তারেক রহমানের ১০ বছর কারাদণ্ড হচ্ছে!

0
39
Print Friendly, PDF & Email

যুক্তরাজ্যের লন্ডনে নির্বাসিত বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি তারেক রহমানকে ১০ বছর কারাদণ্ড দেয়া হবে। এর প্রতিবাদে ৯৬ ঘন্টার হরতাল ডাকতে যাচ্ছে দলটি।

শুক্রবার এমন চাঞ্চল্যকর দাবি জানিয়েছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি হাসান মামুন।

সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ফেসুবুকের ওয়ালে এক স্ট্যাটাসে এ দাবি করেছেন মামুন।

স্ট্যাটাসে মামুন বলেন, ‘চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমনের কৌশল হিসেবে শেখ হাসিনার নির্দেশে আগামী রোববার তারেক রহমানকে ১০ বছর কারাদণ্ড দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

তিনি আরো বলেন, ‘কারাদণ্ডের প্রতিবাদে ও নির্দলীয় সরকারের দাবিতে ৯৬ ঘন্টা হরতাল দেয়ার সিদ্ধান্ত বিএনপি।

এদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আ স ম হান্নান শাহও আশঙ্কা করছেন তারেক রহমানকে সাজা দেবে আদালত।

শুক্রবার রাজধানীতে এক আলোচনায় তিনি বলেন, ‘বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমোনের মামলার রায়ে কী আছে তা থাকতে পারে, তা জানা আছে। তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক রায় দেশের মানুষ মেনে নেবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন হান্নান শাহ্।

উল্লেখ্য, রোববার তারেক রহমান ও ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের অর্থ পাচার মামলায় রায় ঘোষণা করা হবে। বৃহস্পতিবার আসামিপক্ষের আইনজীবীর যুক্তিতর্ক শেষে ঢাকার তিন নম্বর আদালতের বিশেষ জজ মো. মোতাহার হোসেন এ দিন ধার্য করেন।

২০০৯ সালের ২৬ অক্টোবর ক্যান্টনমেন্ট থানায় এ মামলাটি করে দুদক। ২০১০ সালের ৬ জুলাই তারেক রহমান ও গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়। ২০১১ সালের ৮ আগস্ট এ মামলার তারেক ও মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেন আদালত।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, টঙ্গিতে প্রস্তাবিত ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য নির্মাণ কন্সট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেডের মালিক খাদিজা ইসলামের নিকট থেকে গিয়াসউদ্দিন আল মামুন ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৮৪৩ টাকা নেন। সিঙ্গাপুরে এই টাকা লেনদেন হয়। এরপর মামুন এই অর্থ সিঙ্গাপুরের ক্যাপিটাল স্ট্রিটের সিটি ব্যাংক এনএতে তার নামের ব্যাংক হিসাবে জমা দেন। এই টাকার মধ্যে তারেক রহমান ৩ কোটি ৭৮ লাখ টাকা খরচ করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

শেয়ার করুন