‘তরুণ প্রজন্ম মোবাইল আর ফেসবুকেই সীমাবদ্ধ নয়’

0
57
Print Friendly, PDF & Email

অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেছেন, দেশের তরুণ প্রজন্ম শুধু মোবাইল আর ফেসবুকের মধ্যেই নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখেনি। তারা দেশকে ভালবাসে। এভারেস্ট জয়ের মাধ্যমে তারা দেশকে বিশ্ববাসীর কাছে পরিচিত করেছে।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে ‘এভারেস্ট জয়ী চলচ্চিত্রকার, লেখক ও সংগঠক প্রয়াত সজল খালেদ ও তার অর্জন’ শীর্ষক এক আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি ।

মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেন, মানুষ পৃথিবীতে কর্মের মাধ্যমে বেঁচে থাকে। কর্ম ভালো না হলে তেলাপোকার জীবন আর মানুষের জীবনের মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকে না। সেদিক বিবেচনা করলে এভারেস্ট জয়ী সজল খালেক তার ক্ষণজন্মে পৃথিবীতে অনেক কিছুই দিয়ে গেছেন।

তিনি বলেন, সজল শুধু একজন এভারেস্ট জয়ীই ছিলেন না, তিনি একাধারে একজন সাহিত্যিক, চলচিত্রকার ও সংগঠকও ছিলেন।

সজলকে শেরপাদের চেয়েও সাহসী উল্লেখ করে নিশাত মজুমদার বলেন, তিনি সজলের সঙ্গে চারটি অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন। তাই খুব কাছ থেকে তার সাহসিকতা দেখেছেন।

এম এ মুহিত বলেন, সজল তরুণদের সাহসী করে তুলেছিল। তার অনুপ্রেরণায় অনেকেই এভারেস্ট জয় করেছেন।

অনুষ্ঠানে সজল খালেদের এভারেস্ট জয়সহ বিশ্বের ১৪টি পর্বত জয়ের স্লাইডসহ তার পরিচালিত ‘কাজলের দিনরাত্রি’ চলচ্চিত্রের কিছু অংশ প্রদর্শন করা হয়।

এছাড়া আলোচনায় কালি ও কলম এর সম্পাদক আবুল হাসনাত, সংগীত পরিচালক লাকী আখন্দ ও সজল খালেকের বড় ভাই সাখাওয়াত হোসেন, স্ত্রী তাহমীনা খান শৈলী, পুত্র সুস্মিত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

‘সজল খালেদ স্মরণ সভা’এর আহ্বায়ক ইনাম আল হকের সভাপতিত্বে মাউন্টেনিয়ারিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

শেয়ার করুন