৫ বছরে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টুকুর সম্পদ বেড়েছে ২০ গুন

0
87
Print Friendly, PDF & Email

পাবনা-১ (সাঁথিয়া-বেড়া) আসনের আওয়ামী লীগ প্রার্থী, পাবনা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকুর সম্পদ বেড়েছে ২০ গুন। ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় টুকুর মোট সম্পদের পরিমান ছিল ১১ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৩৭ লাখ ৩ হাজার ৫১০ টাকা। গত ৫ বছরে প্রায় ২০ গুন সম্পদ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ছাড়া স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর স্ত্রী অধ্যাপিকা লুৎফুনেচ্ছা বেগমের সম্পদের পরিমান ১ কোটি ৯৫ লাখ ৬৫ হাজার ৮০ টাকা। দু‘জনের মিলে মোট সম্পদের পরিমান ৪ কোটি ৩২ লাখ ৬৮ হাজার ৫৯০ টাকা। সম্পদ বৃদ্ধির হার ৩৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ। পাবনা জেলা রিটার্নিং অফিসারের কাছে প্রদত্ত হলফনামা থেকে এ সব তথ্য জানা গেছে।
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, শামসুল হক টুকুর কৃষি খাত থেকে আয় ৮০ হাজার টাকা, বাড়ী এপার্টমেন্ট ভাড়া বাবদ ২ লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা, শেয়ার ও সঞ্চয়পত্র ৫ লাখ ৩৯ হাজার ১২১ টাকা, মন্ত্রী হিসেবে প্রাপ্য ভাতা (পারকুইজিট ও ভাতা) ৬ লাখ ১৬ হাজার ৬২০ টাকা, নগদ টাকা ৩ হাজার ৫০০ টাকা, ব্যাংকে জমা ১৬ লাখ ৬ হাজার ৮০ টাকা, ডিপিএস ১ লাখ ৭৮ হাজার ৯৬০ টাকা, এফডিআর ৪৫ লাখ ৪১ হাজার ৫৪৬ টাকা, বাস ট্রাক ৭১ লাখ ৩৯ হাজার ৯৮৫ টাকা, স্বর্ণ ১০ হাজার টাকা, ইলেট্রোনিক্স সামগ্রী ৪০ হাজার টাকা, আসবাবপত্র ৫০ হাজার টাকা, পিস্তল ৮৬ হাজার ৯০০ টাকা, অকৃষি জমি (৫ কাঠা) মূল্যে ৪৯ লাখ ৭৭ হাজার ২৯৮ টাকা, দালান ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকা, পৈত্রিক বসত ভিটা ২৫ লাখ টাকা। এ দিকে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ব্যাংক ও হাউস বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশনের কাছে দেনা আছেন ৬৫ লাখ ৪৭ হাজার ৪০৯ টাকা।
স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর স্ত্রী অধ্যাপিকা লুৎফুনেচ্ছা বেগমের সম্পদের পরিমান ১ কোটি ৯৫ লাখ ৬৫ হাজার ৮০ টাকা। এ গুলো হলো- নগদ ১৫ হাজার টাকা, ব্যাংকে জমা ১ লাখ ২৮ হাজার ৭৪৪ টাকা, বন্ড ৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা, ডিপিএস ১ লাখ ৭৮ হাজার ৯৬০ টাকা, এফডিআর ১ কোটি ৩৬ লাখ ৪৭ হাজার ৩৭৬ টাকা, স্বর্ণ ৫ হাজার টাকা, ইলেট্রোনিক্স সামগ্রী ৫০ হাজার টাকা, আসবাবপত্র ৫০ হাজার টাকা, দালান ১ লাখ টাকা, বসত ভিটা ৪৪ লাখ টাকা।
এ সব সম্পদের বিপরীতে তিনি কোন আয়কর দেন কিনা তা হলফনামায় উল্লেখ নেই। টুকু বেড়া উপজেলার বৃশালিখা গ্রামের মৃত জুড়ান সরদার ও মৃত রহিমা খাতুনের ছেলে ছেলে। পেশা আইন ব্যবসা। তিনি রাকসুর জিএস ছিলেন এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ এলএলবি পাশ করেন। তার বিরুদ্ধে কোন মামলা নেই বা ছিলনা। ইতোপুর্বে ভোটারদের কাছে দেওয়া নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি হিসেবে এলাকার রাস্তা ঘাট, সন্ত্রাস নিমুল, নারী উন্নয়ন করেছেন বলে হলফ নামায় উল্লেখ্য করেন।

শেয়ার করুন