নারায়নগঞ্জে গড়ে প্রতি মাসে খুন হয় একজন স্কুল শিক্ষার্থী। ত্বকী হত্যার পর এই জেলায় গত ১২ মাসে খুনের পরিসংখ্যানে বেরিয়ে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য।
পারিবারিক বা ব্যক্তিগত বিরোধ, অপহরণ, সন্ত্রাসীদের অর্থ যোগান এবং রাজনৈতিক মতাদর্শের অমিলসহ বয়স্কদের বিভিন্ন জেরের বলি হয়েছে কোমলমতী এই শিশু।
জেলার আতঙ্কিত অভিভাবকদের অভিযোগ ত্বকী হত্যার পর দ্রুত কার্যকরী আইনি পদক্ষেপ না নেয়া শিশু হত্যা বেড়ে যাবার মূল কারণ।
তানভীর মোহম্মদ ত্বকী হত্যার এক বছর পর একই দিনে নারায়নগঞ্জবাসী ব¯ত্মাবন্দী লাশ পেয়েছে আরও এক শিক্ষার্থীর। ত্বকী হত্যার পর খুনের তালিকায় গত বছর এপ্রিলে যোগ হয় রাসেলের নাম। আর জুনে ৯ টুকরো লাশ উদ্ধার হয় ইমনের । একইভাবে জুলাইতে ৩ জন, সেপ্টেম্বরে ১ জন, নভেম্বরে ২ জন আর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে পাওয়া যায় আরও ৩ শিক্ষার্থীর লাশ।
ত্বকীর বাবা বলেন, একটি হত্যাকান্ডের পর অপরাধীদের পার হয়ে যাওয়ার ব্যাপারটিই পরবর্তী হত্যাকা-গুলোকে উৎসাহিত করছে।
পুলিশ কর্মকর্তা এই অভিযোগকে অস্বীকার করেছে। নারায়নগঞ্জের পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম বলেন, যারা এই হত্যাকা-গুলো ঘটাচ্ছে তারা নিতাšত্মই নিম্ন আয়ের মানুষ। ত্বকী হত্যাকা-ের বিচার হয়নি বলে এই হত্যাকা-গুলো হচ্ছে এটা কখনই যুক্তিযুক্ত নয়।
পর্যাপ্ত টহল না থাকায় গত বছরে অনেক লাশ পাওয়া গেছে শীতলক্ষ্যা নদীতে। হত্যাকাণ্ডের পর লাশ ফেলার একটি সহজ জায়গা হল এই শীতলক্ষ্যা নদী। সময় টিভি







