‘গায়েব’ হওয়ার আশঙ্কা বি চৌধুরীর

0
77
Print Friendly, PDF & Email

দেশে সরকারি সন্ত্রাস চলছে এমন মন্তব্য করে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিকল্প ধারার প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেছেন, “সরকারি সন্ত্রাসের কারণে অনিশ্চিত জীবন যাপন করছি। কখন যেন গায়েব হয়ে যাই।” শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৭৮ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ড্যাব আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। বি চৌধুরী বলেন, “চারিদিকে সরকারি সন্ত্রাস চলছে, অস্ত্রের সন্ত্রাস চলছে। সে কারণে অনিশ্চিত জীবন যাপন করছি। কখন যেন গায়েব হয়ে যাই।আইনের মানুষ ড. কামাল হোসেনও গায়েব হওয়ার আশঙ্কা করছেন।” ৫ জানুয়ারি অগণতান্ত্রিক নির্বাচন হয়েছে এমন মন্তব্য করে সাবেক এই রাষ্ট্রপতি বলেন, “একটি নির্লজ্জ নির্বাচন কমিশন নির্লজ্জ সরকারের অধীনে নির্বাচন করেছে।এ নির্বাচনে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছে।তাই আমরা ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে চাই। এটাই এখন মূল আন্দোলন। ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে।” হলফনামায় অনুযায়ি মহাজোট সরকারের মন্ত্রীদের সম্পদ বৃদ্ধির তথ্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এ সম্পদ আকাশ থেকে পড়েনি। তারা বেআইনীভাবে এ সম্পদ অর্জন করেছে। সরকারের উচিত যারা দুর্নীতি করছে তাদের শাস্তি দেয়া। আর দুর্বল দুদক যদি এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয় তাহলে আগামী দিনে সেই সরকারের বিরুদ্ধে আমাদের আন্দোলন চলবে।” বি চৌধুরী বলেন, “ভোটারবিহীন নির্বাচনে যে সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তাদের পশ্চাদপদে রয়েছে সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও ভোট চুরি।” জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, “দুর্ভাগ্য আমাদের এই বিষয়টি নিয়েও চ্যালেঞ্জ করা হচ্ছে। অথচ আমি সহ সেদিন অনেকেই তার কণ্ঠে স্বাধীনতার ঘোষণা শুনেছেন। তার নাম ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।” অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর বলেন, “সরকার বিএনপিকে জামায়াতের সঙ্গ ছাড়ার জন্য বলছে, অথচ একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমেই তারা জামায়াতকে নিষিদ্ধ করতে পারে।জাতীয় পার্টি ও জামায়াতকে নিয়ে আন্দোলন করা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কেন আমাদের জামায়াত ছাড়ার কথা বলেন।তার নিষিদ্ধ করলে তো আমরা বাঁচি।” সংগঠনের সভাপতি ডা. এ কে এম আজিজুল হকের সভাপতিত্বে এতে আরো বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রো-ভিসি আফম ইউসূফ হায়দার, বিএফইউজের (একাংশ) সভাপতি রুহুল আমিন গাজী প্রমুখ।

শেয়ার করুন