতম সেরা এ ক্লাবটি। বার্সেলোনার বিরুদ্ধে অপ্রাপ্তবয়স্ক খেলোয়াড় নিবন্ধন ও দলবদল-সংক্রান্ত নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ এনেছে ফিফা। শাস্তিস্বরূপ দুটি ট্রান্সফার উইন্ডোতে কোনো খেলোয়াড় কিনতে বা বেচতে পারবে না বার্সা। নতুন সভাপতি জোসেপ মারিয়া বার্তোমেউ অবশ্য কোনো রকম অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জোরগলায়। তাঁর মতে, বার্সেলোনা অন্যায় অবিচারের শিকার হচ্ছে।
দুটি ট্রান্সফার উইন্ডোতে কোনো নতুন খেলোয়াড় কিনতে না পারলে বেশ ঝামেলাতেই পড়বে বার্সা। কার্লোস পুয়োল ও গোলরক্ষক ভিকটর ভালদেজ বার্সা ছাড়বেন এবারের মৌসুম শেষেই। রক্ষণভাগের দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে আগামী মৌসুমে নতুন খেলোয়াড় কেনারই পরিকল্পনা ছিল কাতালানদের। তরুণ জার্মান গোলরক্ষক মার্ক-আন্দ্রে স্টেগানকে দলে ভেড়ানোর কথাবার্তাও এগিয়ে গিয়েছিল অনেকখানি। কিন্তু সবকিছু গড়বড় করে দিয়েছে ফিফার এই নিষেধাজ্ঞা। এখন এর বিরুদ্ধে আইনি লড়াই চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন বার্সা সভাপতি বার্তোমেউ। আর সমর্থকদের প্রতি জানিয়েছেন ক্লাবের দুঃসময়ে পাশে থাকার আহ্বান, ‘আমরা ভয়াবহ অবিচারের শিকার হয়েছি। আর ক্লাবের সব সদস্যের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, আমাদের লড়াইয়ে পাশে থাকার জন্য। কারণ আমরা অন্যায় কিছু করিনি। আমরা ১০ দিনের ভেতরেই এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আবেদন করব।’

বার্সেলোনার সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে অনেকেই এখন ষড়যন্ত্র করছে বলে মন্তব্য করেছেন বার্তোমেউ। ফিফার নিষেধাজ্ঞার পেছনেও এসব চক্রান্তের প্রভাব আছে বলে মনে করছেন বার্সা সভাপতি। তিনি বলেছেন, ‘আমরা ভুল কিছু করিনি। আমরা শুধু বার্সাকে বিশ্বের সেরা ক্লাব হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছি। কিন্তু আমাদের মনে হয়েছে যে, অনেকেই এ কারণে বার্সেলোনাকে আক্রমণ করার চেষ্টা করছে। বাইরে অনেক আশ্চর্যজনক ঘটনাই ঘটছে। অনেকেই ক্লাবকে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। বার্সেলোনা বিশ্বের সেরা ক্লাব আর অনেকেই এ ব্যাপারটাতে খুশি না। আমরা তথ্যপ্রমাণ জোগাড়ের চেষ্টা করছি। আমাদের হাতে প্রমাণ আসা মাত্রই তাদের নাম সবাইকে জানানো হবে

শেয়ার করুন