উপজেলা নির্বাচনে দ্বিতীয় দফাতেও সহিংসতা ঘটলো। ভোট বর্জন, ভোট বন্ধ, ব্যালট ছিনতাই, হামলা,ককটেল বিস্ফোরণ, গুলি এবং নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটলো। প্রকৃতপক্ষে ভোটাররা কি তাঁদের ভোটারাধিকার প্রয়োগ করতে পারছেন? উপজেলা নির্বাচন এতোটা রাজনৈতিক প্রভাব বলয়ের মধ্যে ঢুকলো কেন? এমন সব প্রশ্ন নিয়ে প্রিয়.কম হাজির হয়েছিলো রাষ্ট্রবিজ্ঞান সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. গিয়াসউদ্দিন মোল্যার কাছে।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. গিয়াসউদ্দিন মোল্যা যা যা বললেন-
নিজেদের ভোট নিজেরা প্রয়োগ করার যে অধিকার থাকা দরকার, সেটি আমাদের দেশে এখনো গড়ে ওঠেনি। আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে তা নেই। সেটি নেই বলেই সহিংসতা ঘটে।
নিজেদের লাভ আর উন্নতির কথা ভেবেই নেতারা নির্বাচনে জেতার জন্য সহিংসতা ঘটান।
উপজেলা নির্বাচনে এরআগে এতোটা রাজনৈতিক প্রভাব দেখা যায়নি।
যদিও ঘোষণা হয়নি তবু দিন দিন স্থানীয় সরকার নির্বাচন রাজনৈতিক রূপ লাভ করেছে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এখন বড় দুটো দলই বলে দিচ্ছে প্রার্থী করা হবে। বিরোধী প্রার্থীদের দলের মাধ্যমে চাপ দেওয়া হচ্ছে। এমন কি দল থেকে বহিষ্কার করা হচ্ছে।
এবার রাখঢাক না রেখেই উপজেলা নির্বাচন রাজনৈতিক চরিত্র ধারণ করেছে। শুধু দলীয় প্রতীক বরাদ্দ হয়নি।
৫ জানুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ না নিয়ে বিএনপি যে ভুল করেছে তা এখন তারা বুঝতে পারছে।
আন্দোলনে ১৮ দলের সহিংসতাকে মানুষ গ্রহণ করেনি।
এমপিদের অধীনে রাখায় প্রকৃতপক্ষে উপজেলা চেয়ারম্যানদের ক্ষমতা সীমিত। তাঁদের কিছুই করার নেই।






