সাত মাসে এলসি বেড়েছে ১০ দশমিক ৫৫ শতাংশ

0
68
Print Friendly, PDF & Email

চলতি ২০১৩-১৪ অর্থ বছরের সাত মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) ঋণপত্র (এলসি) খোলা ও নিষ্পত্তির হার বেড়েছে। আগের অর্থ বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি অর্থবছরের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত বিভিন্ন পণ্যের এলসি খোলার হার বেড়েছে ১০ দশমিক দশমিক ৫৫ শতাংশ। আর নিষ্পত্তির হার বেড়েছে ১৩ দশমিক ৩৪ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশ্বস্ত সূত্র এসব তথ্য জানিয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, ২০১৩ সালের জুলাই থেকে ২০১৪ সালের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত ২ হাজার ২৪২ কোটি ডলার (প্রায় সাড়ে ২২ বিলিয়ন ডলার) পর্যন্ত এলসি খোলা হয়েছে। যা আগের অর্থ বছরের একই সময়ের তুলনায় ১০ দশমিক ৫৫ শতাংশ বেশি। উল্লেখিত সময়ে এলসি খোলা হয়েছে প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার। অপরদিকে, এলসি নিষ্পত্তি হয়েছে প্রায় ২১ বিলিয়ন ডলার। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিলো প্রায় ১৮ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। হালনাগাদ তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, খাদ্য, মূলধনী যন্ত্রপাতি, ব্যাক টু ব্যাকসহ বেশ কিছু পণ্যে এলসি বাড়ায় সামগ্রিক পরিস্থিতি ইতিবাচক ধারায় পৌঁছেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, চাল আমদানি বেড়েছে সবচেয়ে বেশি। জুলাই থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত ১৭ কোটি ৪৫ লাখ ডলারের চাল আমদানির ঋণপত্র খোলা হয়েছে। যার বিপরীতে নিষ্পত্তি হয়েছে ১২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার। যা আগের অর্থ বছরে ছিলো যথাক্রমে ১ কোটি ৫০ লাখ ও এক কোটি ১৫ লাখ ডলার।
গুড়ো দুধ আমদানিতে এলসি খোলা হয়েছে ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ডলার। আর নিষ্পত্তি হয়েছে ১৫ কোটি ৮১ লাখ ডলার। পেয়াজ আমদানিও বেড়েছে উল্লেখ যোগ্য হারে গত সাত মাসে। সূত্র মতে, ভোজ্য তেলের(পরিশোধিত ও অপরিশোধিত) ঋণপত্র খোলা হয়েছে ৭৪ কোটি ৭৬ লাখ ডলার। আর নিষ্পত্তি হয়েছে ৮৯ কোটি ৮৯ লাখ ডলার। এ সময়ে ২১১ কোটি ৮৬ লাখ ডলারের মূলধনী যন্ত্রপাতির ঋণপত্র খোলার বিপরীতে নিষ্পত্তি হয়েছে ১৩৮ কোটি ৯৬ লাখ ডলারের।

শেয়ার করুন