প্রধানমন্ত্রী সব চুল উপড়ে ফেলেছেন

0
43
Print Friendly, PDF & Email

প্রধানমন্ত্রী সংবিধান থেকে একচুলও না নড়ার কথা বলে এখন সব চুল উপড়ে ফেলেছেন বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘বর্তমান সংকট থেকে সংঘাত হবে।

দেশ মানবিক ও রাজনৈতিক বিপর্যয়ে পড়বে। শুধু নির্বাচনের আগেই নয় পরেও সংঘাত হতে পারে।’ শনিবার দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে হোটেল রাজমনি ঈশাখাঁয় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি)র উদ্যোগে আয়োজিত ‘উত্তরোত্তর রাজনৈতিক সংকট ও নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।

বি চৌধুরী বলেন, ‘সরকারি দল আন্দোলন বন্ধ করে আলোনায় বসার আমন্ত্রণ দিচ্ছে, এটা অরাজনৈতিক কথা। আন্দোলন ও আলোচনা একই সঙ্গে হতে পারে। সম্প্রতি গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলন হয়েছে, আবার দফায় দফায় আলোচনাও হয়েছে, যার ফলে একটি সমাধান হয়েছে। তাই আন্দোলনও হবে, আলোচনাও চলবে।’ তিনি বলেন, ‘নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে সঙ্কট চলছে। সরকার সংবিধান সংশোধন করে সঙ্কট তৈরি করেছে। সমাধানের উদ্যোগ নেয়ার বেশি দায়িত্ব সরকারের। যদি সমাধান না হয়ে সংকট সৃষ্টি হয় প্রধানমন্ত্রী দায়ী থাকবেন।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমালোচনা করে বি চৌধুরী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কি অস্বীকার করতে পারবেন তিনি মন্ত্রীদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেননি। তিনি (প্রধানমন্ত্রী) বলছেন সংবিধান থেকে এক চুলও নড়বেন না, কিন্তু তিনি এখন সব চুল উপড়ে ফেলেছেন। তিনি এখন সংবিধান থেকে সরে গিয়েছেন। বি চৌধুরী আরোর বলেন, ‘ প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদলীয় নেত্রীকে বলেছেন, ‘হয় আপনি ক্ষমতায় থাকবেন না হয় আমরা। তার মানে তারা দুইজন কি দেশ ভাগাভাগি করে নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখে এমন বক্তব্য মানায় না।’

বর্তমান সময়ে হরতালের যৌক্তিকতা প্রসঙ্গে বি চৌধুরী বলেন, ‘আমরা নৈতিকভাবে হরতাল সমর্থন করি না। হরতালের সহিংসতায় মানুষের মৃত্যু সমর্থনযোগ্য নয়। কিন্তু সরকার সভা, সমাবেশ, মিছিল, মিটিং নিষিদ্ধ করে একমাত্র হরতালের পথই খোলা রেখেছে।’ গোলটেবিল আলোচনায় অংশ নেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব, স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহমেদ, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী প্রমুখ।

শেয়ার করুন