জামায়াত-শিবিরের নিয়ন্ত্রণে ১৯ জেলা

0
451
Print Friendly, PDF & Email

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাধাগ্রস্ত করাসহ সরকারবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশের ১৯টি জেলার ৪২টি পয়েন্টে জামায়াত-শিবির একচ্ছত্র আধিপত্য কায়েম করেছে। গত দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে অন্তত ২৬টি উপজেলা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন জনপদে পরিণত হয়ে আছে। সেসব এলাকার লাখ লাখ মানুষ জিম্মিদশায় অমানবিক জীবনযাপনে বাধ্য হচ্ছেন। এর মধ্যে চারটি জেলার ৭টি উপজেলার জামায়াত-শিবিরের হাতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা একের পর এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হচ্ছেন। এসব এলাকাতেই নাশকতায় গত দেড় মাসে ১১৬ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে প্রায় তিন হাজার মানুষ। জ্বালাও-পোড়াওয়ের ঘটনায় অন্তত ২০ হাজার কোটি টাকার সম্পদ ধ্বংস হয়ে গেছে।

তবে ১৫ ডিসেম্বর গভীর রাত থেকে জামায়াত-শিবিরসহ নাশকতা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে যৌথ বাহিনীর ব্যাপক অভিযান শুরু হওয়ায় কোনো কোনো এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে। গতকাল রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মেহেরপুর, ফেনী, লক্ষ্মীপুরসহ কমপক্ষে ৭টি জেলার পয়েন্টে পয়েন্টে যৌথ বাহিনীর অভিযান চলছিল। টানা অভিযানের মুখে জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা কোণঠাসা হয়ে পড়েছে বলে প্রশাসনের কর্মকর্তারা দাবি করেছেন। এতকিছুর পরও সাতক্ষীরা, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, বগুড়া, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর, চট্টগ্রাম-কঙ্বাজার ও সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াত-শিবিরের নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত রয়েছে। কম-বেশি সহিংসতাও চলছে সেখানে। এলাকার সাধারণ বাসিন্দাদের ‘মানব ঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে টিকে থাকার নয়া কৌশল চালাচ্ছে তারা। স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, ব্যাপক অভিযানের ধকল এড়াতে গত দেড় মাসে নানা সহিংসতায় সরাসরি সম্পৃক্ত ক্যাডাররা এরই মধ্যে বিভিন্ন জেলা ছেড়ে নিরাপদ স্থানে গা-ঢাকা দিয়েছে। এদের মধ্যে একটি বড় অংশ রাজধানীতে এসে আত্দগোপন করেছে বলে গোয়েন্দাদের কাছে তথ্য রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ কারণে জেলায় জেলায় অভিযান চালানোর পাশাপাশি রাজধানীতেও যৌথ বাহিনীর অভিযান চালানোর প্রস্তুতি চলছে- যে কোনো মুহূর্তেই তা শুরু করা হবে। ওই কর্মকর্তা সহিংসতায় জড়িত ক্যাডারদের গা-ঢাকা দেওয়ার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করে জানান, নাশকতায় জড়িতরা আত্দগোপনে ব্যস্ত থাকায় ১৮ দলীয় জোটের সর্বশেষ ৭২ ঘণ্টার অবরোধ সাদামাটাভাবেই শেষ হয়েছে। এ তিন দিনে বড় ধরনের কোনো নাশকতার নজির দেখা যায়নি।

১৯ জেলায় ৪২ পয়েন্টে একচ্ছত্র জামায়াত

সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালাও-পোড়াও, সহিংস নাশকতায় জামায়াত-শিবিরের একক আধিপত্য বজায় থাকা এলাকাগুলো হচ্ছে_ চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, বাঁশখালী, সীতাকুণ্ড, ফটিকছড়ি, কঙ্বাজার সদর, চকোরিয়া, উখিয়া, মহেশখালী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও সংলগ্ন এলাকা, ফেনীর সোনাগাজী, নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর সদরের একাংশসহ উপকূলীয় দুটি উপজেলা, চাঁদপুরের বেশির ভাগ অংশ, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম এবং কুমিল্লা কোতোয়ালি ও সদর দক্ষিণ থানার সীমান্তবর্তী গ্রামগুলো, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের বেশির ভাগ এলাকা, সিলেট মহানগরের একাংশসহ দূরবর্তী জকিগঞ্জ উপজেলা, কানাইঘাট, মৌলভীবাজারের বড়লেখা, কুলাউড়ার বিভিন্ন এলাকা। এবার উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকাতেও জামায়াত-শিবিরের সহিংস তৎপরতা ব্যাপকভাবে লক্ষ করা গেছে। উত্তরাঞ্চলের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ এবং রংপুরের কারমাইকেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ও রংপুর মেডিকেল কলেজে বরাবরই শিবিরের আধিপত্য থাকলেও সাম্প্রতিক সহিংসতায় রংপুরের বদরগঞ্জ, পীরগঞ্জ, গাইবান্ধার পলাশবাড়ী, নীলফামারী, লালমনিরহাটের সীমান্তবর্তী দুটি উপজেলা এলাকা, বগুড়ার একাংশ, জয়পুরহাট, পাবনার নগরবাড়ী-কাজীপুর, সিরাজগঞ্জের সাঁথিয়া, নাটোরের সিংড়া-বনপাড়া, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের সর্বত্রই তাদের বেপরোয়া হামলা, ভাঙচুর, বোমাবাজিসহ নাশকতার ভয়াবহতাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন গোয়েন্দারা।

জঙ্গি সংগঠন ও সর্বহারা গ্রুপ হয়েছে জামায়াতের সহযোগী?

উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ক্ষমতার ব্যাপকতা প্রদর্শনের ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জেএমবির প্রশিক্ষিত ক্যাডার মোটা মামুন, জনু, আজগর, নলডাঙ্গার মাসুদ, নাটোর লালপুরের রমজান, চুন্নু, দীনাসহ অনেকেই জামায়াত-শিবিরের সহযোগী হিসেবে তৎপর ছিল। একইভাবে খুলনা, সাতক্ষীরা ও যশোরের কয়েকটি এলাকা নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে জামায়াত-শিবির ওই এলাকার সশস্ত্র সর্বহারাদের ব্যবহার করেছে বলে স্থানীয় প্রশাসনের সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে। অস্ত্রশস্ত্রে বলীয়ান দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের আতঙ্ক হিসেবে চিহ্নিত খুলনার মৃণাল বাহিনীর অস্ত্রবাজরা অবরোধ কর্মসূচির নামে ব্যাপক নাশকতা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। একইভাবে খুলনার রূপসা, তেরখাদা, দীঘলিয়া ও সংলগ্ন ফকিরহাট, বটিয়াঘাটা অঞ্চলের ত্রাস মান্নান ওরফে বাবা মান্নান, ছোট বাবু, আইতু বাবু, গোলাম খাঁসহ ২৫-৩০ জন অস্ত্রবাজ রীতিমতো শিবির সহযোগী হিসেবে খুলনা এলাকা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এ গ্রুপটি কাঁটাখালী, পিটিআই মোড়, রয়েল চত্বর এলাকায় র্যাব-পুলিশের সঙ্গেও কয়েক ঘণ্টার বন্দুকযুদ্ধ চালায়। ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীদের সিরিজ মার্ডারসহ পুলিশ হত্যা, পুলিশ ক্যাম্পসহ সরকারি বিভিন্ন দফতর আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া, র্যাব-পুলিশের সঙ্গে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বন্দুকযুদ্ধ চালানোর মাধ্যমে জামায়াত-শিবির বগুড়ার শাজাহানপুর, নাটোরের বনপাড়া, রাজশাহীর বিনোদপুরসহ মহানগরীর বেশির ভাগ এলাকায় সদাপটে বহাল রয়েছে। সবচেয়ে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছে সাতক্ষীরা জেলাতে। সেখানে কয়েক মাসের ব্যবধানে শিবির ক্যাডারদের হাতেই আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের অন্তত ৩৩ জন নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন।

সমর্থন নেই তবু জামায়াতের নিয়ন্ত্রণ!

উত্তরাঞ্চলসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় যে ১১টি জেলার ২৩টি পয়েন্টে জামায়াত-শিবির একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ কায়েম করেছে সেসব এলাকায় ভোটের পরিসংখ্যানে দলটির তেমন কোনো জনপ্রিয়তা নেই বললেই চলে। ১১ জেলার মধ্যে মাত্র দুটি আসন ছাড়া সর্বত্রই জামায়াতের বাঙ্ েবরাবরই সীমিত সংখ্যক ভোট পড়ে। ২০০৮ সালের নির্বাচনেও ওই এলাকায় জামায়াত প্রার্থীরা গড়ে ভোট পান মাত্র চার দশমিক সাত শতাংশ হারে। জনসমর্থন শূন্যের কোঠায় থাকা সত্ত্বেও কীভাবে ১১টি জেলাজুড়ে ভয়াবহ নাশকতা চালানোসহ আধিপত্য বজায় রাখছে তা গোয়েন্দাদের কাছেও প্রশ্ন হয়ে উঠেছে। জনপ্রিয়তাহীন স্থানেই শুধু নয়, বিএনপি-জাপার দুর্গেও শিবিরের শক্তিশালী ঘাঁটি হয়ে উঠেছে। বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত বগুড়া এবং জাতীয় পার্টির দুর্গ হিসেবে চিহ্নিত গাইবান্ধা-রংপুর জেলাতে শিবিরের বেপরোয়া হামলা, পুলিশ হত্যা ও ভয়াবহ অরাজকতায় স্থানীয় বাসিন্দারাও হতবাক হয়ে পড়েছেন। এদিকে ডিএমপি ডিবির একটি সূত্র জানায়, যৌথ অভিযান শুরুর পর বিভিন্ন জেলা থেকে পলায়নপর অন্তত পাঁচ হাজার শিবির ক্যাডার রাজধানীতে প্রবেশ করেছে। ঢাকার যাত্রাবাড়ী, ডেমরা-কাজলা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, মানিকনগর, রামপুরার বনশ্রী এলাকা, বাড্ডা, বড়মগবাজার এলাকার বিভিন্ন বাসা-বাড়ি ও মেসে অবস্থান নিয়েছে তারা। এরই মধ্যে বেশ কিছু ক্যাডারের নাম-পরিচয়সহ একাধিক তালিকা তৈরি করেছে ডিবি। এ তালিকা নিয়েই মহানগর পুলিশ ও গোয়েন্দারা অভিযানে নামছে বলেও জানা গেছে। পুলিশের আইজি হাসান মাহমুদ খন্দকার বলেন, কয়েক দিনের টানা যৌথ অভিযানে অনেকটাই চুপসে গেছে জামায়াত-শিবির। তারা এখন নিজেদের বাঁচানোর পথ খুঁজতে শুরু করেছে। পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) দায়িত্বশীল অপর একজন কর্মকর্তা জানান, জামায়াত-শিবিরের পক্ষ থেকে যারা জঙ্গি স্টাইলের নাশকতার কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত তারা মাসিক বেতন প্রদানের ভিত্তিতে ‘সোর্স’ পর্যন্ত নিয়োগ করেছেন। ফলে পুলিশ, বিজিবি, র্যাবের যে কোনো অভিযান শুরুর আগেই জামায়াত-শিবিরের ক্যাডাররা জানতে পারেন এবং যথারীতি নিরাপদ দূরত্বে সটকে যান। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অতিসম্প্রতি অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত বৈঠকে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা খোলামেলাভাবেই এসব আশঙ্কা ব্যক্ত করেছেন। সভায় কয়েকজন মন্ত্রী, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), বিজিবি মহাপরিচালকসহ ডিএমপি, সিআইডি, ডিবি, এসবি, বিশেষ ফোর্স সোয়াট বাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোর পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ বৈঠকেই সাতক্ষীরা, বগুড়া, মেহেরপুর, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, সিরাজগঞ্জ, চট্টগ্রাম ও গাইবান্ধাসহ চরম সহিংসতাপূর্ণ জেলাগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর সমন্বয়ে চিরুনি অভিযান অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত হয়।

আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা সবচেয়ে বিপাকে

জামায়াত-শিবিরের এসব তাণ্ডব প্রতিরোধে মাঠে নেই আওয়ামী লীগ ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠন। দলীয় নেতাদের বাসাবাড়িতে হামলার প্রতিবাদে নামমাত্র মিছিল করেই প্রতিবাদের দায় সারছেন আওয়ামী লীগ নেতারা। পাঁচ বছর ক্ষমতায় থেকেও মাঠে নেই আওয়ামী লীগ। মাঠপর্যায়ের অনেক নেতা এখন আত্দরক্ষার্থে রাজধানী ও জেলা শহরে অবস্থান করছেন। এলাকা পর্যায়ে অবস্থান নেওয়া ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীরা এখন শিবির আতঙ্কে ভুগছেন। সাতক্ষীরাবাসী স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াত-শিবিরের সহিংসতা ও নাশকতায় দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। সেখানে জামায়াত-শিবির কিলিং মিশন চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। ঘরে ঘরে তল্লাশি চালিয়ে এবং খুঁজে খুঁজে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীদের হত্যা করা হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, বর্তমানে সাতক্ষীরায় জামায়াত-শিবির যে তাণ্ডব চালাচ্ছে তা একাত্তরকেও হার মানিয়েছে। সাম্প্রতিককালে তাদের তাণ্ডব ও রাজনৈতিক সহিংসতায় ৩২ জন নিহত হয়েছে। প্রাণ বাঁচাতে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। অনেকে জামায়াতে যোগ দেওয়ার অঙ্গীকার করে জীবন রক্ষা করেছেন। অনেকে রক্ষা পেয়েছেন চাঁদা দিয়ে। সাম্প্রতিক সময়ে সাতক্ষীরা জেলা হয়ে উঠেছে জামায়াত-শিবির নিয়ন্ত্রিত আতঙ্কের জনপদ। সবচেয়ে বিপন্ন অবস্থায় সাতক্ষীরা নেতা-কর্মীরা ধারাবাহিক খুনোখুনির শিকার হলেও তাদের পাশে গিয়ে দাঁড়াননি সেখানকার সরকারদলীয় এমপি আ ফ ম রুহুল হক। গত পাঁচ বছর তিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রী থাকাকালেই স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে অনেক দূরত্ব সৃষ্টি করেছেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রেও তিনি বিএনপি ও শিবিরের সদস্যদের অগ্রাধিকার দিয়েছেন।

তখন থেকেই আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে তার মুখ দেখাদেখিও বন্ধ হয়ে যায়। এমন চিত্র দেশের যেসব জায়গায় রয়েছে সেখানেই জামায়াত-শিবিরের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতা-কর্মীরা।

শেয়ার করুন