ব্যাংককের বাইরে ছড়িয়ে পড়ছে বিক্ষোভ

0
44
Print Friendly, PDF & Email

থাইল্যান্ডে প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রার পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলন-বিক্ষোভে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে সরকার। বিক্ষোভকারীরা সোমবার অর্থমন্ত্রণালয় দখল করা থেকে শুরু করে পরে একে একে অন্যান্য মন্ত্রণালয় দখল করে নিয়েছে। গতকাল থাইল্যান্ডের সরকারবিরোধী বিক্ষোভ রাজধানী ব্যাঙ্ককের বাইরেও ছড়িয়ে পড়েছে। এর প্রেক্ষিতে বিক্ষোভকারীরা আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রার পতন ঘটাতে সক্ষম হবে বলে দাবি করেছে। বিক্ষোভের চতুর্থদিনে গতকাল বুধবার বিকালে শ’ শ’ বিক্ষোভকারী দেশের বিশেষ তদন্ত বিভাগ (ডিপার্টমেন্ট অব স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন-‘ডিএসআই’) ঘেরাও করে সেখান থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেরিয়ে যেতে বাধ্য করেছে। ডিএসআই সরকারবিরোধীদের লক্ষ্য করে পক্ষপাতদুষ্ট তদন্তকাজ পরিচালনা করছে বলে অভিযোগ এনে বিক্ষোভকারীরা এ বিভাগ ঘেরাও করে। সরকার পতনের দাবিতে আন্দোলনকারীরা ব্যাংককের বাইরের সরকারি কার্যালয়গুলোকেও অবরুদ্ধ করার লক্ষ্যে সেখানেও বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু করেছে। বুধবার তারা ব্যাংককে শ্রম, জ্বালানি, স্বাস্থ্য ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সমানে বিক্ষোভে জড়ো হওয়া ছাড়াও ১৯টি প্রদেশের স্থানীয় সরকারি কার্যালয়গুলোতে জড়ো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ইংলাক তার ভাই থাকসিন সিনাওয়াত্রার কথায় দেশ পরিচালনা করছেন- এ অভিযোগে বিক্ষোভকারীরা ইংলাকের পদত্যাগ দাবি করছেন। সঙ্কটে পড়া ইংলাকের সরকার পার্লামেন্টে ডেমোক্রেটিকদের আহ্বান করা অনাস্থা ভোটে মুখোমুখি হওয়ার পরিস্থিতিতে সরকারবিরোধী আন্দোলন যেন আরও চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। থাইল্যান্ডে সরকারবিরোধী এ বিক্ষোভ কয়েক সপ্তাহ ধরে চললেও তা ক্রমেই জোরদার হচ্ছে। গত দুইদিনে রাজধানী ব্যাঙ্ককে বিক্ষোভকারীদের অবরোধের মুখে খালি করা হয়েছে ৫টি মন্ত্রণালয়। অর্থমন্ত্রণালয় এখনও বিক্ষোভকারীদের দখলে রয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় কর্মকর্তাদেরকে কারফিউ জারি করারও এখতিয়ার দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ইংলাক। তবে সরকার বিক্ষোভকারীদের ওপর বল প্রয়োগ করবে না বলে তিনি জানিয়েছেন।

শেয়ার করুন