আম্বার বিজয় দিবস টোয়েন্টি টোয়েন্টি লিগের শিরোপা জিতেছে সাকিব আল হাসানের নেতৃত্বাধীন প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব। মঙ্গলবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠেয় ফাইনালে ৫৫ রানে তারা হারিয়েছে তামিমের ইউসিবি-বিসিবি একাদশকে। ১৭৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে ইউসিবি-বিসিবি’র ইনিংস শেষ হয়েছে ১১৯ রানে।
শিরোপা লড়াইয়ের ম্যাচে ১৭৫ রান তাড়া করতে গিয়ে শুরুতেই তামিমকে হারিয়ে বিপদে পড়ে ইউসিবি-বিসিবি একাদশ। দলীয় মাত্র ১৬ রানে আউট হয়ে যান তামিম। গত ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান এ ম্যাচে করতে পেরেছেন মাত্র ২ রান। নিজের বলে নিজেই দারুণ একটি ক্যাচ নিয়ে তামিমকে ফিরিয়েছেন সোহাগ গাজী।
দলীয় ৫০ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় ইউসিবি। ২৪ বলে ৩২ রান করে আউট হন রনি তালুকদার। উইসিবি তৃতীয় উইকেট হারায় ৬৩ রানে। সীমানার খুব কাছে থেকে দারুণ এক ক্যাচে তাকে ফেরান রুবেল, বোলার ছিলেন তাইজুল ইসলাম। ৭৬ রানে পড়ে চতুর্থ ও পঞ্চম উইকেট। সাব্বির রহমানের অসাধরণ থ্রু-থেকে রান আউট হয়ে যান নাঈম ইসলাম, আর মোহাম্মদ শরীফের বলে বোল্ড হয়ে ফিরেন মিঠুন।
ইউসিবি’র পরাজয় মোটামুটি নিশ্চিত হয়ে যায় তখনই। এরপর আর কোনো ব্যাটসম্যান জয়ের আশাই জাগাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ইউসিবি’র দম শেষ হয়ে যায় … রানে।
প্রাইম ব্যাংকের হয়ে দুটি উইকেট নিয়েছেন তাইজুল ইসলাম।
ম্যাচে প্রথমে ব্যাটিং করে লিটন কুমারের হাফ সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৭৪ রান করে প্রাইম ব্যাংক। ওপেনিং জুটিতে ৫৯ রান সংগ্রহ করে তারা। দলের হয়ে প্রথম আউট হন এনামুল হক বিজয়। ২৩ বলে ২৭ রান করেন তিনি। মোক্তার আলির বলে সরাসরি বোল্ড ফিরেন তিনি। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ৫৬ রান যোগ করেন লিটন কুমার ও সাব্বির রহমান। দলীয় ১১৫ রানে আউট হন লিটন। ৩৯ বলে ছয়টি চার ও দুটি ছয়ে ৬২ রান করেন তিনি। লিটনের উইকেটটি পান আরাফাত সানি। দলীয় ১২৩ রানে ব্যক্তিগত ২৫ রানে আউট হন সাব্বির রহমান। ১৪৪ রানের সময় আউট হন সাকিব। প্রাইম ব্যাংক অধিনায়ক করেছিলেন ১৪ বলে ১৪ রান।
আসরে সবচেয়ে বেশি রান এসেছে প্রাইম ব্যাংকের ওপেনার এনামুল হক বিজয়ের ব্যাট থেকে। সাত ম্যাচে এক সেঞ্চুরি ও এক হাফ সেঞ্চুরি থেকে ২৯৮ রান করেন তিনি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান করেছেন ইউসিবি-বিসিবি একাদশের অধিনায়ক তামিম ইকবাল। এক সেঞ্চুরি ও এক হাফ সেঞ্চুরিতে ২৭৫ রান করেছেন তিনি।
আসরে সবচেয়ে বেশি, ১৩টি উইকেট নিয়েছেন ইউসিবি-বিসিবি একাদশের আল আমিন। সাত ম্যাচে ২৫ ওভার বোলিং করে এ উইকেটগুলো নিয়েছেন তিনি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১১টি উইকেট নিয়েছেন যৌথভাবে দেওয়ান সাব্বির ও সাকিব আল হাসান।
ব্যাট হাতেও এ আসরে সফল ছিলেন সাকিব। ছয় ম্যাচে একটি হাফ সেঞ্চুরিসহ ১৩৮ রান করেছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা এই অলরাউন্ডার।










