যশবন্ত সিংকে ফের বহিষ্কার করল বিজেপি

0
55
Print Friendly, PDF & Email

শেষ পর্যন্ত ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) থেকে যশবন্ত সিংকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শনিবার ছয় বছরের জন্য তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে, সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রাজস্থানের বারমেড় কেন্দ্র ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নেয়ায় তাকে বহিষ্কার করা হয়। বিজেপি সভাপতি রাজনাথ সিং এক বিবৃতিতে এ কথা জানান।
এ নিয়ে প্রবীণ এই রাজনীতিকবিদকে দ্বিতীয়বারের মতো বহিষ্কার করল বিজেপি। এর আগে নিজের বইয়ে পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রশংসা করায় ২০০৯ সালে বিজেপি থেকে বহিষ্কৃত হন তিনি।
লোকসভা নির্বাচনে রাজস্থানের বারমেড় কেন্দ্র থেকে বিজেপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু দল তাকে এবার প্রার্থী করেনি। তার পরিবর্তে, কংগ্রেস ছেড়ে আসা সোনারাম চৌধুরীকে ওই কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করে বিজেপি। আর তাতেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের উপর বেজায় চটে যান ৭৬ বছর বয়সী জয়বন্ত সিং। তখনই মনস্থির করে ফেলেন, সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই পছন্দের বারমেড় কেন্দ্র থেকে নির্বাচনে দাঁড়াবেন তিনি। সেই মত মনোনয়নপত্র জমা দেন।
বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব ভেবেছিলেন, হয়ত দলীয় শৃঙ্খলার কথা মাথায় রেখে, শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহার করবেন যশবন্ত সিং। কিন্তু বয়সে প্রবীণ হলেও, তার প্রতি শীর্ষ নেতৃত্বের এই বঞ্চনা মেনে নিতে পারেননি প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী। তাই দলের নির্দেশ উপেক্ষা করেই নিজের সিদ্ধান্তে অনড় ছিলেন তিনি। যার মাশুল হিসেবে তাকে ছয় বছরের জন্য দল থেকে বহিষ্কার করেছে বিজেপি। শনিবার বিবৃতি দিয়ে একথা জানান বিজেপি সভাপতি রাজনাথ সিং।
তিনি বলেন, বিজেপির সংবিধান অনুসারে কেউ যদি দলের নির্দেশ উপেক্ষা করে ভোটে প্রার্থী হন, তখন তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। যশবন্ত সিং যদিও দাবি করেছেন, দলের তরফে তাকে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের অনুরোধ জানানো হয়নি। একই কারণে বিজেপি থেকে ছয় বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে সুভাষ মাহারিয়াকেও। তিনিও দলের নির্দেশ উপেক্ষা করে রাজস্থানের সিকার কেন্দ্র থেকে সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
সূত্র : জি নিউজ

শেয়ার করুন