হেলসে্র কাছে শ্রীলঙ্কার হার

0
51
Print Friendly, PDF & Email

শ্রীলঙ্কার ১৮৯ রান তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই দুই উইকেট নেই! স্কোরবোর্ডে তখনো শূন্য। ম্যাচ তো শেষই! কিন্তু খেলাটা ক্রিকেট, তার ওপর আবার টি-টোয়েন্টি। সেখান থেকেই ম্যাচটিকে রুদ্ধশ্বাস উত্তেজনায় নিয়ে গেলেন অ্যালেক্স হেলস্। ইংল্যান্ডের পক্ষে টি-টোয়েন্টিতে প্রথম সেঞ্চুরি করে দলকে এনে দিলেন স্মরণীয় এক জয়। সেঞ্চুরি করেছিলেন ছক্কা মেরে। চার বল বাকি থাকতে ৬ উইকেটের জয়ও আনলেন ছক্কাতেই।
শুরুর ওই যুগল ধাক্কার পর এউইন মরগানের সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে হেলসের ১৫২ রানের জুটি। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে যা নতুন রেকর্ড। ৩৮ বলে ৫৭ রান করে মরগান আউট হয়ে গেলেও হেলস্ রীতিমতো দুঃস্বপ্ন হয়ে আবির্ভূত হলেন লঙ্কান বোলারদের জন্য। ৩৮ বলে হাফ সেঞ্চুরি, পরের ফিফটি মাত্র ২২ বলে। ব্যক্তিগত প্রাপ্তি ও দলীয় অর্জন দুটিই পরম আনন্দে ভাসাল তাঁকে।
সিলেটে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটার মেগ ল্যানিং এই বিশ্বকাপের প্রথম সেঞ্চুরি করেছেন কাল। ছেলেদের বিভাগে প্রথমটিরও দেখা মিলল একই দিনে। এর আগে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খুব কাছাকাছি গিয়েও পারেননি উমর আকমল। মাত্র ৬ রানের জন্য এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম সেঞ্চুরিটা হয়নি তাঁর। পর দিন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরির কাছাকাছি গিয়েছিলেন জেপি ডুমিনিও। কিন্তু পাঁচ নম্বরে ব্যাট করতে নেমেছিলেন বলে পারলেন না দক্ষিণ আফ্রিকান অলরাউন্ডারও। অপরাজিত থেকে যান ৮৬ রানে। কাল সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন মাহেলা জয়াবর্ধনেও। কিন্তু ১১ রানের আক্ষেপ নিয়ে ফিরতে হয়েছে তাঁকে।
তবে শ্রীলঙ্কাকে জয়ের মতো পুঁজি দিয়ে গেছেন বলেই মনে হচ্ছিল তখন। ১৭তম ওভারে ক্রিস জর্ডানের বলে বোল্ড হয়ে যখন ফিরে যাচ্ছেন, শ্রীলঙ্কার স্কোর ১৪৯। পরে আরও ৪০ রান যোগ হয়েছে। দিলশানের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে ১৪৫ রানের জুটি গড়েছেন। জয়াবর্ধনের ১১ চার আর ৩ ছক্কার ঝড়ের সেই সময়টা প্রায় দর্শক হয়ে ছিলেন দিলশানও। শেষে এসে অবশ্য হেলসের তাণ্ডবে অসহায় দর্শক হয়ে থাকতে হলো জয়াবর্ধনেকেই।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
শ্রীলঙ্কা: ২০ ওভারে ১৮৯/৪ (জয়াবর্ধনে ৮৯, দিলশান ৫৫, থিসারা ২৩*; জর্ডান ২/২৮, ডার্নব্যাখ ২/৪২)।
ইংল্যান্ড: ১৯.২ ওভারে ১৯০/৪ (হেলস্ ১১৬*, মরগান ৫৭; কুলাসেকারা ৪/৩২)।
ফল: ইংল্যান্ড ৬ উইকেটে জয়ী।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: অ্যালেক্স হেলস্।

শেয়ার করুন