দোহারের ট্রিপল মার্ডারের আসামিদের আত্মসমর্পণ

0
81
Print Friendly, PDF & Email

দোহারে ট্রিপল মার্ডার মামলার তের আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেছেন।

সোমবার তারা ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা শিউলীর আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। দুপুরে আত্মসমর্পণ ও জামিন আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে।

গত ৪ মার্চ আদালতে এ আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন ঢাকা জেলা দক্ষিণ ডিবি পুলিশের এসআই আবু বকর সিদ্দিক।

চার্জশিটে সাবেক প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান খানের ভাই মোতলেব খান, দোহার যুবলীগের সাবেক সভাপতি রাহিম কমিশনার, বর্তমান সভাপতি আলমাস উদ্দিন ও জহিরুল ইসলাম জহুরের নাম বাদ দেয়া হয়।

এদিকে মামলার বাদী মোতালেব খন্দকার মামলাটির অধিকতর তদন্তের জন্য দাখিলকৃত চার্জশিটের বিরুদ্ধে আদালতে নারাজি আবেদন দাখিল করবেন বলে জানা গেছে।

চার্জশিটভুক্ত ১৩ আসামি হলেন- হুমায়ুন, রহিম, তারা মিয়া, লিয়াকত , রাসেল, আলমগীর, আনিস মাঝি, ছানাচ, জাহাঙ্গীর, তোতা শেখ, আক্তার, ইসাহাক চোকদার, ইউনুস চোকদার।

উল্লেখ্য, গত ৬ জানুয়ারি দোহার উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের হাজারবিঘা গ্রামে আওয়ামী লীগের পরাজিত প্রার্থী আব্দুল মান্নান খানের সমর্থক হুকুম আলী চোকদার, বাশার চোকদার, রাশেদ চোকদারের নেতৃত্বে একদল লোক নির্বাচনে বিজয়ী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলামের সমর্থকদের বাড়িতে ধারালো অস্ত্র হাতে হামলা চালায়।

ওই ঘটনায় সালমা ইসলামের সমর্থক মোর্শেদ খন্দকার (৫০), তার ছেলে মাসুদ খন্দকার (২৮) ও  আলাউদ্দিন চেয়ারম্যানের ভাগ্নে মকবুল মুন্সী (৩৬) নিহত হন।

জাতীয় নির্বাচন ও স্থানীয় প্রভাব নিয়ে বিরোধের জের ধরে চোকদার গ্রুপ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মকবুলের বাড়িতে গিয়ে হামলা করে ও ভাঙচুর চালায়। এ সময় ধারালো অস্ত্রের কোপে ৩ জন নিহত হন। এ দু’টি গ্রুপই আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল মান্নানের। এর মধ্যে একটি গ্রুপ নির্বাচনে সালমা ইসলামের পক্ষে কাজ করে।

ওই এলাকায় চোকদার ও মকবুল গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এ বিরোধের জের ধরে এ সংঘর্ষ ও হত্যাকাণ্ড ঘটে।

শেয়ার করুন