খালেদা ও তারেককে গ্রেপ্তার প্রয়োজন: হাছান মাহমুদ

0
67
Print Friendly, PDF & Email

জিয়াউর রহমানকে প্রথম রাষ্ট্রপতি বলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তাঁর ছেলে তারেক রহমানকে গ্রেপ্তার করা প্রয়োজন বলে মনে করেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ।

আজ শনিবার সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচার খাজা নিজামুদ্দিন মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু একাডেমির এক আলোচনা সভায় হাছান মাহমুদ এ মন্তব্য করেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বাংলাদেশের সংবিধানে প্রথম রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান, উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ। সুতরাং, তাঁদের এ বক্তব্য রাষ্ট্রদ্রোহী, সংবিধানপরিপন্থী ও ষড়যন্ত্রমূলক। এ জন্য তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়ে গ্রেপ্তার করা প্রয়োজন।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘জিয়াউর রহমান মুজিবনগর সরকারের শুধু একজন বেতনভুক্ত কর্মচারী ছিলেন, সেটার নথিপত্র আমাদের কাছে আছে। প্রয়োজনে সেটা প্রকাশ করব। জিয়াউর রহমান প্রকৃতপক্ষে স্বেচ্ছায় মুক্তিযুদ্ধে যাননি। তিনি বাধ্য হয়ে মুক্তিযুদ্ধে গেছেন। সেখানে তিনি যুদ্ধ করেননি। পাকিস্তানিদের গুপ্তচরবৃত্তি করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্রিগেডিয়ার বেগ জিয়াউর রহমানকে একটি চিঠি দিয়েছিলেন। সেখানে লেখেন, “তোমার কাজে আমরা খুশি। তোমার স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে চিন্তা করো না”। এই চিঠি প্রমাণ করে জিয়া ছদ্মাবরণে মুক্তিযুদ্ধ করেছেন।’ এর পর তিনি সম্প্রতি প্রকাশিত সেই চিঠি সাংবাদিকদের দেখান।

সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির নেতারা একটা কথা বলতেন—কুকুর লেজ নাড়ে না, লেজে কুকুর নাড়ে। তারেক রহমানের পর তাঁর মা খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি জিয়াকে বলার পর সেটাই প্রমাণিত হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান জীবদ্দশায় কখনো নিজেকে স্বাধীনতার ঘোষক কিংবা প্রথম রাষ্ট্রপতি দাবি করেননি। তাহলে এঁরা এ ধরনের তথ্য কোথায় পেলেন? যে নেত্রী নিজের জন্মদিন চারবার বদলাতে পারেন, তাঁদের দ্বারা যেকোনো মিথ্যাচার সম্ভব। প্রকৃতপক্ষে, বিএনপির রাজনীতি মিথ্যাচারের ওপর নির্ভরশীল।’

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ফয়েজ উদ্দিন মিয়া, বঙ্গবন্ধু একাডেমির সভাপতি হেমায়েত উদ্দিন, সাম্যবাদী দলের নেতা হারুন চৌধুরী প্রমুখ।

শেয়ার করুন