সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাবে যুক্তরাষ্ট্র’

0
66
Print Friendly, PDF & Email

যুক্তরাষ্ট্রে তিন সপ্তাহ অবস্থান শেষে ঢাকায় ফিরে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনা বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদারিত্ব মূলক সম্পর্ক আগামীতে আরো ঘনিষ্ঠ ও নিবিড় হবে। সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাবো। তবে নির্বাচন ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে। ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের পর দিন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতি ও ১১ ফেব্রুয়ারি মার্কিন সিনেটে সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিশা দেশাই বিসওয়ালের বক্তব্যই যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান।

যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি, নিউইয়র্ক সিটি এবং টেক্সাস ও ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের বিভিন্ন শহরে মতবিনিময়, পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাত্ করে তিন সপ্তাহ কাটান রাষ্ট্রদূত ড্যান মজীনা। গতকাল সোমবার বিকেলে আমেরিকান ক্লাবে ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে মার্কিন নীতি নির্ধারক, আইন প্রণেতা, নেতৃস্থানীয় বাংলাদেশীদের সঙ্গে মতবিনিময় সম্পর্কে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাংলাদেশ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পরবর্তী এশিয়ান টাইগার হবে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন পত্রিকা ও গণমাধ্যমে যেভাবে ‘বাংলাদেশ অর্থই রানা প্লাজা ধস, গার্মেন্টস এ আগুন কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলে প্রচার হয়, তা সত্য নয়। দেশটি প্রচুর সম্ভাবনাময়। এদেশের মানুষের সঙ্গে অংশীদারিত্ব আরো দৃঢ় হবে। একদিন এদেশ পৃথিবীর বড় রপ্তানিকারক দেশ হবে।

তিনি বলেন, আগামী কয়েক সপ্তাহ ও মাসে দুই দেশের মধ্যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হবে। প্রথম টিকফা বৈঠক, নিরাপত্তা সংলাপ ও অংশীদারিত্ব সংলাপ হবে। জিএসপি পুনর্বহালের শুনানিও হবে। আমার ধারণা রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি বা তাজরীন ফ্যাশনে আগুনের ঘটনার মতো পুনরাবৃত্তি না হয় সেজন্য বাংলাদেশ সঠিক পথেই এগুচ্ছে।

গার্মেন্টস এর নিরাপত্তা নিশ্চিত, কর্ম পরিবেশ উন্নত ও শ্রম অধিকার প্রদানই হলো বড় কাজ। এগুলো এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের রপ্তানির বাজার ধরবে একদিন। রানা প্লাজাই বাংলাদেশ নয়। বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারিত্ব সর্বোচ্চ পর্যায়ে যাবে। এক প্রশ্নের জবাবে ড্যান মজীনা বলেন, চলমান উপজেলা নির্বাচনের পর্যবেক্ষণ করছে দূতাবাস। পর্যবেক্ষণ শেষে রিপোর্ট জানানো হবে। আমরা মনে করি সব দলের জন্য সমান সুযোগ থাকতে হবে। সংঘাত কোন ভাবেই কাম্য নয়। আমরা সমর্থন করি না।

ক্রিমিয়া ইস্যুতে ভোট না দেওয়ায় আক্ষেপ

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ক্রিমিয়া ইস্যুতে ভোটাভোটিতে বাংলাদেশ বিরত থাকায় আক্ষেপ করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে বাংলাদেশ অংশ নেয়নি, এটা দুঃখজনক। এটা পরিষ্কার যে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় রাশিয়া কর্তৃক ক্রিমিয়া অধিগ্রহণ সমর্থন দেয়নি।

শেয়ার করুন