নির্বাচন স্থগিতের ইঙ্গিত দিল থাই সরকার

0
94
Print Friendly, PDF & Email

থাইল্যান্ডে আগাম নির্বাচন স্থগিতের পক্ষে সাংবিধানিক আদালতের রায় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ক্ষমতাসীন পুয়ে থাই পার্টি। তবে শর্ত সাপেক্ষে নির্বাচন স্থগিতের ইঙ্গিত দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়ার নেতৃত্বাধীন দলটি। এর মধ্যেই আজ রোববার আগাম ভোট নেওয়া হচ্ছে।
সাংবিধানিক আদালত পূর্বঘোষিত ২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার সুযোগ আছে বলে শুক্রবার রায় দেন। এর প্রতিক্রিয়ায় গতকাল শনিবার পুয়ে থাই পার্টির পক্ষ থেকে আদালতের এ রায় নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়।
নির্বাচন স্থগিতের আদেশ চেয়ে করা নির্বাচন কমিশনের আবেদনে আদালত বলেছিলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে নির্বাচন স্থগিতের অধিকার কমিশনের রয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে কমিশনকে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি নিতে হবে। দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হতে হবে।
গতকাল ইংলাকের দলের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, নির্বাচন স্থগিতের বিষয়ে আদালতের দেওয়া এই রায়ের শক্ত আইনি ভিত্তি নেই। এর পরও সরকার বিরোধী দলের সঙ্গে সমঝোতা করার জন্য প্রস্তুত। তবে এ ক্ষেত্রে বিরোধী ডেমোক্র্যাট পার্টিকে নতুন নির্বাচনের বৈধতার স্বীকৃতি এবং তাতে অংশগ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিতে হবে। এ ছাড়া আন্দোলন বন্ধ করতে হবে।
এসব শর্ত সম্পর্কে ডেমোক্র্যাট পার্টির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। বিরোধী দলের নেতা সুথেপ থাগসুবানের বরাত দিয়ে ব্যাংকক পোস্ট পত্রিকা জানিয়েছে, আজ ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে তাঁর সমর্থকেরা বাধা দেবেন না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সুথেপ। কিন্তু কেন্দ্রের বাইরে বিক্ষোভ করা হবে।
এদিকে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আগামীকাল সোমবার প্রধানমন্ত্রী ইংলাকের সঙ্গে নির্বাচনের তারিখ নিয়ে তাদের আলোচনা হতে পারে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ২০ লাখের বেশি ভোটার আগাম ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য আবেদন করেছিলেন। তাঁদের বেশির ভাগই শিক্ষার্থী ও প্রবাসী শ্রমিক। ২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের আগে দেশে ফিরতে পারবেন না তাঁরা। বিবিসি ও এপি।

শেয়ার করুন