নির্বাচনকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ গ্রহণে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন। স্বল্প সময়ের নোটিশেই যেনো শপথ অনুষ্ঠান করা যায়, সে ব্যবস্থা এখন পাকাপাকি। কারণ দু’একদিনের মধ্যেই নতুন মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠানের সম্ভাবনা রয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভুইঞা জানান, আমরা প্রস্তুত রয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে নতুনদের তালিকা পাঠানো বা জানানোর স্বল্পতম সময়ের মধ্যেই শপথ অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা হবে। বলা চলে প্রধানমন্ত্রী যখনই বলবেন, তখনই হবে। তবে নতুন মন্ত্রীদের তালিকার বিষয়ে কিম্বা শপথ গ্রহণ ঠিক কবে হতে পারে তা সুনির্দিষ্ট করে কোনো মন্তব্য করেননি তিনি।
ওদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক কর্মকতা জানান, পুণর্গঠিত মন্ত্রিসভায় ১০ থেকে ১৫জন সদস্য রাখা হতে পারে। যদি বিএনপি আসলে সংখ্যা হবে অনধিক ২০।
গত সোমবার মন্ত্রিসভার সব সদস্যরা পদত্যাগপত্র জমা দেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে। সেগুলোতে রাষ্ট্রপতি এখনো স্বাক্ষর করেননি।
গত বুধবার মন্ত্রী পরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা সাংবাদিকদের জানিয়েছিলন, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের দেয়া পদত্যাগপত্র এখনো মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পৌঁছেনি।
পদত্যাগপত্র মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পৌঁছনোর পর একটি সার সংক্ষেপ তৈরি করে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন নিয়ে রষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হবে। রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের পরই তা গেজেট আকারে প্রকাশ হবে।
জানা গেছে, নতুন মন্ত্রিসভায় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এবং জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ জায়গা পেতে পারেন।
পুরনোদের মধ্যে-অর্থমন্ত্রী, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী, পরিকল্পনামন্ত্রী, স্বরাস্ট্রমন্ত্রী, কৃষিমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, খাদ্যমন্ত্রী, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী, নৌ পরিবহণমন্ত্রীর নাম শোনা যাচ্ছে।
এছাড়াও দফতরবিহীন মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, জাসদের সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এবং বাণিজ্যমন্ত্রী জিএম কাদেরও নির্বাচনকালীন সরকারের মন্ত্রিপরিষদে থাকছেন বলে গুঞ্জন রয়েছে।







