চীনা ‘আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চল‘কে যুক্তরাষ্ট্রের চ্যালেঞ্জ

0
78
Print Friendly, PDF & Email

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে এ খবর জানিয়েছে বিবিসি অনলাইন।

পূর্ব চীন সাগরে মানব বসতিহীন কিন্তু খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ কয়েকটি দ্বীপের (জাপানে সেনকাকু ও চীনে দিয়ায়ু) মালিকানা নিয়ে জাপান ও চীনের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে।

বর্তমানে জাপানি মালিকানাধীন দ্বীপগুলো ঐতিহাসিকভাবে চীনের সীমানভুক্ত ছিল বলে চীন দাবি করে আসছে। ভূতাত্ত্বিকভাবে দ্বীপগুলো চীনের সীমানায় পড়েছে বলে জাতিসংঘে যুক্তি পেশ করেছে দেশটি।

শনিবার ওই দ্বীপের আকাশসীমাসহ পূর্ব চীন সাগরের একটি ব্যাপক এলাকাকে নিজের ‘আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চল’ হিসেবে ঘোষণা দেয় চীন। এই এলাকায় প্রবেশকারী বিদেশি বিমানকে চীনের আইন মেনে চলতে হবে আর না হলে ‘জরুরি প্রতিরক্ষা পদক্ষেপ’র মোকাবিলা করতে হবে বলে জানিয়ে দেয় দেশটি।

এ ঘোষণা দেয়ার পরপরই জাপান প্রতিবাদ জানিয়ে ‘কোনোভাবেই বৈধ নয়’ বলে ঘোষণাটি প্রত্যাখ্যান করে। জাপানের প্রতিরক্ষামিত্র যুক্তরাষ্ট্রও চীনা ঘোষণার সমালোচনা করে।

যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের নিরাপত্তাচুক্তির আওতায় ওয়াশিংটন জাপানশাসিত অঞ্চলের সুরক্ষায় দায়িত্ব পালন করার প্রতিশ্রুতে আবদ্ধ। এই নিরাপত্তাচুক্তির আওতায় জাপানি দ্বীপগুলোর আকাশসীমায় টহল দেয় যুক্তরাষ্ট্রের বোমারু বিমানগুলো।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা কর্নেল স্টিভ ওয়ারেন পেন্টাগন থেকে বলেছেন, “সেনকাকু এলাকায় অভিযান পরিচালনা করছে ওয়াশিংটন।”

“আমরা আমাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম অনুযায়ী কাজ করে যাবে, এর আওতায় আমরা ওই এলাকায় উড্ডয়ন পরিকল্পনা চীনের কাছে পেশ করবো না, তাদের সঙ্গে রেডিও মারফত যোগাযোগও করবো না,” বলেন তিনি।

তাদের বোমারু বিমান পাঠানোর কোনো প্রতিক্রিয়া চীনের পক্ষ থেকে দেখানো হয়নি বলে জানিয়েছেন ওয়ারেন।

জাপানের ওকিনাওয়া দ্বীপসহ জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ৭০ হাজার সেনা উপস্থিতি আছে। ওকিনাওয়া দ্বীপটির অবস্থান বিরোধপূর্ণ দ্বীপপুঞ্জের কাছাকাছি। ।

শেয়ার করুন