২০১৫ পরবর্তী আলোচনা হবে মানবাধিকার ও অসমতা নিয়ে

0
48
Print Friendly, PDF & Email

২০১৫ পরবর্তী উন্নয়ন আলোচ্য সূচি নির্ধারণের মূল কথা হলো মানবাধিকার বলবত ও বিদ্যমান অসমতা নিয়ে কাজ করা।

এ মন্তব্য স্যোশাল ওয়াচের কোঅর্ডিনেটর মি. রবার্তো বিসিও এর।

মঙ্গলবার ঢাকা রির্পোটার্স ইউনিটিতে ইক্যুইটিবিডি, স্যোশাল ওয়াচ বাংলাদেশ ও উন্নয়ন সমন্বয় আয়োজিত ‘২০১৫ পরবর্তী উন্নয়ন আলোচনা: ভবিষ্যত বৈশ্বিক উন্নয়নে অংশীদারিত্ব’ শীর্ষক আলোচনা সভার মুল আলোচক রবার্তো এ মন্তব্য করেন।

মি. রবার্তো বলেন, মানুষের রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অধিকার রয়েছে, তা পূরণ করাই উন্নয়ন আলোচনার মূল বিষয় হতে হবে। জাতিসংঘের সার্বজনীন মানবাধিকার সনদে লিপিবদ্ধ মানবাধিকার বিবেচনায় নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, জিডিপি’র উন্নয়নের নামে অনেক ভণ্ডামি রয়েছে। কারণ, এটি সমাজের নানা শ্রেণির মানুষের মাঝে বিদ্যমান বৈষম্য প্রকাশ করতে পারে না। দরিদ্র ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর জনগণের প্রাপ্য উন্নয়ন সহায়তা তহবিল বহুজাতিক কোম্পানিকে দেয়া হলে দারিদ্র বিমোচন ঘটবে না। এতে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ওইসব কোম্পানির পণ্যের বাজার সম্প্রসারিত হবে।

উন্নয়নশীল দেশে বহুজাতিক কোম্পানির বিনিয়োগের ঝুঁকি পূরণ করতে এই সহায়তা ব্যবহার করা হয় বলে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, অফিসিয়াল উন্নয়ন সহায়তা (ওডিএ)-র তহবিল সরাসরি উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশের জনগণের হাতে যেতে হবে।

আলোচনায় আরও অংশ নেন ইক্যুইটিবিডি-র রেজাউল করিম চৌধুরী, বরকত উল্লাহ মারুফ, ভয়েস’র আহমেদ স্বপন মাহমুদ, উন্নয়ন ধারা ট্রাস্টের আমিনুর রসুল বাবুল, অনলাইন নলেজ সোসাইটি-র প্রদীপ কুমার রায়, ড. সোহেল ইকবাল, বাংলাদেশ কৃষক ফেডারেশনের বদরুল আলম ও বরকত উল্লাহ মারুফ।

বক্তারা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ সুশাসন প্রতিষ্ঠা না হলে দারিদ্র বিমোচন তথা ভবিষ্যত উন্নয়ন অর্জন সম্ভব নয়। ২০১৫ পরবর্তী উন্নয়ন অর্জনের পথে সবচেয়ে বড় বাধা জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব। বাংলাদেশের মতো দরিদ্র দেশে খাদ্য নিরাপত্তার নামে বড় বড় কৃষি কোম্পানির পণ্য ডাম্পিং অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।

ভবিষ্যতে স্থায়িত্বশীল উন্নয়ন অর্জন করতে হলে আমাদেরকে কৃষি প্রতিবেশের মাধ্যমে খাদ্য সার্বভৌমত্ব অর্জন করতে হবে। বিভিন্ন কাঠামোগত বিষয় যেমন, দারিদ্রের মূল কারণ, যা ধনী-দরিদ্র বৈষম্য সৃষ্টি করছে, সেসব বিষয় আলোচনা

শেয়ার করুন